📌 কুষ্টিয়া সদর ও দৌলতপুর উপজেলায় বজ্রপাতে দু’জন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। আলামপুর ইউনিয়নের দহকুলা গ্রামে দু’জন মারা যান, অন্যদিকে দৌলতপুরের নারায়ণপুর গ্রামে এক যুবক নিহত হন। স্থানীয় কর্মকর্তারা দুর্ঘটনার ঘটনাবলী নিশ্চিত করেছেন
কুষ্টিয়া সদর ও দৌলতপুর উপজেলায় বজ্রপাতে দু’জন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দু’টি পৃথক গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলামপুর ইউনিয়নের দহকুলা গ্রামে চারজন আহত হন, যার মধ্যে দু’জন মারা যান। অন্যদিকে, দৌলতপুর উপজেলার রিফাইতপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামে এক যুবক বজ্রপাতে নিহত হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দহকুলা গ্রামে: বজ্রপাতে মারা যান মো. রওশন আলী ওরফে নুশু (মোসলেম উদ্দিনের ছেলে) ও সমেজ আলী (হারেজ আলীর ছেলে)। আহত হন রজব আলী ও আব্দুল জলিল (ছলিম উদ্দিনের ছেলে)।
- 📌 নারায়ণপুর গ্রামে: বজ্রপাতে নিহত হন আরজ আলী (২৮), আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। ঘটনাস্থলে মৃত ঘোষণা করা হয়।
- 📌 হাসপাতালে চিকিৎসাধীন: কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আহত তিনজন চিকিৎসাধীন। দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিহত আরজ আলীর শবদেহ নিয়ে যাওয়া হয়।
- 📌 কর্মকর্তাদের নিশ্চয়তা: কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের উপপরিচালক ডা. আকুল উদ্দিন ও দৌলতপুরের ডা. তৌহিদুল হাসান তুহিন দুর্ঘটনার ঘটনাবলী নিশ্চিত করেছেন।
- 📌 সরকারি কর্মকর্তার বিবৃতি: কুষ্টিয়া সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ বলেছেন, ‘দহকুলা গ্রামে বজ্রপাতে এক কৃষক মারা যান, তিনজন আহত হন’।
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে আলামপুর ইউনিয়নের দহকুলা গ্রামের কারিগরপাড়া ও জোতপাড়া এলাকায় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, চারজন মাঠে কাজ করছিলেন। বজ্রপাতের ফলে দু’জন মারা যান এবং দু’জন আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে মো. রওশন আলী ওরফে নুশু (মোসলেম উদ্দিনের ছেলে) ও সমেজ আলী (হারেজ আলীর ছেলে) মৃত ঘোষণা করা হয়। আহত রজব আলী ও আব্দুল জলিল (ছলিম উদ্দিনের ছেলে) এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অন্যদিকে, দৌলতপুর উপজেলার রিফাইতপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামে বাড়ির আঙিনায় কাজ করার সময় আরজ আলী (২৮) বজ্রপাতে নিহত হন। তিনি আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। বজ্রপাতের পর তিনি ঘটনাস্থলে মৃত ঘোষণা করা হয়। স্থানীয়রা তাকে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আকুল উদ্দিন জানান, বজ্রপাতে একজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। এ ঘটনায় আহত কয়েকজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. তৌহিদুল হাসান তুহিনও বজ্রপাতে একজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ বলেন, ‘আজ দুপুরে দহকুলা গ্রামে বজ্রপাতে এক কৃষক মারা যান। এই ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন।’ তিনি দুর্ঘটনার ঘটনাবলী নিশ্চিত করেছেন।
"আজ দুপুরে দহকুলা গ্রামে বজ্রপাতে এক কৃষক মারা যান। এই ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুষ্টিয়া সদর উপজেলা (দহকুলা গ্রাম), দৌলতপুর উপজেলা (নারায়ণপুর গ্রাম)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রওশন আলী ওরফে নুশু, আরজ আলী (২৮), ডা. আকুল উদ্দিন, ডা. তৌহিদুল হাসান তুহিন, মো. হারুন অর রশিদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ জন নিহত, ৩ জন আহত, ২৮ বছর বয়স
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!