📌 বাংলাদেশ ব্যাংক চারটি বন্ধ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তি আমানতকারীদের সর্বোচ্চ ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ফেরত দেওয়ার স্কিম অনুমোদন করেছে। আমানতের পরিমাণ অনুযায়ী নির্ধারিত হারে অর্থ কেটে অবশিষ্ট টাকা ফেরত দেওয়া হবে। বন্ধ প্রতিষ্ঠানগুলো হলো আভিভা ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, এফএএস ফাইন্যান্স ও ইন্টারন্যাশনাল লিজিং
বাংলাদেশ ব্যাংক চারটি বন্ধ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তি আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য একটি বিশেষ স্কিম অনুমোদন করেছে। এই স্কিম অনুযায়ী আমানতকারীরা সর্বোচ্চ ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ফেরত পাবেন। তবে আমানতের পরিমাণের উপর নির্ভর করে নির্ধারিত হারে অর্থ কেটে অবশিষ্ট টাকা ফেরত দেওয়া হবে। এই সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশ ব্যাংক চারটি বন্ধ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তি আমানতকারীদের সর্বোচ্চ ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ফেরত দেওয়ার স্কিম অনুমোদন করেছে
- 📌 প্রথমে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত মূল আমানত ফেরত দেওয়া হবে; ১ কোটি টাকা পর্যন্ত আমানতকারীরা সর্বোচ্চ ৬০ লাখ টাকা পাবেন
- 📌 চারটি বন্ধ প্রতিষ্ঠান হলো আভিভা ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, এফএএস ফাইন্যান্স ও ইন্টারন্যাশনাল লিজিং
- 📌 চার প্রতিষ্ঠানের মোট আমানত ১২ হাজার ৪৮৩ কোটি টাকা, খেলাপি ঋণের হার ৯৩ থেকে ১০০ শতাংশ
- 📌 প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা তাদের সহায়তা করছেন
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আমানতের পরিমাণের উপর নির্ভর করে ফেরত দেওয়া হবে নির্দিষ্ট পরিমাণ। ১ কোটি টাকা পর্যন্ত আমানত থাকা ব্যক্তি গ্রাহক সর্বোচ্চ ৬০ লাখ টাকা ফেরত পাবেন। ১ কোটি থেকে দেড় কোটি টাকা পর্যন্ত আমানতকারীরা পাবেন ৮০ লাখ টাকা, দেড় কোটি থেকে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত আমানত থাকলে ফেরত দেওয়া হবে ১ কোটি ৫ লাখ টাকা। আর ২ কোটির বেশি আমানতকারীরা সর্বোচ্চ ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা ফেরত পাবেন।
বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আভিভা ফাইন্যান্সে মোট আমানত ৫ হাজার ৩৬৮ কোটি টাকা, ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ে ৩ হাজার ১২ কোটি টাকা, এফএএস ফাইন্যান্সে ১ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা এবং ফারইস্ট ফাইন্যান্সে ৪৪৯ কোটি টাকা রয়েছে। গত ৯ আগস্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদ বিলুপ্ত করে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং তাদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়। পরে প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয় এবং প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের আরও দু’জন করে কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, চার প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের হার ৯৩ শতাংশ থেকে প্রায় ১০০ শতাংশে পৌঁছেছে। এ কারণে প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চার প্রতিষ্ঠানে মোট আমানতের পরিমাণ ১২ হাজার ৪৮৩ কোটি টাকা।
"চার প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের হার ৯৩ শতাংশ থেকে প্রায় ১০০ শতাংশে পৌঁছেছে। এ কারণে প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গভর্নর মোস্তাকুর রহমান, আমানতকারীরা, প্রশাসক, বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা (সর্বোচ্চ ফেরত), ১২ হাজার ৪৮৩ কোটি টাকা (মোট আমানত), ৯৩-১০০ শতাংশ (খেলাপি ঋণ), ২৪ সেপ্টেম্বর (সিদ্ধান্তের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!