📌 বাংলাদেশ ব্যাংক অবৈধ ঋণ অ্যাপগুলোর সঙ্গে লেনদেন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। ৩১টি অ্যাপের নাম প্রকাশ করে সতর্ক করা হয়েছে যে, এগুলো গ্রাহকদের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি ও প্রতারণায় জড়িত। পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেমস আইন, ২০২৪-এর ১৫(২) ও ৩৭(১) ধারা লঙ্ঘনের জন্য এসব অ্যাপের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে
বাংলাদেশ ব্যাংক অবৈধ ঋণ অ্যাপগুলোর সঙ্গে লেনদেন বন্ধের কঠোর নির্দেশ জারি করেছে। এতে ৩১টি অ্যাপের নাম প্রকাশ করে সতর্ক করা হয়েছে যে, এগুলো গ্রাহকদের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি ও প্রতারণায় জড়িত। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, অনুমোদিত ব্যাংক বা এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোর যদি এসব অ্যাপকে লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে, তাহলে সেগুলোকে অপরাধের সহায়ক হিসেবে গণ্য করা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশ ব্যাংক অবৈধ ঋণ অ্যাপগুলোর সঙ্গে লেনদেন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে।
- 📌 ৩১টি অ্যাপের নাম প্রকাশ করে সতর্ক করা হয়েছে, এগুলো গ্রাহকদের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি ও প্রতারণায় জড়িত।
- 📌 পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেমস আইন, ২০২৪-এর ১৫(২) ধারা অনুযায়ী, অননুমোদিত অ্যাপের মাধ্যমে ঋণ দেওয়া বেআইনি।
- 📌 ৩৭(১) ধারা লঙ্ঘনের জন্য এসব অ্যাপের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
- 📌 ব্যাংকগুলোকে অবিলম্বে এসব অ্যাপের বিরুদ্ধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- 📌 ৩১টি অ্যাপের মধ্যে রয়েছে: সাথী লোন, পপক্যাশ, ফিনক্যাশ, কুইক লোন, ঢাকা ফিন, লোনভাইব, দোস্ত লোন, টাকা ক্যাশ লোন, কেওয়নজা লোন, এসএসএইচ মানি, লোনবাডি, ক্যাশহোরা, আলো ক্যাশ, ফাস্ট লোন, ইজি টাকা, ধৈর্য লোন, ফিন ডট ডু, বঙ্গক্যাশ, আশা লোন, সুবিধা লোন, স্মার্ট লোন বিডি, অনলাইন লোন বিডি, সিটি অনলাইন লোন, বিডি সহজ লোন, ক্যাশ লোন, সোনালী, লোনহাট ও টাকানাও।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, অননুমোদিত অনলাইন অ্যাপের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে লেনদেন বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে দেশের সব তফসিলি ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডারদের (পিএসপি) এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ব্যাংক জানায়, অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় কিছু অননুমোদিত অ্যাপ চড়া সুদে ক্ষুদ্রঋণ দেওয়ার নামে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত প্রতারণা করছে। এসব অ্যাপ সাধারণ গ্রাহকদের অজান্তেই মোবাইলের কনট্যাক্ট লিস্ট, খুদে বার্তা, ছবি, ভিডিওসহ নানা সংবেদনশীল তথ্যে প্রবেশাধিকার নিচ্ছে। নির্ধারিত সময়ে ঋণ পরিশোধ করতে না পারলে গ্রাহকদের ব্ল্যাকমেল, হুমকি ও ব্যক্তিগত ছবি বা তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল ও হয়রানি করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেমস আইন, ২০২৪-এর ১৫(২) ধারা অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া কোনো প্ল্যাটফর্মে তহবিল সংগ্রহ, ঋণ দেওয়া, কিংবা অর্থ লেনদেন সম্পূর্ণ বেআইনি। এই নিয়ম লঙ্ঘন করে পরিচালিত ঋণ প্রদান কার্যক্রম ৩৭(১) ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) চিঠি পাঠিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, গুগল প্লে স্টোরসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে এসব অনুমোদনহীন ঋণদাতা অ্যাপস অপসারণ ও সেবা বন্ধের ব্যবস্থা নিতে হবে।
"অনুমোদিত ব্যাংক বা এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলো যদি এ ধরনের অ্যাপকে লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে সেবা দেয়, তবে সেগুলোকে অপরাধের সহায়ক চ্যানেল বা সহযোগী হিসেবে গণ্য করা হতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), জনগণ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১টি অ্যাপ, আইন ১৫(২) ও ৩৭(১) ধারা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!