📌 খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলায় প্রান্তিক কৃষক আবুল হাসেমের ৬০ শতক জমির কাঁকরোল ক্ষেতে দুর্বৃত্তদের হামলায় প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। রোববার সকালে ক্ষেত থেকে তোলা কাঁকরোল বিক্রি করে সাড়ে ১৮ হাজার টাকা আয় করলেও পরদিন সকালে গাছগুলো কেটে দেওয়া হয়
পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার বাটনাতলী ইউনিয়নের সেমপ্রুপাড়া এলাকার আমতলী পাড়ায় অবস্থিত প্রান্তিক কৃষক আবুল হাসেমের ৬০ শতক জমির ফলন্ত কাঁকরোল ক্ষেতে দুর্বৃত্তদের হামলায় প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার সকালে ক্ষেত থেকে প্রায় ৩০০ কেজি কাঁকরোল তুলে সাড়ে ১৮ হাজার টাকায় বিক্রি করেন তিনি। পরদিন সকালে ক্ষেতে ফুলে পরাগায়নের কাজ করতে গিয়ে দেখেন, ফলন্ত কাঁকরোল গাছগুলো গোড়া থেকে কেটে দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলায় প্রান্তিক কৃষক আবুল হাসেমের ৬০ শতক জমির কাঁকরোল ক্ষেতে দুর্বৃত্তদের হামলা
- 📌 গত রোববার সকালে ক্ষেত থেকে প্রায় ৩০০ কেজি কাঁকরোল তুলে সাড়ে ১৮ হাজার টাকায় বিক্রি
- 📌 পরদিন সকালে ক্ষেতে গিয়ে দেখেন ফলন্ত কাঁকরোল গাছগুলো গোড়া থেকে কেটে দেওয়া হয়েছে
- 📌 ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৮ লাখ টাকা বলে দাবি আবুল হাসেমের
- 📌 ক্ষেতের গাছগুলো কেটে দেওয়ার কারণে প্রায় ৩০০ কেজির বেশি অপরিপক্ব কাঁকরোল নষ্ট হয়ে যায়
📰 বিস্তারিত
মানিকছড়ি উপজেলার বাটনাতলী ইউনিয়নের সেমপ্রুপাড়া এলাকার আমতলী পাড়ায় অবস্থিত আবুল হাসেমের প্রায় ৬০ শতক জমির ফলন্ত কাঁকরোল ক্ষেতে দুর্বৃত্তদের হামলায় প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। আবুল হাসেম জানান, তিনি প্রান্তিক কৃষক ও বর্গাচাষি। এবার প্রায় ৬০ শতক জমিতে কাঁকরোল চাষে আড়াই লাখ টাকা খরচ করেছেন। জুলাইয়ের প্রথম দুই সপ্তাহের টানা ভারী বৃষ্টিতে ক্ষেত ও ফলনের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এরপরও গাছ ও ফল টিকিয়ে রাখতে দিন-রাত পরিশ্রম করেছেন তিনি।
গত দুই সপ্তাহে প্রায় এক লাখ টাকার কাঁকরোল বিক্রিও করেছেন আবুল হাসেম। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার বিকালে ক্ষেত থেকে প্রায় ৩০০ কেজি কাঁকরোল তোলেন। রোববার সকালে সেগুলো বিক্রি করে সাড়ে ১৮ হাজার টাকা পান। এরপর ক্ষেতে ফুলে পরাগায়নের কাজে গিয়ে দেখেন, কে বা কারা ফলন্ত কাঁকরোল গাছগুলো গোড়া থেকে কেটে দিয়েছে।
আবুল হাসেম জানান, সকালে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির পর বিকালে রোদ ওঠায় কেটে দেওয়া গাছগুলো শুকিয়ে মরতে শুরু করে। ক্ষেতের অবস্থা দেখে তিনি অপরিপক্ব কাঁকরোলও তুলে নিতে বাধ্য হন। এতে আরও ৩০০ কেজির বেশি কাঁকরোল নষ্ট হওয়ার হাত থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন তিনি।
‘আমি প্রান্তিক একজন কৃষক, বর্গাচাষি। কঠোর পরিশ্রম করে ক্ষেতটি দাঁড় করিয়েছিলাম। মনে হয়েছিল এবার কিছু টাকা আয় করে ঘুরে দাঁড়াতে পারব। কিন্তু প্রতিবেশী কেউ প্রতিহিংসা থেকে এমন কাজ করে থাকলে আমার আর্থিক ও মানসিক—দুভাবেই বড় ক্ষতি হলো। আল্লাহ এর বিচার করবেন।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মানিকছড়ি উপজেলা, খাগড়াছড়ি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবুল হাসেম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ লাখ টাকা, ৬০ শতক, ৩০০ কেজি, সাড়ে ১৮ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!