📅 ৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সাতক্ষীরার এক মা-ছেলে-মেয়ের সংসার: সেলাইয়ের সুতা দিয়ে কাটিয়ে উঠছেন দৈনন্দিন জীবনের কষ্ট

সাতক্ষীরার এক মা-ছেলে-মেয়ের সংসার: সেলাইয়ের সুতা দিয়ে কাটিয়ে উঠছেন দৈনন্দিন জীবনের কষ্ট

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সাতক্ষীরার শ্রীউলা ইউনিয়নের কলিমাখালী গ্রামের ফারজানা আক্তার নিজের সেলাইয়ের কাজে আয় করেন এক থেকে দেড় হাজার টাকা। স্বামীর সহায়তায় সংসার চালানোর চেষ্টা করছেন তিনি, যেখানে ছেলে নবম শ্রেণিতে পড়েন এবং মেয়ে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি পাস করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। অভাবের মধ্যে সন্তানদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন নিয়ে তিনি দিন কাটাচ্ছেন

সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের কলিমাখালী গ্রামে বসবাসকারী ফারজানা আক্তার নিজের সেলাইয়ের কাজের মাধ্যমে মাসে এক থেকে দেড় হাজার টাকা উপার্জন করেন। স্বামীর পাঁচ হাজার টাকার আয়ের সাথে মিলিয়ে ছয় থেকে সাড়ে ছয় হাজার টাকা সংসারের জন্য সংগ্রহ করে তিনি। তবে এই সামান্য আয়েই চালাতে হয় সংসারের দৈনন্দিন খরচ, যেখানে খাবারের জন্য প্রায় পাঁচ হাজার টাকা খরচ হয়। ফারজানার সংসারে চারজন সদস্য রয়েছে — স্বামী, ছেলে তামিম হোসেন (নবম শ্রেণি), মেয়ে আয়েশা (এসএসসি পাস, জিপিএ-৫) এবং নিজে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **সাতক্ষীরার শ্রীউলা ইউনিয়নের কলিমাখালী গ্রামের** ফারজানা আক্তার মাসে **১-১.৫ হাজার টাকা** সেলাইয়ের কাজে উপার্জন করেন, স্বামী **৫ হাজার টাকা** আয় করেন — মিলিয়ে **৬-৬.৫ হাজার টাকা** সংসারের জন্য আসে।
  • 📌 **ছেলে তামিম হোসেন নবম শ্রেণিতে পড়েন**, মেয়ে আয়েশা **বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি পাস করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন** এবং সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে ভর্তি হয়েছে।
  • 📌 **ফারজানার বাড়ির অবস্থা খারাপ** — মাটির দেয়াল ভেঙে গেছে, সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র অল্প জায়গায় রাখা। স্থানীয় বাসিন্দা লুৎফর মাস্টারের নতুন ঘরে সেলাই মেশিন রাখা।
  • 📌 **ফারজানা নিজের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায় তৃতীয় শ্রেণি থেকে** — বিয়ে করার পর আর পড়াশোনা চালাতে পারেননি। ছোটবেলায় মাকে হারান এবং **১৯৮৮ সালের দুর্যোগে** মায়ের মরদেহের পাশে জীবিত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিলেন।
  • 📌 **স্বামী মাছ ব্যবসায়ীর প্রতিষ্ঠানে সহায়তা করেন** — সংসারের হিসাব মেলাতে সেলাইয়ের কাজের পাশাপাশি ধার ও বিক্রি করে খরচ মেটান।
  • 📌 **ফারজানা বলেন**, ‘মেয়ের এই সাফল্য আমার নিজের অপূর্ণতা মনে করিয়ে দেয়। ছোটবেলায় পড়াশোনা না করার জন্য আফসোস হয়। কিন্তু সন্তানদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চাই।’

📰 বিস্তারিত

ফারজানা আক্তারের সংসার চালানোর জন্য সেলাইয়ের কাজই প্রধান উপায়। তিনি বলেন, ‘সুইয়ে সুতা পরাতে চোখের সমস্যা আছে, তাই কাজটিও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। কিন্তু সন্তানদের পড়াশোনা যেন থেমে না যায়, সেটাই আমার বড় স্বপ্ন।’ ফারজানার বাড়ির অবস্থা খুবই দুর্বল — মাটির দেয়াল ভেঙে গেছে, ঘরের ভেতরে বিছানা, হাঁড়ি-পাতিল এবং কাপড়চোপড় অল্প জায়গায় রাখা। স্থানীয় বাসিন্দা লুৎফর মাস্টারের নতুন ঘরে ফারজানার সেলাই মেশিন রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি সেখানে বসেই কাজ করি। সংসারের কাজের ফাঁকে ফাঁকে এই কাজটি করে আয় করি।’

ফারজানার ছেলে তামিম হোসেন নবম শ্রেণিতে পড়েন এবং মেয়ে আয়েশা এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। তিনি সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে ভর্তি হয়েছে। ফারজানা আনন্দে বলেন, ‘মেয়ের রেজাল্টের দিন আমার কণ্ঠে আনন্দ ফুটে ওঠে। আশপাশের মানুষও আমার বাড়িতে আসে এবং মেয়েকে আদর করে। যত কষ্টই হোক, মেয়ের লেখাপড়া শিখাতে চাই।’

ফারজানার নিজের জীবনের অপূর্ণতা তাকে আঘাত করে। তিনি বলেন, ‘ছোটবেলায় অভাবের কারণে তৃতীয় শ্রেণি থেকে পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। বিয়ে করার পর আর পড়াশোনা চালাতে পারিনি। মেয়ের বই পড়লে অনেক কিছু বুঝতে পারতাম, কিন্তু স্কুলের পড়াশোনা আমার কপালে ছিল না।’ ফারজানা ১৯৮৮ সালের দুর্যোগে মায়ের মরদেহের পাশে জীবিত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিলেন। শৈশবের সেই অনিশ্চয়তা পেরিয়ে এখন তাঁর সবচেয়ে বড় চাওয়া, নিজের সন্তানদের পড়াশোনা করানো।

"জীবনের সবচেয়ে আনন্দ হইছে মেয়েডার রেজাল্ট যখন জানতি পারিছি সেদিন। এ প্লাস পাইছে শুনে আশপাশের মানুষও আমার বাড়িতে আইসে মেয়েডারে আদর করিছে। যত কষ্টই হোক, মেয়েডারে লেখাপড়া শিখাতি চাই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সাতক্ষীরা জেলা, আশাশুনি উপজেলা, শ্রীউলা ইউনিয়ন, কলিমাখালী গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফারজানা আক্তার, তামিম হোসেন (ছেলে), আয়েশা (মেয়ে), লুৎফর মাস্টার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১-১.৫ হাজার টাকা (ফারজানার মাসিক আয়), ৫ হাজার টাকা (স্বামীর মাসিক আয়), ৬-৬.৫ হাজার টাকা (মাসিক সংসার আয়), জিপিএ-৫ (মেয়ের এসএসসি ফলাফল)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖