📌 মিরপুরের রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গত ২৪ সেপ্টেম্বর হামলা ও লুটপাটে ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাসহ বিএনপি সংগঠনের কর্মীরা রয়েছেন। ঘটনায় জড়িতদের নির্দেশদাতাদেরও শনাক্ত করা হয়েছে
মিরপুরের মা ও শিশুস্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে গত ২৪ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে সংঘটিত ভয়াবহ হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) ৯ দিনের অভিযানে মোট ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এই ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাসহ বিএনপি সংগঠনের কর্মীরা রয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯ জন গ্রেপ্তার: রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলায় জড়িত ১৯ জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে, যার মধ্যে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাসহ বিএনপি সংগঠনের কর্মীরা রয়েছেন।
- 📌 হামলার বিবরণ: মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশি অস্ত্র নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ঢুকে নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে ওষুধ, টিকা ও চিকিৎসা সরঞ্জাম লুট করে স্থাপনাটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে।
- 📌 বহিষ্কার ও পদত্যাগ: বিএনপি, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও শ্রমিক দলের ১৪ জনকে বহিষ্কার করা হয়, তবে হামলার কথা উল্লেখ করা হয়নি। ঘটনার এক সপ্তাহ পর ফেরদৌসী আহমেদ পদত্যাগ করেন।
- 📌 গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরিচয়: গ্রেপ্তারদের মধ্যে রাকিব আহমেদ সোহেল (৪৬), সারোয়ার আলম পিয়াস (৩৫) ও সাজ্জাদ হোসেন মিশু (৩৬) উল্লেখযোগ্য। সাজ্জাদ কথিত জাতীয়তাবাদী সাইবার দলের সহসভাপতি।
- 📌 নির্দেশদাতাদের শনাক্ত: ঘটনার নির্দেশদাতাদের শনাক্ত করা হয়েছে, তারা গোয়েন্দা নজরদারির মধ্যে রয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
গতকাল শনিবার ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ রাকিব জানান, হামলায় জড়িত ব্যক্তিরা পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। পরে শনিবার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, হামলায় জড়িত ব্যক্তিরা সরাসরি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাসহ বিএনপি সংগঠনের কর্মীরা রয়েছেন।
২৪ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা ঘটে। মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশি অস্ত্র নিয়ে সেখানে ঢুকে নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে। পরে ওষুধ, টিকা, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও অন্যান্য মালামাল লুট করে ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে সেখানে সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেডের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেওয়া হয়।
হামলার ঘটনায় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতা-কর্মীদের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে, ফেরদৌসী আহমেদের (মিষ্টি) ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত অনেক নেতা-কর্মী জড়িত থাকার সন্দেহ রয়েছে। ঘটনার এক সপ্তাহের মাথায় ফেরদৌসী আহমেদ পদত্যাগ করেন। এর আগের দিন বুধবার রাতে বিএনপি, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও শ্রমিক দলের ১৪ জনকে বহিষ্কার করা হয়। তবে দলীয় বিজ্ঞপ্তিতে হামলার কথা উল্লেখ করা হয়নি। বহিষ্কারের কারণ হিসেবে দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগের কথা বলা হয়েছে।
"হামলায় জড়িত ব্যক্তিরা পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। পরে শনিবার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।" — মোহাম্মদ রাকিব, গোয়েন্দা পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিরপুর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ রাকিব, ফেরদৌসী আহমেদ, রাকিব আহমেদ সোহেল, সারোয়ার আলম পিয়াস, সাজ্জাদ হোসেন মিশু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ জন গ্রেপ্তার, ২৪ সেপ্টেম্বর হামলা, ৯ দিন অভিযান, ১৪ জন বহিষ্কার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!