📅 ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:৫৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হাতিয়া উপজেলায় জেলেদের জালে ধরা ২৮০ কেজি ওজনের নিষিদ্ধ শাপলাপাতা মাছ বিক্রি: আইনি লঙ্ঘনের ঘটনা

হাতিয়া উপজেলায় জেলেদের জালে ধরা ২৮০ কেজি ওজনের নিষিদ্ধ শাপলাপাতা মাছ বিক্রি: আইনি লঙ্ঘনের ঘটনা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় মেঘনা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ২৮০ কেজি ওজনের একটি বিশাল শাপলাপাতা মাছ। আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ এই মাছটি ৯০ হাজার টাকায় কেটে বিক্রি করা হয়। বাংলাদেশে শাপলাপাতা মাছের বেশ কয়েকটি প্রজাতি বিপন্ন ও সংকটাপন্ন হিসেবে ঘোষিত রয়েছে

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার মেঘনা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ৭ মণ (২৮০ কেজি) ওজনের একটি বিশাল শাপলাপাতা মাছ। এই নিষিদ্ধ মাছটি গত বুধবার বিকেলে হাতিয়ার ঐতিহ্যবাহী চেয়ারম্যানঘাটে আনা হয় এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের হাতে ৯০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। আইনত নিষিদ্ধ এই মাছের বিক্রি ঘটলেও জেলেদের কোনো আইনি প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৮০ কেজি ওজনের শাপলাপাতা মাছ মেঘনা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়ে
  • 📌 ৯০ হাজার টাকায় কেটে বিক্রি করা হয় মাছটি, যা আইনত নিষিদ্ধ
  • 📌 ৮ থেকে ১০ প্রজাতির শাপলাপাতা মাছের মধ্যে ২টি মহাসংকটাপন্ন ও ৩টি সংকটাপন্ন
  • 📌 বন্য প্রাণী আইন অনুযায়ী শাপলাপাতা মাছের বিক্রি নিষিদ্ধ, কিন্তু জেলেরা আইনি জবাবদিহি থেকে বেঁচে যায়
  • 📌 চেয়ারম্যানঘাটে মাছটি বিক্রির জন্য নিয়ে আসা হয়, পরে স্থানীয় ব্যবসায়ী কেটে বিক্রি করেন

📰 বিস্তারিত

গত মঙ্গলবার ভাসানচরের কাছে মেঘনা নদীতে ‘চরঘেরা’ জাল ফেলে একদল জেলে বিশালাকৃতির শাপলাপাতা মাছটি আটকে পড়তে দেখেন। গতকাল বিকেলে জেলেরা মাছটি হাতিয়ার চেয়ারম্যানঘাটে নিয়ে আসেন। ঘাটের জামাল মেম্বারের মৎস্য আড়ত থেকে স্থানীয় এক মৎস্য ব্যবসায়ী মাছটি কিনে নেন। পরে তিনি ঘাটে বসেই মাছটি কেটে টুকরা করে বিক্রি করেন।

চেয়ারম্যানঘাটে উপস্থিত সুবর্ণচর উপজেলার বাসিন্দা আবদুল বারী প্রথম আলোকে বলেন, “বুধবার বিকেলে আমি চেয়ারম্যান ঘাটে গিয়ে শাপলাপাতা মাছটি দেখতে পাই। আড়তে ডাকের মাধ্যমে ৯০ হাজার টাকায় মাছটি বিক্রি করা হয়। এরপর ক্রেতা কেটে টুকরা করে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে বিক্রি করেন।” তিনি উল্লেখ করেন, শাপলাপাতা মাছ ধরা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও জেলেরা বিষয়টি জানেন বলে মনে হয়নি।

বাংলাদেশ বন্য প্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন, ২০১২ অনুযায়ী, শাপলাপাতা মাছের ১৬টি প্রজাতি রয়েছে। বাংলাদেশে যে ৮ থেকে ১০ প্রজাতির শাপলাপাতা মাছ পাওয়া যায়, তার মধ্যে ২টি প্রজাতি মহাসংকটাপন্ন এবং ৩টি সংকটাপন্ন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। পিতাম্বরী বা নাঙলা ও ঘণ্টি শাপলাপাতা মাছকে মহাসংকটাপন্ন এবং পান্ন্যা, শিংচোয়াইন ও ঠোট্ট্যা ঘাপরি শাপলাপাতা মাছকে সংকটাপন্ন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

"আমাদের মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী শাপলাপাতা মাছ ধরা সরাসরি নিষিদ্ধ নয়; তবে বন্য প্রাণী ও বন আইন অনুযায়ী এটি একটি ‘‘বিপন্ন বা বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতি’’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত এবং ওই আইনে এটি ধরা বা বিক্রি করা নিষিদ্ধ।"

বিষয়টি নিয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা হারুন-অর-রশিদ প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি অবগত আছেন। তবে জেলা বন্য প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা ইব্রাহিম খলিল এবং উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোল্লা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ফোনে জবাব না দিলে তাদের সাথে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হাতিয়া উপজেলা, নোয়াখালী, মেঘনা নদী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল বারী, হারুন-অর-রশিদ, জেলেরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮০ কেজি (মাছের ওজন), ৯০ হাজার টাকা (বিক্রি মূল্য), ১৬টি (শাপলাপাতা মাছের প্রজাতি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖