📌 মাদারীপুরের কালকিনি ও বরিশালের গৌরনদী উপজেলার সীমান্তে লোকাল বাসের টিকিট বিক্রির বিতর্কে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ১০ জন আহত হয় এবং মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে যান চলাচল এক ঘণ্টা বন্ধ থাকে
মাদারীপুর-বরিশাল সীমান্তের ভুরঘাটা এলাকায় লোকাল বাসের টিকিট বিক্রির বিতর্কে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। গত শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা এই সংঘর্ষে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ভুরঘাটা সেতু এলাকায় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১০ জন আহত হয়েছেন সংঘর্ষে, যার মধ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে
- 📌 মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে দেওয়া হয়, যান চলাচল এক ঘণ্টা বন্ধ থাকে
- 📌 দুই এলাকার লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে, প্রায় ১০টি দোকান ভাঙচুর হয়
- 📌 এমারত ঘরামী ও সবুজ ফকিরের মধ্যে বিতর্কের জেরে সংঘর্ষ শুরু হয়
- 📌 পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
গত সোমবার সকালে ডাসার উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বনগ্রাম এলাকার এমারত ঘরামী বরিশাল যাওয়ার জন্য ভুরঘাটা এলাকার একটি বাস কাউন্টারে টিকিট কাটতে যান। অসুস্থ থাকায় তিনি সামনের আসনে বসতে চান। তবে কাউন্টারের সুপারভাইজার ওই আসন দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এরপর এমারত ও কাউন্টারের কর্মচারী সবুজ ফকিরের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে সবুজের চাচাতো ভাই আকাশ ফকির পাশের মুদিদোকান থেকে এসে এমারতকে মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
পরবর্তী ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার এমারত ও তার সঙ্গীরা আবারও ওই কাউন্টারে গেলে সবুজ ও আকাশের সঙ্গে বিতর্কে হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এরপর গতকাল সন্ধ্যায় ভুরঘাটা সেতু এলাকায় দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষে গৌরনদীর খানজাপুর এলাকার ফিরোজ কাজী, এনামুল তালুকদার, কামাল ফকির ও বাবলু মুন্সিকে সঙ্গে নিয়ে বাঁশ ব্যবসায়ী হাবুল ঘরামীকে তুলে আনতে গেলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। এরপর দুই উপজেলার লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় ভুরঘাটা এলাকার প্রায় ১০টি দোকান ভাঙচুর হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষের সময় মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে দেওয়া হয় এবং প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। রাত ৯টার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায়। কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও, দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে।
"সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও, দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে"
জহিরুল আলম, কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভুরঘাটা সেতু, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক, মাদারীপুর-বরিশাল সীমান্ত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এমারত ঘরামী, সবুজ ফকির, আকাশ ফকির, ফিরোজ কাজী, এনামুল তালুকদার, কামাল ফকির, বাবলু মুন্সি, হাবুল ঘরামী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জন আহত, ১০টি দোকান ভাঙচুর, ২ ঘণ্টা সংঘর্ষ, ১ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!