📅 ৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ময়মনসিংহের প্রতিবন্ধী বাবলু মিয়া: কাজের সুযোগ চাই, শুধু একটাই দরকার

ময়মনসিংহের প্রতিবন্ধী বাবলু মিয়া: কাজের সুযোগ চাই, শুধু একটাই দরকার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ময়মনসিংহের প্রতিবন্ধী বাবলু মিয়া ১৫ বছর ধরে ভিক্ষা করছেন। তিনি কাজ করতে চান, কিন্তু শারীরিক সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো সুযোগ পাননি। বাবলু মিয়া বলেন, ‘আমাকে কাজের একটা সুযোগ দিলে আমি নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারতাম’

ময়মনসিংহের প্রতিবন্ধী বাবলু মিয়া ১৫ বছর ধরে ভিক্ষা করে জীবন যাপন করছেন। তিনি কাজ করতে চান, কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার কারণে কোনো স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ পাননি। ৪১ বছর বয়সী বাবলু মিয়া দিনে তিন দিন শহরে বের হয়ে ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তার বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার দেওখোলা ইউনিয়নের কুকরাইল গ্রামে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বাবলু মিয়া (৪১) ১৫ বছর ধরে ভিক্ষা করছেন, কারণ শারীরিক অসুস্থতার কারণে কাজ করতে পারছেন না
  • 📌 দিনে তিন দিন শহরে বের হয়ে ভিক্ষা করে তিনি সাত থেকে দেড় হাজার টাকা সংগ্রহ করেন
  • 📌 ২০০৫ সাল থেকে প্রতিবন্ধী ভাতা পান, কিন্তু তা যথেষ্ট নয় জীবিকা নির্বাহের জন্য
  • 📌 বাবলু মিয়া স্বপ্ন দেখেন দোকান খোলার, কিন্তু শারীরিক সীমাবদ্ধতা তাকে বাধা দেয়
  • 📌 তার পরিবারে স্ত্রী বেদেনা আক্তার, দুই ছেলে ও দুই মেয়ে — সবার খরচ চালাতে পেরে না

📰 বিস্তারিত

ময়মনসিংহ শহরের ছোট বাজারে দোকান থেকে দোকানে ঘুরে ভিক্ষা করছেন বাবলু মিয়া। তার বাঁ হাত অচল এবং ডান হাতেও জোর নেই। দিনের শুরুতে তিনি ১০ থেকে ৫০ টাকা ভিক্ষা পান। ১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার তার পরিচয় জানালে তিনি বলেন, ‘আমাকে দেখলে যার যেমন সামর্থ্য, তেমনই দেয়। এভাবেই দিন চলে।’

বাবলু মিয়া ১৯৯৮ সালে ১৩ বছর বয়সে বাড়ির সামনে মুদিদোকান খোলেন। প্রায় ৯ বছর দোকান চালিয়ে তিনি বিয়ে করেন। কিন্তু পরিবারের খরচ বাড়ার সাথে সাথে দোকান চালানো সম্ভব হয়নি। ২০০৬ সালে দোকান ছেড়ে দিতে হয়। বর্তমানে তার পরিবারে স্ত্রী বেদেনা আক্তার, দুই ছেলে (বড় ছেলে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন) এবং দুই মেয়ে (মাদ্রাসায় প্রথম শ্রেণিতে পড়ছে ছোট মেয়ে)। বড় মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে, কিন্তু পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থা তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে বাধা দেয়।

বাবলু মিয়া সপ্তাহে তিন দিন (রোববার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার) শহরে বের হন। সকালে অটোরিকশায় চড়ে ফুলবাড়িয়া পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে আসেন। সেখান থেকে হেঁটে সানকিপাড়া, পুলিশ লাইনস, কাচিঝুলি ও গাঙ্গিনার পাড়ের দোকানে দোকানে ঘুরেন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘুরলে কখনো দেড় হাজার টাকা পান, অন্য দিনগুলোয় সাত-আটশ টাকা। এই টাকায় পরিবারের খরচ চালানোর পাশাপাশি ছেলেমেয়েদের পড়ার খরচও পূরণ করেন।

২০০৫ সাল থেকে প্রতিবন্ধী ভাতা পান বাবলু মিয়া। শুরুতে মাসে ২০০ টাকা পেতেন, পরে ভাতা বাড়ে। তিন মাস অন্তর এই ভাতা পান। সেপ্টেম্বরে তিনি ৩ হাজার টাকা পেয়েছেন। ভাতার টাকা হাতে এলে তিনি ছেলেমেয়েদের প্রিয় পাঙাশ মাছ কেনেন, সঙ্গে ডিম, দুধ ও গরুর মাংসও। তিনি বলেন, ‘ছেলেমেয়েদের মুখে ভালো খাবার তুলে দিতে পারলে মনে হয়, অনেক দিন পর যেন একটু স্বস্তি পেলাম।’

"আমি কাজ করতে চাই। শুধু এমন একটা সুযোগ দরকার, যেখানে আমার শারীরিক সীমাবদ্ধতা বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ময়মনসিংহ শহর, ফুলবাড়িয়া পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, সানকিপাড়া, পুলিশ লাইনস, কাচিঝুলি, গাঙ্গিনার পাড়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাবলু মিয়া (৪১), বেদেনা আক্তার (স্ত্রী), দুই ছেলে ও দুই মেয়ে
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ বছর (ভিক্ষা), ৪১ বছর (বয়স), ৯ বছর (দোকান চালানো), ৩ হাজার টাকা (প্রতিবন্ধী ভাতা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖