📅 ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:১০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রামে ৩০ লাখ টন সক্ষমতার নতুন তেল শোধনাগার নির্মাণে আইডিবি থেকে ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ঋণ নিশ্চিত

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: তারেক রহমান তারেক রহমান
চট্টগ্রামে ৩০ লাখ টন সক্ষমতার নতুন তেল শোধনাগার নির্মাণে আইডিবি থেকে ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ঋণ নিশ্চিত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ৫৮ বছর পর বাংলাদেশে চট্টগ্রামে নির্মিত হবে ৩০ লাখ টন সক্ষমতার দ্বিতীয় তেল শোধনাগার। আইডিবি থেকে ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ঋণ নিশ্চিত করে সরকার ২০৩০ সালের নভেম্বর পর্যন্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এতে দেশের ৪৫-৫০ শতাংশ জ্বালানি চাহিদা পূরণ এবং ডিজেল আমদানি কমবে

৫৮ বছর পর বাংলাদেশে চট্টগ্রামে নির্মিত হবে দেশের দ্বিতীয় ও বৃহত্তম তেল শোধনাগার। ৩০ লাখ টন শোধন সক্ষমতার এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ৪৫ থেকে ৫০ শতাংশ জ্বালানি তেলের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। এতে ডিজেল ও অকটেনের আমদানি কমে খরচ হ্রাস পাবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় নির্মিত হবে ৩০ লাখ টন সক্ষমতার নতুন তেল শোধনাগার, যা বর্তমান শোধনাগারের দ্বিগুণ সক্ষমতা বহন করবে
  • 📌 আইডিবি থেকে ১০০ কোটি ডলার (১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা) ঋণ নিশ্চিত করে সরকার প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে
  • 📌 ২০৩০ সালের নভেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পের কাজ শেষ করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে
  • 📌 সরকারি অর্থায়নে প্রকল্প বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ ছিল অর্থায়ন নিশ্চিত করা, যা এবার আইডিবির মাধ্যমে সমাধান হয়েছে
  • 📌 প্রকল্পের নাম পরিবর্তন করে 'মর্ডানাইজেশন অ্যান্ড এক্সপানশন অব ইআরএল' রাখা হয়েছে
  • 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ট্রিলিয়ন ডলারের স্তরে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে

📰 বিস্তারিত

দেশের একমাত্র জ্বালানি তেল শোধনাগারটি ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এবার ৫৮ বছর পর চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় নির্মিত হবে দ্বিতীয় ও সবচেয়ে বড় শোধনাগার। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ৪৫ থেকে ৫০ শতাংশ জ্বালানি তেলের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। এতে ডিজেল, অকটেনসহ বিভিন্ন পরিশোধিত জ্বালানি তেলের আমদানি কমে খরচ হ্রাস পাবে।

জ্বালানি বিভাগের সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পের প্রধান চ্যালেঞ্জ ছিল অর্থায়ন নিশ্চিত করা। গত বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইডিবি) এর সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করে সরকার। চুক্তির অধীন ১০০ কোটি ডলার অর্থায়ন (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে) করবে আইডিবি। প্রকল্পের কাজ ২০৩০ সালের নভেম্বর পর্যন্ত সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে।

বর্তমানে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এর অধীনস্থ ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) এর শোধনাগারটির সক্ষমতা ১৫ লাখ টন। এই এলাকায় দ্বিগুণ সক্ষমতার নতুন শোধনাগার নির্মাণ করা হবে। প্রকল্প অনুমোদনের ছয় মাস পর গত বুধবার জ্বালানি বিভাগের একজন যুগ্ম সচিবকে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

২০১২ সাল থেকে এই প্রকল্পের আলোড়ন শুরু হয়েছিল। এরপর অন্তত ১১ বার উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) সংশোধিত হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। ২০২৪ সালে এটি বেসরকারি ব্যবসায়ী সাইফুল আলম বা এস আলম গ্রুপের সাথে যৌথভাবে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর প্রকল্পটি বাতিল করে অন্তর্বর্তী সরকার। নতুন সরকার প্রকল্পের নাম পরিবর্তন করে 'মর্ডানাইজেশন অ্যান্ড এক্সপানশন অব ইআরএল' রাখে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও আইডিবি গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আল জাসেরের উপস্থিতিতে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের স্তরে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। আমরা এই দশকে রপ্তানি, বিনিয়োগ এবং আর্থিক শৃঙ্খলার মাধ্যমে অর্থনীতির আকার দ্বিগুণ করতে চাই।’

"বাংলাদেশে একটি নতুন সরকার এসেছে এবং বাংলাদেশের একটি নতুন দিকনির্দেশনা রয়েছে। আমাদের লক্ষ্য, ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়া। এটি কোনো স্লোগান নয়, এটি একটি পরিকল্পনা।"

জ্বালানি উপদেষ্টা এম শামসুল আলম বলেন, জ্বালানি তেল বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার আলোচনা ছিল। কিন্তু বিদেশি অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ায় সরকারের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে। এটা ভোক্তাদের জন্য সুফলজনক হবে। প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করার নিশ্চয়তা দিতে হবে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রামের পতেঙ্গা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মুহাম্মদ আল জাসের, এম শামসুল আলম, সাইফুল আলম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ লাখ টন (শোধনাগার সক্ষমতা), ৪৫-৫০ শতাংশ (জ্বালানি চাহিদা), ১০০ কোটি ডলার (ঋণ), ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা (মোট অর্থায়ন), ১৫ লাখ টন (বর্তমান শোধনাগার সক্ষমতা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖