📅 ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফার্স্টলিড সিকিউরিটিজের শীর্ষ ১০ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদক আত্মসাত মামলা দায়ের: গ্রাহকের ১৯ কোটি টাকা চুরির অভিযোগ

ফার্স্টলিড সিকিউরিটিজের শীর্ষ ১০ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদক আত্মসাত মামলা দায়ের: গ্রাহকের ১৯ কোটি টাকা চুরির অভিযোগ

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দুদক ফার্স্টলিড সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যানসহ ১০ শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। গ্রাহকের ১৯ কোটি ৫৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের তদন্তেও এই অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে

দুদক ফার্স্টলিড সিকিউরিটিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যানসহ ১০ জন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রাহকের ১৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে। ঢাকার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় আসামিরা হলেন ফার্স্টলিড সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নূর চৌধুরী, নির্বাহী পরিচালক মুহিবুল বারী রহমান, পরিচালক মোহাম্মদ আমান উল্লাহ, উপমহাব্যবস্থাপক এহতেশামুল হক, পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ মনসুরুজ্জামান, রুমেল মোহাম্মদ সাইফুল রহমান পীর, আবু মুহাম্মদ আনোয়ারুল আম্বিয়ক চৌধুরী, আব্দুর রাকিব শিকদার এবং পরিচালক মুহাম্মদ মিজানুর রহমান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দুদকের উপপরিচালক মো. মুস্তাফিজুর রহমান ফার্স্টলিড সিকিউরিটিজের ১০ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন
  • 📌 গ্রাহকের ১৯ কোটি ৫৫ লাখ ৬০ হাজার ৪৮০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা
  • 📌 মতিঝিল শাখাসহ বিভিন্ন শাখায় গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাত করা হয়
  • 📌 জাল স্বাক্ষর ও ভুয়া দলিল ব্যবহার করে অর্থ স্থানান্তর করা হয়
  • 📌 বিএসইসির নির্দেশনা উপেক্ষা করে অবৈধভাবে গ্রাহকদের অর্থ সরানো হয়

📰 বিস্তারিত

দুদকের মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ফার্স্টলিড সিকিউরিটিজের মতিঝিল শাখাসহ বিভিন্ন শাখায় গ্রাহকদের শেয়ার কেনার জন্য জমা করা অর্থ আত্মসাত করা হয়েছে। এই অর্থের পরিমাণ ১৯ কোটি ৫৫ লাখ ৬০ হাজার ৪৮০ টাকা। গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে তা শেয়ার কেনায় ব্যবহার না করে এবং কোনো অনুমোদন ছাড়াই পোর্টফোলিও থেকে স্থানান্তর করে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, অর্থ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে জাল স্বাক্ষর ও ভুয়া দলিল ব্যবহার এবং হিসাবের নথিপত্রে মিথ্যা তথ্য প্রদানের অভিযোগও করা হয়েছে।

গত ৩০ জুন শেয়ারমূল্য বিবেচনা করে এই অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। বিএসইসির নির্দেশনা উপেক্ষা করে অবৈধভাবে গ্রাহকদের অর্থ সরানোর বিষয়টি গত ১৭ জুলাই চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের তদন্তেও প্রমাণিত হয়েছে।

"গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদক মামলা দায়ের করেছে। আসামিরা গ্রাহকদের অর্থ যথাযথভাবে শেয়ার কেনায় ব্যবহার না করে এবং অবৈধভাবে অর্থ সরানোর অভিযোগে দায়িত্বশীল"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (সমন্বিত জেলা কার্যালয়), মতিঝিল শাখা, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, উপপরিচালক মো. মুস্তাফিজুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নূর চৌধুরী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জন আসামি, ১৯ কোটি ৫৫ লাখ টাকা আত্মসাত, ৩০ জুন ও ১৭ জুলাই তারিখে তদন্ত

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖