📌 জাপানের সরকারি নেটওয়ার্কে সাইবার হামলায় ২ লাখ ৪৬ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীর তথ্য ঝুঁকিতে পড়েছে। ডিজিটাল এজেন্সি জানায়, ভিপিএন দুর্বলতার কারণে হামলা ঘটে। ফাঁস হওয়ার সম্ভাব্য তথ্যে ব্যক্তিগত ডেটা থাকলেও কোনো অপব্যবহার এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়নি
জাপানের সরকারি নেটওয়ার্কে সাইবার হামলায় প্রায় ২ লাখ ৪৬ হাজার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ব্যক্তিগত তথ্য ঝুঁকিতে পড়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির ডিজিটাল এজেন্সি। গত ১১ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গভর্নমেন্ট সল্যুশন সার্ভিস (জিএসএস) নেটওয়ার্কে ২৫ জুন অনুপ্রবেশ ঘটে। তদন্তে দেখা যায়, রক্ষণাবেক্ষণ অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে হামলাকারীরা সার্ভারের হাজারো ফাইল অ্যাক্সেস করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাপানের সরকারি নেটওয়ার্কে সাইবার হামলায় ২ লাখ ৪৬ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীর তথ্য ঝুঁকিতে পড়েছে
- 📌 হামলা ঘটে গত ২৫ জুন, তদন্তে জানা যায় ভিপিএন দুর্বলতার কারণে অনুপ্রবেশ
- 📌 ঝুঁকিতে পড়েছে জিএসএস ব্যবহারকারী ১ লাখ ৮৯ হাজার কর্মকর্তা ও ৫৭ হাজার ব্যক্তির তথ্য
- 📌 ফাঁস হওয়ার সম্ভাব্য তথ্যে 'মাই নম্বর' বা ব্যাংক হিসাব নম্বর নেই, কোনো অপব্যবহার এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়নি
- 📌 সরকারি প্রতিষ্ঠানের নামে সন্দেহজনক যোগাযোগে লিংক বা অ্যাটাচমেন্টে ক্লিক না করার সতর্কতা জারি
📰 বিস্তারিত
জাপানের ডিজিটাল এজেন্সি জানিয়েছে, গত ৯ জুলাই তদন্তে নিশ্চিত হয় যে, ভিপিএনের দুর্বলতার কারণে তৃতীয় পক্ষ অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছে। হামলার পরই রক্ষণাবেক্ষণ অ্যাকাউন্টটি নিষ্ক্রিয় করা হয় এবং নেটওয়ার্কের যন্ত্রগুলোর বাইরের সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। বাইরের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় আরও তদন্ত চালিয়ে দেখা যায়, নেটওয়ার্কে থাকা কিছু ফাইল চুরি হয়ে থাকতে পারে।
ঝুঁকিতে পড়া তথ্যের মধ্যে জিএসএস ব্যবহারকারী সরকারি মন্ত্রণালয় ও সংস্থার কর্মচারীদের তথ্য, এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে যুক্ত সরকারি কর্মকর্তাদের তথ্য এবং জিএসএস পরিচালনাসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের তথ্য রয়েছে। জিএসএসের সদস্য সংগঠনগুলোর কর্মীদের প্রায় ১ লাখ ৮৯ হাজার রেকর্ড এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের প্রায় ৫৭ হাজার রেকর্ড ঝুঁকিতে পড়েছে। তবে ডিজিটাল এজেন্সি জানিয়েছে, ফাঁস হওয়ার সম্ভাব্য তথ্যে 'মাই নম্বর' শনাক্তকারী, ব্যাংক হিসাব নম্বর বা পেনশন নম্বর ছিল না। কোনো সাধারণ নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হয়নি বলে আশ্বস্ত করেছে সংস্থাটি।
কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের চেষ্টা করছে। এজেন্সি সতর্ক করেছে, যোগাযোগের তথ্য ব্যবহার করে পরিচয় জালিয়াতি বা ফিশিং হামলা চালানো হতে পারে। সরকারি প্রতিষ্ঠানের নামে পাঠানো সন্দেহজনক ই-মেইল, ফোনকল বা বার্তায় থাকা লিংকে বা অ্যাটাচমেন্টে ক্লিক না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাসওয়ার্ড, অথেন্টিকেশন কোড বা ক্রেডিট কার্ডের তথ্য না দেওয়ারও সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
"যোগাযোগের তথ্য ব্যবহার করে পরিচয় জালিয়াতি বা ফিশিং হামলা চালানো হতে পারে। সরকারি প্রতিষ্ঠানের নামে পাঠানো সন্দেহজনক যোগাযোগে লিংক বা অ্যাটাচমেন্টে ক্লিক না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাপান (গভর্নমেন্ট সল্যুশন সার্ভিস নেটওয়ার্ক)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাপানের ডিজিটাল এজেন্সির কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ লাখ ৪৬ হাজার (কর্মকর্তা-কর্মচারীর তথ্য), ১ লাখ ৮৯ হাজার (জিএসএস কর্মী), ৫৭ হাজার (অন্যান্য ব্যক্তি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!