📌 ফেসবুকে আকর্ষণীয় ঋণ বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে প্রতারণা করে জামানত চুরি করত একটি চক্র। ঢাকা মহানগর পুলিশের ডিবি-সাইবার বিভাগ ১৯ বছর বয়সী মেহেদী হাসান মাহিনকে গ্রেপ্তার করে। এছাড়াও অনলাইন জুয়া চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়, তাদের হাতে জব্দ হয় ৪৮৪টি এমএফএস হিসাবসহ বিভিন্ন ডিভাইস
ফেসবুকে আকর্ষণীয় ঋণ বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে প্রতারণা করে জামানত চুরি করত একটি অনলাইন চক্র। ঢাকা মহানগর পুলিশের ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগ এই চক্রের সদস্য মেহেদী হাসান মাহিন (১৯)কে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই চক্রটি ‘গ্রামীন লোন’ নামে একটি ভুয়া প্ল্যাটফর্ম চালিয়ে আসছিল। ভুক্তভোগীদেরকে ঋণ পাওয়ার জন্য জামানত হিসেবে ১০ শতাংশ টাকা দিতে বলা হতো, কিন্তু সেই টাকা ছিল শুধু প্রতারণার অংশ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফেসবুকে ‘গ্রামীন লোন’ বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে প্রতারণা করে আসছিল একটি চক্র।
- 📌 ঋণ পাওয়ার শর্ত হিসেবে জামানত হিসেবে ১০ শতাংশ টাকা চাওয়া হতো, কিন্তু সেই টাকা ছিল ভুয়া।
- 📌 ভুক্তভোগীদের সামনে হাজির করা হতো ভুয়া ড্যাশবোর্ডে ঋণ ও জামানতের হিসাব, কিন্তু বাস্তবে টাকা উত্তোলন করা সম্ভব ছিল না।
- 📌 চক্রের সদস্য মেহেদী হাসান মাহিন (১৯)কে গ্রেপ্তার করা হয়, তার হেফাজতে জব্দ হয় ৬১টি অবৈধ সিম কার্ড, একটি ল্যাপটপ ও চারটি মোবাইল ফোন।
- 📌 অনলাইন জুয়া চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়, তাদের হাতে জব্দ হয় ৪৮৪টি এমএফএস হিসাবসহ বিভিন্ন ডিভাইস।
📰 বিস্তারিত
ফেসবুকে আকর্ষণীয় ঋণ বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে প্রতারণা করে আসছিল একটি অনলাইন চক্র। এই চক্রের সদস্যরা ভুক্তভোগীদেরকে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলতে বলত। ঋণ অনুমোদনের শর্ত হিসেবে জামানত হিসেবে ১০ শতাংশ টাকা বিকাশ, নগদ বা রকেটের মাধ্যমে পাঠাতে বলা হতো। এরপর ভুক্তভোগীদের সামনে হাজির করা হতো একটি ভুয়া ড্যাশবোর্ডে ঋণ ও জামানতের হিসাব। কিন্তু বাস্তবে সেই টাকা উত্তোলন করা সম্ভব ছিল না। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই চক্রটি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত অবৈধ সিম ব্যবহার করত।
ঢাকা মহানগর পুলিশের ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এই চক্রের সদস্য মেহেদী হাসান মাহিন (১৯)কে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানকালে তার হেফাজতে একটি ল্যাপটপ, চারটি মোবাইল ফোন ও ৬১টি অবৈধ সিম কার্ড জব্দ করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তার ব্যবহৃত ডিভাইসে ‘গ্রামীন লোন’ নামের ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইটের ড্যাশবোর্ড সক্রিয় লগইন অবস্থায় পাওয়া যায়।
এছাড়াও, অনলাইন জুয়া চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই চক্রের সদস্যরা হলেন সাগর শিকদার (৩২), অমল কীর্তনিয়া (৩০), মিথুন সরকার (২৪), সুনীল মৃধা (২৫), কাজী উসরাত আঞ্জুমান (২০), মারুফা (২১) ও মো. রাকিবুল হাসান (৩২)। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই চক্রের সদস্যরা সাইবার মনিটরিংয়ের মাধ্যমে অনলাইন জুয়ার বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও অ্যাপ শনাক্ত করে তাদের লেনদেনের তথ্য বিশ্লেষণ করত।
"ভুক্তভোগীদেরকে ঋণ পাওয়ার শর্ত হিসেবে জামানত হিসেবে ১০ শতাংশ টাকা দিতে বলা হতো, কিন্তু সেই টাকা ছিল শুধু প্রতারণার অংশ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা মহানগর, জামালপুরের সরিষাবাড়ী, যশোরের কোতোয়ালি, মাদারীপুরের কালকিনি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেহেদী হাসান মাহিন (১৯), সাগর শিকদার (৩২), অমল কীর্তনিয়া (৩০), মিথুন সরকার (২৪), সুনীল মৃধা (২৫), কাজী উসরাত আঞ্জুমান (২০), মারুফা (২১), মো. রাকিবুল হাসান (৩২)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ শতাংশ জামানত, ৬১টি অবৈধ সিম, ৪৮৪টি এমএফএস হিসাব, ৪৬টি স্মার্টফোন, ৮টি ল্যাপটপ, ২৭টি ব্যাংক কার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!