📅 ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:০১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১০৫ বছর বয়সী নাৎসি যুদ্ধবন্দি শিবিরের প্রহরীর বিরুদ্ধে হত্যা অভিযোগে জার্মানির তদন্ত শুরু

১০৫ বছর বয়সী নাৎসি যুদ্ধবন্দি শিবিরের প্রহরীর বিরুদ্ধে হত্যা অভিযোগে জার্মানির তদন্ত শুরু

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জার্মানির ডর্টমুন্ড প্রসিকিউটররা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নাৎসি শিবির 'স্টালাগ ৩২৬'-এ সহযোগিতার অভিযোগে ১০৫ বছর বয়সী এক প্রহরীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছেন। সোভিয়েত বন্দীদের ভয়াবহ অবস্থা ও মৃত্যুর ঘটনাগুলোকে কেন্দ্র করে এই তদন্ত চলছে

জার্মানির ডর্টমুন্ড প্রসিকিউটররা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নাৎসি শিবিরে সহযোগিতার অভিযোগে ১০৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছেন। এই ব্যক্তি উত্তর-পশ্চিম জার্মানির সেন্নে এলাকায় অবস্থিত ‘স্টালাগ ৩২৬’ শিবিরের প্রহরী ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রসিকিউটর সোনজা ফ্রোডারমানের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, একই ধরনের তদন্ত চলছে আরেক সাবেক প্রহরীর বিরুদ্ধেও। তবে সেই ব্যক্তি ৯৯ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জার্মানির ডর্টমুন্ড প্রসিকিউটররা ১০৫ বছর বয়সী নাৎসি শিবির প্রহরীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছেন
  • 📌 ‘স্টালাগ ৩২৬’ শিবিরে সোভিয়েত বন্দীদের হত্যা ও সহযোগিতার অভিযোগে তদন্ত চলছে
  • 📌 ১৯৪১-৪৫ সালের মধ্যে শিবিরে ১ লাখ ৮০ হাজার থেকে ২ লাখ সোভিয়েত বন্দী আটক ছিলেন, তাদের মধ্যে অনেকের মৃত্যু
  • 📌 জার্মানিতে নাৎসি আমলের হত্যা অপরাধের মেয়াদোত্তীর্ণ নেই, তাই দশক পরও বিচার চলতে পারে
  • 📌 ২০২১ সালে ১০১ বছর বয়সী ইয়োসেফ শ্যুৎসকে হত্যায় সহযোগিতার দায়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল

📰 বিস্তারিত

জার্মানির ডর্টমুন্ডের পাবলিক প্রসিকিউটর সোনজা ফ্রোডারমানের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ‘স্টালাগ ৩২৬’ শিবিরে সোভিয়েত বন্দীদের হত্যা ও সহযোগিতার অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে। এই শিবিরটি জার্মানির অন্যতম বৃহৎ যুদ্ধবন্দি শিবির ছিল। স্মৃতিসৌধের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৪১ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে এই শিবিরের মধ্য দিয়ে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সোভিয়েত যুদ্ধবন্দি গিয়েছিলেন। পরে তাদেরকে আশপাশের এলাকায় জোরপূর্বক শ্রমে নিয়োজিত করা হত। শিবিরে বন্দীদের জীবন ছিল অমানবিক। অপুষ্টি, কঠোর পরিবেশ ও নির্যাতনের কারণে বিপুলসংখ্যক বন্দী মারা যান।

জার্মানির আইনে নাৎসি আমলের হত্যা বা হত্যায় সহযোগিতার অপরাধের মেয়াদোত্তীর্ণ নেই। ফলে বহু দশক পরও এই ধরনের অপরাধের বিচার করা সম্ভব। এর আগে ২০২১ সালে ১০১ বছর বয়সী সাবেক শিবির প্রহরী ইয়োসেফ শ্যুৎসকে ‘স্যাক্সেনহাউজেন’ বন্দিশিবিরে হত্যায় সহযোগিতার দায়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি কারাগারে যাননি এবং ২০২৩ সালে আপিল চলাকালেই মৃত্যুবরণ করেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সোভিয়েত রেড আর্মির ৫৩ লাখের বেশি সেনা জার্মানির হাতে যুদ্ধবন্দি হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক বন্দিদশায় মারা যান। ফ্রান্স, পোল্যান্ড, সার্বিয়া ও বেলজিয়ামের যুদ্ধবন্দিরাও এই শিবিরে আটক ছিলেন।

"জার্মানির আইনে নাৎসি আমলের অপরাধের মেয়াদোত্তীর্ণ নেই, তাই বর্তমান সময়েও এই ধরনের বিচার চলতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: উত্তর-পশ্চিম জার্মানির সেন্নে এলাকা, ‘স্টালাগ ৩২৬’ শিবির
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ১০৫ বছর বয়সী সাবেক নাৎসি শিবির প্রহরী, ইয়োসেফ শ্যুৎস, প্রসিকিউটর সোনজা ফ্রোডারমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০৫ বছর, ৯৯ বছর, ১০১ বছর, ৫৩ লাখ, ১ লাখ ৮০ হাজার থেকে ২ লাখ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖