📌 নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তিন কর্মী বকেয়া বিদ্যুৎ বিল আদায়ে হামলার শিকার হন। অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তিন কর্মী বকেয়া বিদ্যুৎ বিল আদায়ের সময় হামলার শিকার হন। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) চর ওয়াপদা ইউনিয়নের চর বৈশাখী থানার হাট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের লাইনম্যান ফয়সাল, নাদিম হোসেন ও সানোয়ার এই হামলায় আক্রান্ত হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তিন কর্মী বকেয়া বিদ্যুৎ বিল আদায়ে হামলায় আক্রান্ত হন
- 📌 অভিযুক্ত গ্রাহক আবদুর রহিম মিটার পরিবর্তনের পরও অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ তুলেছেন
- 📌 চরজব্বর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, তদন্ত চলছে
- 📌 পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপমহাব্যবস্থাপক পরিতোষ দাস বলেছেন, কর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে
- 📌 গ্রাহকের স্ত্রী ও কন্যাও হামলায় অংশগ্রহণের অভিযোগ রয়েছে
📰 বিস্তারিত
সুবর্ণচর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত গ্রাহক আবদুর রহিম গত বছরের নভেম্বর থেকে প্রায় এক বছরের বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের কারণে সমস্যায় পড়েন। মিটার পরিবর্তনের আবেদন করার পরও তিনি বিল পরিশোধ করেননি। বকেয়া বিল আদায়ের জন্য পল্লী বিদ্যুতের কর্মীরা তাঁর বাড়িতে গেলে কথা-কাটাকাটি হয় এবং অবশেষে তিনি ও তাঁর পরিবার কর্মীদের ওপর হামলা করেন।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) পরিতোষ দাস বলেন, “বকেয়া বিদ্যুৎ বিল আদায় করতে গিয়ে আমাদের তিন কর্মী হামলার শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নিতে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।”
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান জানান, “পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পক্ষ থেকে কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলছে এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। যদি সত্যি প্রমাণিত হয়, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
"মিটার পরিবর্তনের পরও অতিরিক্ত বিল আসছে বলে অভিযোগ করে আসছিলেন তিনি। এর জেরেই বকেয়া বিল আদায় করতে যাওয়ায় তিনি অসৌজন্যমূলক আচরণ ও হামলা করেছেন।"
— লাইনম্যান ফয়সাল
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নোয়াখালীর সুবর্ণচর, চর ওয়াপদা ইউনিয়ন, চর বৈশাখী থানা, হাট এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফয়সাল, নাদিম হোসেন, সানোয়ার, আবদুর রহিম, পরিতোষ দাস, রফিকুল হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন কর্মী, ১৪টি এসি মেরামতের জন্য খুলে নেওয়া (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!