📌 অর্থনৈতিক চাপের কারণে সরকারের খরচ কমানোর প্রয়োজন। বেতন-ভাতা বাড়ানোর জন্য বাড়তি অর্থের জোগান দিতে হবে
অর্থনৈতিক চাপের কারণে সরকারের খরচ কমানোর প্রয়োজন। বেতন-ভাতা বাড়ানোর জন্য বাড়তি অর্থের জোগান দিতে হবে। কোভিড, ইউক্রেন যুদ্ধসহ বিভিন্ন কারণে অর্থনীতি চাপের মধ্যে ছিল। এছাড়া উত্তরাধিকারসূত্রেও প্রায় সব সূচক নিম্নগামী ছিল। সর্বশেষ মধ্যপ্রাচ্য সংকটে অর্থনীতি নতুন করে আরও চাপে পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অর্থনৈতিক চাপের কারণে সরকারের খরচ কমানোর প্রয়োজন।
- 📌 বেতন-ভাতা বাড়ানোর জন্য বাড়তি ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা লাগবে।
- 📌 ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের দাম ৯৭ ডলারে উঠেছে।
- 📌 সরকারি ব্যয় খাতগুলোর পর্যালোচনা করা দরকার।
📰 বিস্তারিত
কোভিড, ইউক্রেন যুদ্ধসহ বিভিন্ন কারণে অর্থনীতি চাপের মধ্যে ছিল। এছাড়া উত্তরাধিকারসূত্রেও প্রায় সব সূচক নিম্নগামী ছিল। সর্বশেষ মধ্যপ্রাচ্য সংকটে অর্থনীতি নতুন করে আরও চাপে পড়েছে। বেতন-ভাতা বৃদ্ধি, বাড়তি দামে জ্বালানি পণ্য আমদানির পাশাপাশি সরকারের নানা ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য অর্থের জোগান দিতে হবে। এছাড়া দেশি-বিদেশি ঋণ পরিশোধের খরচও বাড়ছে।
সরকারের ঘাড়ে আগে থেকেই ভারী বোঝা ছিল। এখন সেই বোঝা আরও বাড়ল। এমনিতেই ব্যবসা-বাণিজ্যে শ্লথগতি, তাই খরচের চাপ সামলাতে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর খুব বেশি সুযোগ নেই। রাজস্ব আদায় বাড়ানোর সুযোগ কম থাকায় খরচের অগ্রাধিকার ঠিক করাই ভালো বিকল্প। এ জন্য সরকারি ব্যয় খাত পর্যালোচনা করা দরকার।
সম্প্রতি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাড়ানো হলো। এখন পে কমিশনের আওতায় নন, এমন সরকারি চাকরিজীবীরাও বেতন বাড়ানোর দাবি তুলবেন। তাঁদের দাবি অন্যায্য নয়। বেতন-ভাতা বাড়ানোর ফলে বাড়তি ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা লাগবে। দুই বছরের মধ্যে এই অর্থের জোগান রাখতেই হবে।
"সরকার নিজেদের সক্ষমতার কথা বিবেচনা না করেই ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকার বাড়তি খরচের বেতন-ভাতা বাড়াল। যা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) গত অর্থবছরের আদায় করা শুল্ক-করের ২৫ শতাংশের মতো।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাহিদ হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!