📅 ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:১০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মুন্সিগঞ্জের অগ্রণী ব্যাংক শাখায় ২ কোটি টাকার আত্মসাত: পলাতক ক্যাশ অফিসার ও গ্রাহকদের হট্টগোল

মুন্সিগঞ্জের অগ্রণী ব্যাংক শাখায় ২ কোটি টাকার আত্মসাত: পলাতক ক্যাশ অফিসার ও গ্রাহকদের হট্টগোল

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর অগ্রণী ব্যাংক শাখার ক্যাশ অফিসার শরিফুজ্জামান সোহাগ ১৪টি হিসাব থেকে ২ কোটি ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত করে পলাতক হয়ে গেছেন। ঘটনার পর শত শত গ্রাহক ব্যাংকে ভিড় করে আমানত হারানোর আশঙ্কায় হট্টগোল করে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তদন্তের ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং গ্রাহকদের আমানত ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর অগ্রণী ব্যাংক শাখায় ক্যাশ অফিসার শরিফুজ্জামান সোহাগের জালিয়াতির ঘটনা ব্যাংক ও গ্রাহকদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। ১৪টি হিসাব থেকে মোট ২ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠে এসেছে। ঘটনার পর শত শত গ্রাহক ব্যাংকের মূল ফটকে ভিড় করে আমানত হারানোর আশঙ্কায় হট্টগোল করে। পুলিশ ও র‌্যাব মোতায়েনের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২ কোটি ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত: শ্রীনগর অগ্রণী ব্যাংক শাখার ক্যাশ অফিসার শরিফুজ্জামান সোহাগ ১৪টি হিসাব থেকে মোট ২ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাত করে পলাতক হয়ে গেছেন।
  • 📌 পলাতক কর্মকর্তা: শরিফুজ্জামান সোহাগ কর্মস্থলে অনুপস্থিত এবং পলাতক অবস্থায় রয়েছে।
  • 📌 গ্রাহকদের হট্টগোল: আমানত হারানোর আশঙ্কায় শত শত গ্রাহক ব্যাংকের মূল ফটকে ভিড় করে।
  • 📌 ব্যাংকের সিস্টেমে জাল চেক: ভুক্তভোগী শিক্ষক নুরুল ইসলামের অভিযোগ, ৩০ লাখ টাকার চেক ক্যাশ অফিসার নিজের নামেই ইস্যু করে আত্মসাত করেছেন।
  • 📌 তদন্তের ব্যবস্থা: অগ্রণী ব্যাংক মুন্সিগঞ্জ অঞ্চলের উপমহাব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান জানান, প্রধান কার্যালয় থেকে উচ্চপর্যায়ের দল আসছে এবং তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।

📰 বিস্তারিত

শ্রীনগর অগ্রণী ব্যাংক শাখায় আজ দুপুরে একটি নারী গ্রাহক ডিপিএস ও এফডিআরের টাকার খোঁজ নিতে ব্যাংকে এলে জালিয়াতির ঘটনা প্রকাশ পায়। অনুসন্ধানে জানা যায়, অন্তত ১৪টি হিসাব থেকে মোট ২ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাত হয়েছে। ভুক্তভোগী আমানতকারীদের অভিযোগ, ক্যাশ অফিসার শরিফুজ্জামান রশিদে স্বাক্ষর ও ব্যাংকের সিল দিয়ে ক্যাশ মেমো দিতেন, কিন্তু সেই টাকা ব্যাংকের মূল ডিজিটাল ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত না করে আত্মসাত করতেন।

আইভরি কোস্টপ্রবাসী মো. বাহাদুরের ভগ্নিপতি শিক্ষক নুরুল ইসলাম বলেন, ‘আমার শ্যালক বাহাদুরের হিসাবে ৮৫ লাখ টাকা জমা ছিল। হিসাব খোলার পর তিনি কোনো চেকবইও তোলেননি। আজ ব্যাংকে এসে দেখি, হিসাবে কোনো টাকাই নেই। প্রতারক কর্মকর্তা ব্যাংকের সিস্টেম থেকে ফোন নম্বর পরিবর্তন করে পুরো টাকা তুলে নেয়। এর মধ্যে ৩০ লাখ টাকার চেক ক্যাশ অফিসার নিজের নামেই ইস্যু করে তুলে নিয়েছে।’

অপর ভুক্তভোগী মনিকা বেগম বলেন, ‘আমার জীবনের সমস্ত সঞ্চয় এফডিআর হিসেবে এই ব্যাংকে জমা রেখেছিলাম। এখন এসে শুনছি, ব্যাংকের সিস্টেমে কোনো টাকাই জমা হয়নি। আমানতের টাকা এভাবে হাওয়া হয়ে গেলে আমরা কোথায় যাব?’

অগ্রণী ব্যাংক মুন্সিগঞ্জ অঞ্চলের উপমহাব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান জানান, ‘আমরা বিষয়টি প্রধান কার্যালয়কে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছি। প্রধান কার্যালয় থেকে উচ্চপর্যায়ের দল আসছে এবং একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্তের পরেই জালিয়াতির সুনির্দিষ্ট পরিমাণ ও জড়িতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব হবে। তবে আমরা গ্রাহকদের আশ্বস্ত করছি, নিয়ম মেনে যাচাই-বাছাই শেষে প্রত্যেক গ্রাহকের বৈধ আমানত ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।’

শ্রীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান বলেন, ‘ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছি আমরা। অগ্রণী ব্যাংক কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক লিখিত অভিযোগ বা ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্তের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’

"আমার শ্যালক বাহাদুরের হিসাবে ৮৫ লাখ টাকা জমা ছিল। হিসাব খোলার পর তিনি কোনো চেকবইও তোলেননি। আজ ব্যাংকে এসে দেখি, হিসাবে কোনো টাকাই নেই। প্রতারক কর্মকর্তা ব্যাংকের সিস্টেম থেকে ফোন নম্বর পরিবর্তন করে পুরো টাকা তুলে নেয়। এর মধ্যে ৩০ লাখ টাকার চেক ক্যাশ অফিসার নিজের নামেই ইস্যু করে তুলে নিয়েছে।"
"আমার জীবনের সমস্ত সঞ্চয় এফডিআর হিসেবে এই ব্যাংকে জমা রেখেছিলাম। এখন এসে শুনছি, ব্যাংকের সিস্টেমে কোনো টাকাই জমা হয়নি। আমানতের টাকা এভাবে হাওয়া হয়ে গেলে আমরা কোথায় যাব?"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শ্রীনগর, মুন্সিগঞ্জ, ঢাকা বিভাগ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শরিফুজ্জামান সোহাগ (ক্যাশ অফিসার), মিজানুর রহমান (উপমহাব্যবস্থাপক), আনিসুর রহমান (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার), নুরুল ইসলাম (শিক্ষক), মনিকা বেগম (ভুক্তভোগী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪টি হিসাব, ২ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ৮৫ লাখ টাকা, ৩০ লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖