📌 একটি স্বাধীন গবেষণায় গাজা উপত্যকায় ২০২৫ সালের শুরুর দিকে ৭৫,০০০‑এর বেশি সহিংস মৃত্যু রেকর্ড হয়েছে, যা সরকারি পরিসংখ্যানের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি
একটি স্বাধীন গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৫ সালের শুরুর দিকে গাজা উপত্যকায় "সহিংস মৃত্যু"র সংখ্যা ৭৫,০০০‑এর ঊর্ধ্বে পৌঁছেছে, যা গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের (এমওএইচ) রিপোর্টের চেয়ে প্রায় ৩৪.৭ শতাংশ বেশি। গবেষণাটি লন্ডনের রয়্যাল হলওয়ে ইউনিভার্সিটির অর্থনীতির অধ্যাপক মাইকেল স্পাগাটের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়েছে এবং ২,০০০টি পরিবার থেকে ৯,৭২৯ জন ব্যক্তির সাক্ষাৎকার অন্তর্ভুক্ত করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী ৪৯,০৯০ জন "সহিংস মৃত্যু" রেকর্ড করা হয়েছে, তবে গবেষণায় ৭৫,২০০ জনের অনুমান করা হয়েছে।
- 📌 মৃতদের মধ্যে নারী, শিশু ও বয়স্কের অংশ ৫৬.২ শতাংশ, যা সরকারি তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- 📌 ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানুয়ারিতে জানিয়েছেন, যুদ্ধের সময় গাজায় প্রায় ৭০,০০০ মানুষ নিহত হয়েছে।
- 📌 গবেষণায় ১৬,৩০০টি "অ-সহিংস অতিরিক্ত মৃত্যু"র অনুমান করা হয়েছে, যার মধ্যে ৮,৫৪০টি সরাসরি অবরোধের ফলে ঘটেছে।
📰 বিস্তারিত
গাজার "গাজা মর্টালিটি সার্ভে" (জিএমএস) ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়কালকে অন্তর্ভুক্ত করে, যেখানে মোট ৭৫,২০০ জনের "সহিংস মৃত্যু" রেকর্ড করা হয়েছে। এই সময়ে গাজার জনসংখ্যা প্রায় ২২ লাখ, যার ৩.৪ শতাংশ মৃত্যুর শিকার হয়েছে।
গবেষকরা পূর্বের "ক্যাপচার-রিক্যাপচার" মডেল ব্যবহার করে ৬৪,২৬০ জনের অনুমান করলেও, নতুন পদ্ধতি সরাসরি সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে ফলাফলকে দৃঢ় করেছে। গবেষণার লেখক ও সাংবাদিকদের মতে, "অ-সহিংস অতিরিক্ত মৃত্যু"র সংখ্যা ১৬,৩০০, যার মধ্যে ৮,৫৪০টি অবরোধের ফলে ঘটেছে, এবং অতিরিক্ত ৬৬২ জনের মৃত্যুও শনাক্ত করা হয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত রিপোর্টে ৭১,৬৬২ জনের মৃত্যু উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর ৪৮৮ জনের মৃত্যু ঘটেছে। তবে অবকাঠামো ধ্বংসের ফলে মৃত্যুর নথিপত্র সংগ্রহ কঠিন হয়ে পড়েছে, যা "অ-সহিংস অতিরিক্ত মৃত্যু"র অনুমানকে জটিল করে তুলেছে।
"সহিংস মৃত্যু"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজা উপত্যকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক মাইকেল স্পাগাট
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৫,০০০
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!