📅 ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জাতীয় সংসদ ভবনের প্লাজায় ছিনতাইতে মাথায় আঘাত পেয়ে মারা যান শিক্ষিকা রনজিলা পারভীন: দু’জন আসামি আদালতে দায় স্বীকার

জাতীয় সংসদ ভবনের প্লাজায় ছিনতাইতে মাথায় আঘাত পেয়ে মারা যান শিক্ষিকা রনজিলা পারভীন: দু’জন আসামি আদালতে দায় স্বীকার

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বগুড়ার গাবতলী উপজেলার শিক্ষিকা রনজিলা পারভীন ঢাকায় চিকিৎসার জন্য যাবতীয়া সময়ে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ছিনতাইয়ে মাথায় আঘাত পেয়ে মারা যান। দু’জন আসামি আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন এবং ঘটনার বিবরণ প্রদান করেন।

বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রনজিলা পারভীন ঢাকায় চিকিৎসার জন্য যাবতীয়া সময়ে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ছিনতাইয়ে মাথায় আঘাত পেয়ে মারা যান। এই ঘটনার দু’জন আসামি মো. খোকন ও রাজিব মাতবর আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার পৃথক পৃথক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মৃত্যু ঘটনার ৪৯ দিন পর — বগুড়ার শিক্ষিকা রনজিলা পারভীন ঢাকায় চিকিৎসার জন্য যাবতীয়া সময়ে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ছিনতাইয়ে মাথায় আঘাত পেয়ে মারা যান।
  • 📌 দু’জন আসামি আদালতে দায় স্বীকার — মো. খোকন ও রাজিব মাতবর পেশাদার ছিনতাইকারী হিসেবে পরিচিত এবং তারা ঘটনার বিবরণ প্রদান করে জবানবন্দি দেন।
  • 📌 রনজিলা পারভীনকে হত্যার কোনো ইচ্ছা ছিল না — আসামিরা জানান, তারা পেশাদার ছিনতাইকারী এবং নিহত শিক্ষিকাকে হত্যার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না।
  • 📌 ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত ব্যাগ ও মোটরসাইকেল উদ্ধার — পুলিশ মিরপুর ও দিয়াবাড়ী এলাকা থেকে নিহত শিক্ষিকার ব্যাগ ও নীল রঙের মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে।
  • 📌 ৩জন আসামি রিমান্ডে — মো. পনি, সেড্রিক জুলিয়ান ও রাকিব হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা চলছে এবং তারা রিমান্ডে রয়েছেন।

📰 বিস্তারিত

গত ২৯ আগস্ট রনজিলা পারভীন চোখের চিকিৎসার জন্য ঢাকায় এসেছিলেন। তিনি মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের জাতীয় সংসদ ভবনের ১২ নম্বর গেট সংলগ্ন পাকা রাস্তায় অটোরিকশা করে যাচ্ছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে আসা ছিনতাইকারীরা তাঁর হাতের ব্যাগ ধরে টান দেয়। ছিনতাইকারীর টানে রনজিলা চলন্ত রিকশা থেকে রাস্তায় ছিটকে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। পরে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলেও তিনি মারা যান।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার পৃথক পৃথক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসামি মো. খোকন ও রাজিব মাতবর জবানবন্দি দেন। পুলিশ প্রতিবেদনে দুজনকে পেশাদার ছিনতাইকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আসামি খোকন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালতে এবং আসামি রাজিব ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালতে জবানবন্দি দেন। জবানবন্দি শেষে আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আসামিরা জানান, ঘটনার সময় রাজীব মাতব্বর নীল রঙের মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলেন এবং খোকন পেছনে বসা ছিলেন। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার সামনে (খেজুরবাগানের মুখে) তারা রিকশায় থাকা শিক্ষিকা রনজিলা পারভিনের ব্যাগ লক্ষ্য করে হ্যাঁচকা টান দেন খোকন। টান সামলাতে না পেরে রনজিলা চলন্ত রিকশা থেকে পাকা রাস্তায় ছিটকে পড়েন এবং মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পান। এরপর তারা মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যান।

আসামিরা আরও জানান, তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ মিরপুরের বড়বাগ এলাকা থেকে নিহত শিক্ষিকার ছিনতাই হওয়া ব্যাগ উদ্ধার করেছে। ব্যাগের ভেতর থেকে শিক্ষিকার ব্যবহৃত পোশাক, চশমার খাপ, ওষুধ ও ট্রেনের টিকিটের অংশ বিশেষ পাওয়া যায়। এ ছাড়া মিরপুর-১ এলাকা থেকে নিহত রনজিলা পারভিনের মোবাইল ফোন এবং দিয়াবাড়ী এলাকা থেকে ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত নীল রঙের মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

"আমাদের আগে র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার তিনজনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। আমরা পেশাদার ছিনতাইকারী। নিহত শিক্ষিকাকে হত্যার কোনো ইচ্ছা ছিল না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা (খেজুরবাগানের মুখে)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রনজিলা পারভীন (শিক্ষিকা), মো. খোকন ও রাজিব মাতবর (আসামি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ আগস্ট (ঘটনার তারিখ), ১২ নম্বর গেট (জাতীয় সংসদ ভবন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖