📅 ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ক্লডের মাধ্যমে বাংলাদেশে রাজনৈতিক অপপ্রচারের স্বয়ংক্রিয় নেটওয়ার্ক স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ: অ্যানথ্রপিকের তদন্ত

ক্লডের মাধ্যমে বাংলাদেশে রাজনৈতিক অপপ্রচারের স্বয়ংক্রিয় নেটওয়ার্ক স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ: অ্যানথ্রপিকের তদন্ত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 অ্যানথ্রপিকের তদন্তে প্রকাশ পায় গাইবান্ধার এক ব্যক্তি পরিচালিত স্বয়ংক্রিয় ভুয়া সংবাদ নেটওয়ার্কের কথা। ক্লড প্ল্যাটফর্মের ২৯টি অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর বিরুদ্ধে ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সাজানো গুপ্তহত্যার ভুয়া তথ্য ছড়ানো হতো

অ্যানথ্রপিকের সর্বশেষ তদন্তে প্রকাশ পেয়েছে বাংলাদেশে একটি সুসংগঠিত স্বয়ংক্রিয় ভুয়া সংবাদ নেটওয়ার্কের অস্তিত্ব। এই নেটওয়ার্কটি ক্লড প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে গ্রামীণ এলাকার মানুষকে লক্ষ্য করে রাজনৈতিক অপপ্রচার চালাত। গাইবান্ধা জেলার এক ব্যক্তি এই কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন। অ্যানথ্রপিকের থ্রেট ইন্টেলিজেন্স টিমের তদন্তে জানা যায়, এই নেটওয়ার্কটি ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাবহিষ্কৃত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষে জনমত গঠনের চেষ্টা করত।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গাইবান্ধা জেলার এক ব্যক্তি ক্লডের মাধ্যমে ২৯টি অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয় ভুয়া সংবাদ তৈরি করতেন।
  • 📌 প্রতিবার ১৫টি ভুয়া শিরোনাম, ৩টি মিথ্যা সংবাদ ও ১৫টি ইংরেজি ছবি তৈরি হতো স্বয়ংক্রিয়ভাবে।
  • 📌 ফেসবুক লাইভ, ইউটিউব ও টিকটক লাইভ মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকার মানুষকে লক্ষ্য করে ভুয়া তথ্য ছড়ানো হতো।
  • 📌 রাজনৈতিক দলগুলোর বিরুদ্ধে ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সাজানো গুপ্তহত্যার ভুয়া তথ্য ছড়ানো হতো।
  • 📌 অ্যানথ্রপিক এই কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত সব অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করেছে।

📰 বিস্তারিত

অ্যানথ্রপিকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিকে প্রভাবিত করার জন্য একটি সুসংগঠিত ভুয়া সংবাদ নেটওয়ার্কের কথা উঠে এসেছে। এই নেটওয়ার্কটি ক্লড প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কাজ করত। গাইবান্ধা জেলার এক ব্যক্তি এই কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন এবং মোট ২৯টি ভিন্ন অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেন। তিনি একটি সফটওয়্যার প্রোগ্রাম তৈরি করে ক্লডের এপিআইয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই প্রোগ্রামটি নির্দিষ্ট ব্যাচে কাজ করত এবং প্রতিবার ১৫টি ভুয়া শিরোনাম, ৩টি বিস্তারিত মিথ্যা সংবাদ ও ১৫টি ইংরেজি ছবি তৈরির প্রম্পট তৈরি করত।

অ্যানথ্রপিকের তদন্তে জানা যায়, এই ভুয়া সংবাদগুলো গ্রামীণ এলাকার স্বল্পশিক্ষিত লোকজনকে লক্ষ্য করে তৈরি করা হতো। ফেসবুক লাইভ, ইউটিউব ও টিকটক লাইভ স্ট্রিমের মাধ্যমে এই ভুয়া তথ্যগুলো ছড়িয়ে দেওয়া হতো। অপপ্রচারের মূল লক্ষ্যবস্তু ছিল বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এ ছাড়া ধর্মীয় উগ্রবাদ ছড়ানোর মিথ্যা অভিযোগ, সাজানো গুপ্তহত্যা ও বিরোধীদের বিদেশি চর হিসেবে চিহ্নিত করে ভুয়া বিবরণী প্রচার করা হতো।

অ্যানথ্রপিকের প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ বা বিদেশ থেকে এককভাবে পরিচালিত হলেও এর বিষয়বস্তু ভূরাজনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে মিলে গেলেও কোনো রাষ্ট্রীয় মদদ ছিল না। ইউটিউবের এপিআই ব্যবহার করে একটি আলাদা স্ক্রিপ্টের মাধ্যমে ভিডিওগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপলোড করার শিডিউল করা থাকত।

"এই নেটওয়ার্কের পেছনে কোনো রাজনৈতিক দলের সরাসরি নির্দেশনা বা অর্থায়নের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়বস্তু ভূরাজনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে মিলে গেছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাইবান্ধা জেলা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গাইবান্ধার এক ব্যক্তি (অ্যাক্টর)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯টি অ্যাকাউন্ট, ১৫টি শিরোনাম, ৩টি সংবাদ, ১৫টি ছবি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖