📌 মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর অগ্রণী ব্যাংক শাখার জ্যেষ্ঠ সহকারী ব্যবস্থাপক শরিফুজ্জামান সোহাগ তিন দিন ধরে অনুপস্থিত থাকায় গ্রাহকদের ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা জমা না হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ায় স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ব্যাংক পরিদর্শন করেছে
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর অগ্রণী ব্যাংক শাখায় জ্যেষ্ঠ সহকারী ব্যবস্থাপক শরিফুজ্জামান সোহাগের অদৃশ্য হওয়ার পর গ্রাহকদের ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা জমা না হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রসিদ থাকা সত্ত্বেও ব্যাংক হিসাবে টাকার অস্তিত্ব না থাকায় গ্রাহকরা ব্যাংকে জড়ো হয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা জমা না হওয়ার অভিযোগ করেছেন শ্রীনগর শাখার গ্রাহকরা
- 📌 শরিফুজ্জামান সোহাগ তিন দিন ধরে ব্যাংকে অনুপস্থিত, মোবাইলও বন্ধ
- 📌 ১১ শতাংশ মুনাফার প্রতিশ্রুতি দিয়ে গ্রাহকদের টাকা জমা নেওয়ার অভিযোগ
- 📌 ১৫ লাখ, ২৭ লাখ ও ৮১ লাখ টাকা জমা দেওয়া গ্রাহকদের মধ্যে অন্যতম
- 📌 শ্রীনগর উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ ব্যাংক পরিদর্শন করেছে উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে
📰 বিস্তারিত
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর অগ্রণী ব্যাংক শাখায় জ্যেষ্ঠ সহকারী ব্যবস্থাপক শরিফুজ্জামান সোহাগের অদৃশ্য হওয়ার পর গ্রাহকদের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। গ্রাহকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শাখার অন্তত ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা জমা না হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের মতে, শরিফুজ্জামান গ্রাহকদের সাথে পরিচিতি তৈরি করে ১১ শতাংশ মুনাফার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা জমা নেওয়ার পর রসিদ দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে ব্যাংকে এসে দেখা গেছে, তাদের হিসাবে টাকা জমা হয়নি।
গ্রাহকদের মধ্যে অন্যতম ভুক্তভোগী বেজগাঁও এলাকার জুথি আক্তার বলেছেন, তিনি প্রায় এক সপ্তাহ আগে সাত লাখ টাকা জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার ব্যাংকে এসে জানতে পারেন, তাঁর হিসাবে ওই টাকা নেই। শ্রীনগর উপজেলার আড়িয়লপাড়ার নাছির হাওলাদার বলেছেন, তিনি ১৫ লাখ টাকা জমা দিয়েছিলেন, কিন্তু হিসাব যাচাই করে দেখতে পান, টাকার কোনো অস্তিত্ব নেই। আরেক ভুক্তভোগী নুরুল ইসলামের পরিবারের সদস্যরা বলেছেন, তাঁদের মধ্যে একজন ২৭ লাখ টাকা এবং আরেকজন ৮১ লাখ টাকা জমা দিয়েছিলেন, কিন্তু ব্যাংকে এসে দেখতে পান, টাকার কোনো অস্তিত্ব নেই।
শরিফুজ্জামানের অদৃশ্য হওয়ার পর গ্রাহকদের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে শ্রীনগর উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ ব্যাংক পরিদর্শন করেছে। শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুয়েল মিয়া বলেছেন, গ্রাহকদের অবস্থান নেওয়ার কারণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাছিবুর রহমান জানান, অভিযোগের বিষয়টি যাচাই করা হচ্ছে এবং গ্রাহকদের রসিদ ও ব্যাংকের হিসাব যাচাই করা হচ্ছে।
"আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব। কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে অডিট টিম এসে বিষয়টি তদন্ত করবে।"
অগ্রণী ব্যাংক মুন্সিগঞ্জ শাখার জোনাল হেড মিজানুর রহমানের উক্তি থেকে জানা যায়, শরিফুজ্জামানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে অডিট টিম তদন্ত করবে। তবে শরিফুজ্জামানের মোবাইল এবং ব্যাংক ব্যবস্থাপকের মোবাইল বন্ধ রয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শ্রীনগর, মুন্সিগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শরিফুজ্জামান সোহাগ, মো. জুয়েল মিয়া, হাছিবুর রহমান, মিজানুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা, ১১ শতাংশ, ১৫ লাখ টাকা, ২৭ লাখ টাকা, ৮১ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!