📌 নাটোরে পুলিশ সদস্য সাকিল আহমেদের পাঁচ বছরের মেয়ের সাথে প্রতিবেশী শিশু বাইজিদের (৭) তুচ্ছ বিরোধে সকালে তার আঙুল কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। আহত শিশুকে রাজশাহী মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযোগে পুলিশের নীরবতা লক্ষ্য করা গেছে
নাটোরে পুলিশ সদস্য সাকিল আহমেদের পাঁচ বছরের মেয়ের সাথে প্রতিবেশী শিশু বাইজিদ বিন মাহমুদের (৭) তুচ্ছ বিরোধে সকালে তার ডান হাতের একটি আঙুল কেটে ফেলার নৃশংস ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থল চেয়ারম্যান রোড, বড়হরিশপুর ইউনিয়ন, নাটোর সদর। আহত শিশুকে প্রথমে নাটোর সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, পরে অবস্থার অবনতি হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭ বছর বয়সী বাইজিদ বিন মাহমুদ (নাটোর পুলিশ লাইনস স্কুলের শিক্ষার্থী) তার প্রতিবেশী পুলিশ সদস্য সাকিল আহমেদের পাঁচ বছরের মেয়ের সাথে তুচ্ছ বিরোধে আজ সকালে তার আঙুল কেটে ফেলা হয়েছে।
- 📌 ঘটনাস্থল: নাটোর সদর উপজেলার চেয়ারম্যান রোড, বড়হরিশপুর ইউনিয়ন।
- 📌 আহত শিশুকে প্রথমে নাটোর সদর হাসপাতালের ২৫০ শয্যা জেনারেল বিভাগে এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
- 📌 শিশুর বাবা মাহমুদুল হাসান (ঢাকায় বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত) অভিযোগ করেছেন, শিশুকে চরম নৃশংসতা করা হয়েছে।
- 📌 অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য সাকিল আহমেদের মোবাইল নম্বর বন্ধ এবং বাসায় তাকে পাওয়া যায়নি।
- 📌 নাটোর সদর থানার ওসি মনছুর রহমান জানান, লিখিত অভিযোগ না পাওয়ায় তদন্ত শুরু হয়নি।
- 📌 নাটোর পুলিশ সুপার শরিফুল হক বলেছেন, অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
📰 বিস্তারিত
গত বুধবার ভাড়া বাড়ির সবার উদ্যোগে একটি পিকনিকের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে সাকিল আহমেদের পাঁচ বছরের মেয়ের সাথে বাইজিদের কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর আজ সকালে সাকিল ও তার স্ত্রী বাইজিদকে জোর করে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর বাইজিদের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে। তার ডান হাতের একটি আঙুল কাটা অবস্থায় দেখা যায়।
শিশুর বাবা মাহমুদুল হাসান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, “আমার সন্তানের সঙ্গে এমন নৃশংসতা করা হয়েছে। আমি সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।” অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য সাকিল আহমেদের মৌখিক অভিযোগে তাঁর স্ত্রী শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
নাটোর সদর থানার ওসি মনছুর রহমান জানান, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” পুলিশ সুপার শরিফুল হকও বলেছেন, “অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
"আমার শিশু সন্তানের সঙ্গে চরম নৃশংসতা করা হয়েছে। আমি সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চেয়ারম্যান রোড, বড়হরিশপুর ইউনিয়ন, নাটোর সদর উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাইজিদ বিন মাহমুদ (৭), সাকিল আহমেদ (পুলিশ সদস্য), মাহমুদুল হাসান (বাবা), মনছুর রহমান (ওসি), শরিফুল হক (পুলিশ সুপার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ বছর বয়সী শিশু, ২৫০ শয্যা হাসপাতাল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!