📌 ব্রিকস জোটের শেরপা আলোচনায় ভারতের নেতৃত্বে ইরান-সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতবিরোধ মিটিয়ে একমত হয়। সম্মেলনে শান্তি নিশ্চিতকরণে সংলাপ ও সার্বভৌমত্বের গুরুত্ব জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়। এতে অংশ নেন চীনের শি জিনপিং, রাশিয়ার পুতিনসহ ১১টি সদস্য দেশের নেতারা
ব্রিকস জোটের ‘শেরপা’দের ধারাবাহিক আলোচনায় শেষ পর্যন্ত একমত পৌঁছেছে। ভারতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংঘাতের বিষয়ে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতবিরোধ মিটিয়ে যৌথ ঘোষণার পথ খুলেছে। চার দিনের আলোচনার পর ঘোষণায় সংঘাত নিরসনে সংলাপ ও কূটনীতিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং নিরাপদ বাণিজ্যপথের ওপর জোর দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রিকস জোটের ১১টি সদস্য দেশের নেতারা একমত হয়েছেন সংঘাত নিরসনে কূটনীতির পথে এগোতে — ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতবিরোধ মিটিয়ে
- 📌 সম্মেলনে যোগ দেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার ভ্লাদিমির পুতিনসহ ব্রিকসের নেতৃবৃন্দ — সম্মিলিতভাবে তারা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করেন
- 📌 ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে আলোচনা করে পশ্চিম এশিয়ার শান্তি নিশ্চিতকরণে সংলাপের গুরুত্ব জোরালোভাবে তুলে ধরেন
- 📌 মোদি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার ও ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধির দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন
📰 বিস্তারিত
ব্রিকস জোটের এই সম্মেলনে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে মতবিরোধ ছিল সবচেয়ে বড় বাধা। মে মাসে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে এই মতবিরোধের কারণে যৌথ বিবৃতি দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে ভারতের কূটনৈতিক তৎপরতায় এবং শেরপা দলের ধারাবাহিক আলোচনার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত সমঝোতা হয়।
সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৈশ্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর ভূমিকা বাড়ানোর আহ্বান জানান। তিনি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার এবং উদীয়মান দেশগুলোর জন্য আরও প্রতিনিধিত্বের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। এছাড়াও তিনি নৌ চলাচল ও বাণিজ্যপথের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে জোর দেন।
সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ ব্রিকসের অন্যান্য সদস্য দেশের নেতারা। এবারের ব্রিকস জোটে ১১টি পূর্ণ সদস্য দেশ রয়েছে এবং তারা সম্মিলিতভাবে বিশ্বের প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করে।
"দীর্ঘস্থায়ী শান্তির জন্য সংলাপ ও কূটনীতির পথেই এগোতে হবে। নৌ চলাচল ও বাণিজ্যপথের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে গুরুত্ব দিতে হবে।"
— প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে আলোচনাকালে
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারত (নয়াদিল্লি), পশ্চিম এশিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১টি সদস্য দেশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!