📅 ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে এলএনজি সরবরাহ বাধাগ্রস্ত, সরকার খোলাবাজারে কিনছে বেশি দামে

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে এলএনজি সরবরাহ বাধাগ্রস্ত, সরকার খোলাবাজারে কিনছে বেশি দামে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশের এলএনজি আমদানিতে বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি হয়েছে। আটটি চুক্তির আওতায় ১০৩টি এলএনজি কার্গো আসার কথা ছিল, কিন্তু প্রথম নয় মাসে মাত্র ২১টি এসেছে। সরকার খোলাবাজারে বেশি দামে কিনছে এবং উৎস বহুমুখী করার চেষ্টা করছে

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানিতে বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি হয়েছে। সরকারের আটটি চুক্তির আওতায় এই বছরে মোট ১০৩টি এলএনজি কার্গো আসার কথা ছিল, কিন্তু প্রথম নয় মাসে মাত্র ২১টি কার্গো দেশে প্রবেশ করেছে। এই অবস্থায় সরকার খোলাবাজারে (স্পট মার্কেট) বেশি দামে এলএনজি কিনতে বাধ্য হয়েছে এবং সরবরাহের উৎস বহুমুখী করার উদ্যোগ নিচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১০৩টি কার্গোর মধ্যে মাত্র ২১টি এলএনজি আসে — মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে চুক্তির অধিকাংশ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
  • 📌 ৭০ শতাংশ এলএনজি আসত কাতার থেকে — গত বছর কাতার থেকে এলএনজির ৭০ শতাংশ আমদানি করা হত, কিন্তু হামলার কারণে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।
  • 📌 খোলাবাজারে কিনতে হয়েছে বেশি দামে — চুক্তি থেকে সরবরাহ কমায় সরকার ৩৬টি কার্গো খোলাবাজারে কিনেছে, আরো তিনটি আসার কথা রয়েছে।
  • 📌 বহুমুখী উৎস খোঁজার উদ্যোগ — মালয়েশিয়া ও মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা চলছে, কাতারের সঙ্গে জ্বালানিনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে আলোচনা হয়েছে।
  • 📌 গত বছর ১০৯টি কার্গো আসে, এবার ১১৫টি পরিকল্পনা — দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি থেকে ৮৬টি কার্গো আসার কথা ছিল, কিন্তু আগস্ট পর্যন্ত মাত্র ১৩টি এসেছে।

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশের এলএনজি আমদানির জন্য চারটি দেশের সঙ্গে আটটি চুক্তি রয়েছে। এসব চুক্তির আওতায় এই বছরে মোট ১০৩টি এলএনজি কার্গো আসার কথা ছিল। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে চুক্তির অধিকাংশ কার্গো আসেনি। প্রথম নয় মাসে মাত্র ২১টি কার্গো দেশে প্রবেশ করেছে। পেট্রোবাংলা ও রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল) সূত্রে জানা যায়, গত বছর এলএনজির ৭০ শতাংশ আমদানি হয়েছিল কাতার থেকে। কাতারের সবচেয়ে বড় এলএনজি ইউনিটে মার্চ মাসে হামলার পর উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে সরবরাহ কমতে থাকে।

এলএনজি খাতের ব্যক্তিবর্গ বলেছেন, দেশে সরবরাহ করা গ্যাসের ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ আসে আমদানি করা এলএনজি থেকে। এলএনজি আমদানি হয় দুটি প্রক্রিয়ায়: দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তির অধীনে এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানির মধ্যে দরপত্র আহ্বান করে। কাতার ও ওমানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি দুটি করে চারটি চুক্তি রয়েছে। ওমানের সঙ্গে একটি স্বল্পমেয়াদি চুক্তি আছে। মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে একটি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি রয়েছে, আর সৌদি আরামকোর সঙ্গে একটি স্বল্পমেয়াদি চুক্তি। বর্তমান সরকারের সময়ে আমেরিকার কোম্পানি গানভরের সঙ্গে একটি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করা হয়েছে, যার সরবরাহ চলতি সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে।

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা যায়, গত বছর মোট ১০৯টি এলএনজি কার্গো আনা হয়েছিল। এবার ১১৫টি কার্গো আনার পরিকল্পনা ছিল। এর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি থেকে আসার কথা ৮৬টি কার্গো। আগস্ট পর্যন্ত এসেছে মাত্র ১৩টি কার্গো, আর এ মাসে আরও দুটি আসার কথা রয়েছে। স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় ১৭টির মধ্যে এসেছে চারটি, আর এ মাসে আরও দুটি আসার কথা। চুক্তির বাইরে দরপত্র ডেকে এ বছর ১২টি কার্গো কেনার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু চুক্তি থেকে সরবরাহ কমায় সরকার ৩৬টি কার্গো খোলাবাজারে কিনেছে, আরো তিনটি আসার কথা রয়েছে।

"জ্বালানিনিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সরবরাহের উৎস বহুমুখী করা। তাই বিকল্প উৎস খোঁজা হচ্ছে। মালয়েশিয়া ও মিয়ানমারের সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।"

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন,

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (পেট্রোবাংলা, আরপিজিসিএল, কাতার, ওমান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০৩টি কার্গো (চুক্তির আওতা), ২১টি কার্গো (আসা), ৭০ শতাংশ (কাতার থেকে এলএনজি), ৩৫-৪০ শতাংশ (দেশে সরবরাহের এলএনজি অংশ), ১০৯টি কার্গো (গত বছর), ১১৫টি কার্গো (এবার পরিকল্পনা), ৮৬টি কার্গো (দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি), ১৩টি কার্গো (আগস্ট পর্যন্ত আসা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖