📅 ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

র্যাবের গোয়েন্দা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান: জোয়ার-ভাটা হিসাব করে হত্যা করে লাশ গুম করতেন ‘গলফ’ অভিযানে

র্যাবের গোয়েন্দা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান: জোয়ার-ভাটা হিসাব করে হত্যা করে লাশ গুম করতেন ‘গলফ’ অভিযানে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাক্ষ্য দিতে গিয়ে সাবেক র‌্যাব কর্মকর্তা সাব্বির রহমান ওসমানী জানিয়েছেন, জিয়াউল আহসান ‘গলফ’ অভিযানে লাশ গুম করার জন্য পানির গভীরতা ও জোয়ার-ভাটার হিসাব করতেন। তিনি বলেছেন, হত্যাকান্ডের পর লাশকে সিমেন্টের বস্তায় বেঁধে পানিতে ফেলে দিতেন

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাক্ষ্য দিতে গিয়ে সাবেক র‌্যাব কর্মকর্তা মেজর (অব.) মো. সাব্বির রহমান ওসমানী বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন জিয়াউল আহসানের ‘গলফ’ অভিযানের পদ্ধতি সম্পর্কে। তিনি জানিয়েছেন, জিয়াউল আহসান পানির গভীরতা ও জোয়ার-ভাটার হিসাব করে হত্যা করা লাশকে সিমেন্টের বস্তায় বেঁধে পানিতে ফেলে দিতেন। সাব্বির রহমান ওসমানী বলেছেন, সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান ২০১০ সালের জানুয়ারি মাসে র্যাবের গোয়েন্দা শাখার সদস্যদের নিয়ে একটি ‘গলফ’ অভিযানে অংশ নেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সাবেক র‌্যাব কর্মকর্তা সাব্বির রহমান ওসমানী জানিয়েছেন, জিয়াউল আহসান ‘গলফ’ অভিযানে হত্যা করা লাশকে সিমেন্টের বস্তায় বেঁধে পানিতে ফেলে দিতেন।
  • 📌 ২০১০ সালের জানুয়ারি মাসে পাথরঘাটা চরদুয়ানী ঘাটে জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে র্যাবের সদস্যরা একটি ব্যক্তিকে হত্যা করে তার লাশকে পানিতে ফেলে দিয়েছিলেন।
  • 📌 সাক্ষী সাব্বির রহমান ওসমানী বলেছেন, জিয়াউল আহসান পানির গভীরতা ও জোয়ার-ভাটার হিসাব করে লাশকে নৌকার বাইরে আনা হতো এবং তারপর সিমেন্টের বস্তায় বেঁধে পানিতে ফেলে দিতো।
  • 📌 সাব্বির রহমান ওসমানী জানিয়েছেন, জিয়াউল আহসান বলেছিলেন, ‘এত মন খারাপ কিংবা দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় এই বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত আছেন’।
  • 📌 সাব্বির রহমান ওসমানী বর্তমানে বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, খুলনায় ডেপুটি এক্সাম কন্ট্রোলার হিসেবে কর্মরত আছেন।

📰 বিস্তারিত

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ আজ বৃহস্পতিবার সাক্ষ্য দিতে গিয়ে সাবেক র‌্যাব কর্মকর্তা মেজর (অব.) মো. সাব্বির রহমান ওসমানী জানিয়েছেন, জিয়াউল আহসান ‘গলফ’ অভিযানে লাশ গুম করার জন্য পানির গভীরতা ও জোয়ার-ভাটার হিসাব করতেন। তিনি বলেছেন, ২০১০ সালের জানুয়ারি মাসে র্যাবের গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা পাথরঘাটা চরদুয়ানী ঘাটে একটি ট্রলার প্রস্তুত করে রেখেছিলেন। সেখানে একজন ব্যক্তিকে হাত বাঁধা অবস্থায় ট্রলারের মাছ সংরক্ষণের খোলের মধ্যে ঢুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

জিয়াউল আহসানের নির্দেশে র্যাবের সদস্যরা সেই ব্যক্তিকে হত্যা করে তার পেট কেটে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে পানিতে ফেলে দিয়েছিলেন। সাব্বির রহমান ওসমানী বলেছেন, জিয়াউল আহসান পানির গভীরতা ও জোয়ার-ভাটার হিসাব করে লাশকে নৌকার বাইরে আনা হতো এবং তারপর সিমেন্টের বস্তায় বেঁধে পানিতে ফেলে দিতেন। তিনি বলেন, ‘এই পুরো ঘটনাটি ট্রলারের ডান পাশে সংঘটিত হচ্ছিল এবং আমি ট্রলারের বাঁ পাশে অবস্থান করে জিয়াউলের নির্দেশে পানি মাপছিলাম’।

সাক্ষী সাব্বির রহমান ওসমানী জানিয়েছেন, জিয়াউল আহসান বলেছিলেন, ‘এত মন খারাপ কিংবা দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় এই বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত আছেন’। তিনি বলেন, বরিশালে পৌঁছানোর পর পরিবেশের অস্বাভাবিক নীরবতা দেখে জিয়াউল আহসান বলেছিলেন, ‘এদের না থাকাই ভালো। এভাবেই এদের গলফ করতে হবে’।

"এত মন খারাপ কিংবা দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় এই বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত আছেন"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পাথরঘাটা চরদুয়ানী ঘাট, ঢাকা, বরিশাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেজর (অব.) মো. সাব্বির রহমান ওসমানী, জিয়াউল আহসান, হাসান মাহমুদ খন্দকার, কর্নেল মতিউর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩তম সাক্ষী, ২৮তম বিএমএ লংকোর্স, ১৮ জুন ১৯৯৩, ২০১০ সালের জানুয়ারি মাস

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖