📌 বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি জারুলিয়াছড়ি সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মির স্থলমাইন বিস্ফোরণে আবদুল করিম (২৫)-এর বাঁ পায়ের নিচের অংশ বিচ্ছিন্ন। ৩ সঙ্গী পালিয়ে এসেছেন। কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা।
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার জারুলিয়াছড়ি সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে স্থলমাইন বিস্ফোরণে আবদুল করিম (২৫) নামের এক বাংলাদেশি যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন — বিস্ফোরণে তাঁর বাঁ পায়ের হাঁটুর নিচের অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আজ মঙ্গলবার বেলা দুইটার দিকে জারুলিয়াছড়ি সীমান্তের ৪৬-৪৭ নম্বর সীমান্ত পিলারের মধ্যবর্তী এলাকা থেকে প্রায় ১০০ মিটার মিয়ানমারের অভ্যন্তরে রাখাইন রাজ্যের গরবিটা এলাকার আউং থা পায়া পোস্টে এ ঘটনা ঘটে — এলাকাটি রাখাইন রাজ্যের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণাধীন। আহত আবদুল করিম নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার জারুলিয়াছড়ি এলাকার বাসিন্দা মকতুল হোসেনের ছেলে — স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠায়।
🔴 মূল পয়েন্ত
- 📌 আহত: আবদুল করিম (২৫) — মকতুল হোসেনের ছেলে, জারুলিয়াছড়ি এলাকা, নাইক্ষ্যংছড়ি।
- 📌 আঘাত: বাঁ পায়ের হাঁটুর নিচের অংশ বিচ্ছিন্ন — স্থলমাইন বিস্ফোরণ।
- 📌 ঘটনা: মঙ্গলবার বেলা ২টা — ৪৬-৪৭ নম্বর সীমান্ত পিলার মধ্যবর্তী এলাকা থেকে ~১০০ মিটার মিয়ানমারের অভ্যন্তরে।
- 📌 স্থান: রাখাইন রাজ্যের গরবিটা এলাকার আউং থা পায়া পোস্ট — আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণাধীন।
- 📌 প্রেক্ষাপট: আরাকান আর্মি কাঁটাতারের পাশে অসংখ্য স্থলমাইন পুঁতে রেখেছে — অনুপ্রবেশ ঠেকাতে।
- 📌 সঙ্গী: আরও ৩ জন সঙ্গে ছিলেন — দুপুর সাড়ে ১২টায় শূন্যরেখা অতিক্রম; বিস্ফোরণের পর ৩ জন পালিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসেন।
- 📌 চিকিৎসা: কক্সবাজার সদর হাসপাতাল — বিকেল ৫টায় নেওয়া হয়েছে।
- 📌 ওসি: মোজান্মেল হক — নাইক্ষ্যংছড়ি থানা।
- 📌 আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী: মো. কামাল মিয়া।
- 📌 বিজিবি ১১: কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
📰 বিস্তারিত
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার জারুলিয়াছড়ি সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে স্থলমাইন বিস্ফোরণে আবদুল করিম (২৫) নামের এক বাংলাদেশি যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন — বিস্ফোরণে তাঁর বাঁ পায়ের হাঁটুর নিচের অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আজ মঙ্গলবার বেলা দুইটার দিকে জারুলিয়াছড়ি সীমান্তের ৪৬-৪৭ নম্বর সীমান্ত পিলারের মধ্যবর্তী এলাকা থেকে প্রায় ১০০ মিটার মিয়ানমারের অভ্যন্তরে রাখাইন রাজ্যের গরবিটা এলাকার আউং থা পায়া পোস্টে এ ঘটনা ঘটে — এলাকাটি রাখাইন রাজ্যের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণাধীন। আহত আবদুল করিম নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার জারুলিয়াছড়ি এলাকার বাসিন্দা মকতুল হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় লোকজন আহত আবদুল করিমকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোজান্মেল হক প্রথম আলোকে বলেন, স্থলমাইন বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটেছে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে — রাখাইন রাজ্যে; বিস্ফোরণে আবদুল করিমের বাঁ পায়ের নিচের অংশ বিচ্ছিন্ন হয়েছে — বিকেল পাঁচটার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য করিমকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
⚠️ আরাকান আর্মির মাইন ও সীমান্ত প্রেক্ষাপট
স্থানীয় আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তা মো. কামাল মিয়া বলেন, জারুলিয়াছড়ির বিপরীতে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য — কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে মিয়ানমার সীমানা ভাগ করে রেখেছে। অনুপ্রবেশ ঠেকাতে রাখাইন রাজ্যের দখলদার আরাকান আর্মি কাঁটাতারের পাশে অসংখ্য স্থলমাইন পুঁতে রেখেছে — সীমান্তে শূন্যরেখায় অনেকে ফসলের চাষ করেন, অনেকে মাদক ও পশু চোরাচালান করেন। আজ বেলা দুইটার দিকে সীমান্তের ওপারে স্থলমাইন বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় — পরে লোকজনের সহায়তায় বাংলাদেশি যুবক আবদুল করিমকে উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, আবদুল করিম আরও তিনজনকে সঙ্গে আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শূন্যরেখা অতিক্রম করে রাখাইন রাজ্যে প্রবেশ করেন — বেলা দুইটার দিকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলে সঙ্গে থাকা তিনজন বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন। তাঁদের দেওয়া তথ্যমতে, স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত আবদুল করিমকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। এ বিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগ করে নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবির বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
"স্থলমাইন বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটেছে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে — রাখাইন রাজ্যে। বিস্ফোরণে আবদুল করিমের বাঁ পায়ের নিচের অংশ বিচ্ছিন্ন হয়েছে।" — মোজান্মেল হক, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, নাইক্ষ্যংছড়ি থানা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- আহত: আবদুল করিম (২৫) — মকতুল হোসেনের ছেলে, জারুলিয়াছড়ি, নাইক্ষ্যংছড়ি
- আঘাত: বাঁ পায়ের হাঁটুর নিচের অংশ বিচ্ছিন্ন
- স্থান: ৪৬-৪৭ নম্বর সীমান্ত পিলার মধ্যবর্তী — ~১০০ মিটার মিয়ানমারের অভ্যন্তরে
- বিস্তারিত স্থান: গরবিটা এলাকা, আউং থা পায়া পোস্ট, রাখাইন রাজ্য
- নিয়ন্ত্রণ: আরাকান আর্মি
- মাইন: অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কাঁটাতারের পাশে অসংখ্য স্থলমাইন
- সঙ্গী: ৩ জন — দুপুর সাড়ে ১২টায় শূন্যরেখা অতিক্রম; ৩ জন পালিয়ে ফিরে আসেন
- চিকিৎসা: কক্সবাজার সদর হাসপাতাল — বিকেল ৫টায়
- ওসি: মোজান্মেল হক (নাইক্ষ্যংছড়ি থানা)
- আনসার/VDP: মো. কামাল মিয়া
- বিজিবি ১১: বক্তব্য পাওয়া যায়নি
- সূত্র: নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার; প্রথম আলো
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!