📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সংখ্যার জগতে হারিয়ে যাওয়া তথ্যের অসীম শক্তি ও তার রহস্য

সংখ্যার জগতে হারিয়ে যাওয়া তথ্যের অসীম শক্তি ও তার রহস্য

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 তথ্যকে সংখ্যায় রূপান্তর করে পৃথিবীর যেকোনো বার্তা আদান-প্রদান সম্ভব হয়েছে। ক্লড শ্যাননের তথ্য তত্ত্বের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে, সব ধরনের তথ্য আসলে ০ ও ১-এর সমন্বয়ে গঠিত। এমনকি মানুষের অনুভূতি ও শব্দও এই সংখ্যার মাধ্যমেই প্রকাশিত হয়

ধরুন, আপনি প্রিয়জনের সঙ্গে কথা বলছেন। তিনি বললেন, ‘ভালোবাসি।’ কিন্তু তার মুখ থেকে বের হওয়া শব্দের কম্পন কিংবা নিশ্বাসের বাতাস আপনার কাছে পৌঁছাবে না। আপনার কাছে পৌঁছাবে শুধু কিছু সংখ্যা। সেই সংখ্যাগুলোই পরে আবার শব্দে রূপান্তরিত হয়ে আপনার কানে পৌঁছাবে। এই রূপান্তরের পেছনে রয়েছে গণিতবিদ ক্লড শ্যাননের তথ্য তত্ত্ব, যা তথ্যকে সংখ্যায় পরিমাপ করার এক বৈপ্লবিক ধারণা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মানুষের কথা বা অনুভূতি শেষ পর্যন্ত সংখ্যায় পরিণত হয় এবং তা ডিজিটাল মাধ্যমে আদান-প্রদান করা সম্ভব
  • 📌 ক্লড শ্যাননের তথ্য তত্ত্ব অনুসারে, যেকোনো বার্তাকে ০ ও ১-এর ধারাবাহিকতায় প্রকাশ করা যায়
  • 📌 তথ্যের অর্থ বা গুরুত্ব বিবেচনা না করেই শ্যানন সংখ্যাগুলোকে মাপার পদ্ধতি আবিষ্কার করেন
  • 📌 মানুষের মস্তিষ্কে শব্দ পৌঁছায় না; পৌঁছায় বৈদ্যুতিক স্পন্দনের একটি নির্দিষ্ট প্যাটার্ন
  • 📌 চোখ, কান ও নাকের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যও শেষ পর্যন্ত সংখ্যার মাধ্যমেই মস্তিষ্কে বিশ্লেষিত হয়

📰 বিস্তারিত

১৯৪৮ সালে মার্কিন গণিতবিদ ক্লড শ্যানন তথ্যকে কীভাবে মাপা যায়, তার একটি বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব উপস্থাপন করেন। তার এই তত্ত্বের মূল কথা ছিল—যেকোনো ধরনের তথ্য, তা সে কথা, ছবি, গান বা এমনকি মানুষের অনুভূতি যাই হোক না কেন, তাকে শেষ পর্যন্ত ০ ও ১-এর ধারাবাহিকতায় প্রকাশ করা সম্ভব। তিনি দেখান যে, তথ্যের অর্থ বা গুরুত্ব বিবেচনা না করেই তাকে সংখ্যায় পরিমাপ করা যায়।

ধরুন, আপনি কারও সঙ্গে ফোনে কথা বলছেন। তার মুখ থেকে বের হওয়া শব্দের কম্পনকে মাইক্রোফোন প্রতি সেকেন্ডে হাজার হাজার বার মেপে সেই কম্পনকে সংখ্যায় রূপান্তর করে। সেই সংখ্যাগুলো বিদ্যুৎ ও আলোর স্পন্দনের মাধ্যমে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌঁছায়। তারপর প্রাপকের ফোন সেই সংখ্যাগুলোকে আবার শব্দে রূপান্তরিত করে। ফলে আপনি তার কথা শুনতে পান।

শ্যাননের তত্ত্বের সবচেয়ে চমকপ্রদ দিক হলো—তিনি তথ্যের অর্থকে গুরুত্বহীন হিসেবে বিবেচনা করেন। তার মতে, ছয় ডলার, ছয় বছর বয়স কিংবা ছয়টি মৃতদেহ—এই সংখ্যাগুলোর অর্থ যাই হোক না কেন, তাদের তথ্য হিসেবে মাপা যায় একইভাবে। এই বৈশিষ্ট্যই তথ্য তত্ত্বকে এত শক্তিশালী করে তুলেছে।

মানুষের মস্তিষ্কেও একই ঘটনা ঘটে। যখন কেউ কথা বলে, তার গলার কম্পন বাতাসে চাপের ঢেউ তৈরি করে। সেই ঢেউ কানের পর্দা, তিনটি ক্ষুদ্র হাড় ও ককলিয়ার মাধ্যমে বৈদ্যুতিক স্পন্দনে রূপান্তরিত হয়। মস্তিষ্ক সেই স্পন্দনের প্যাটার্নকে বিশ্লেষণ করে শব্দ হিসেবে চিনতে পারে। একইভাবে চোখ ও নাকের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যও শেষ পর্যন্ত সংখ্যার মাধ্যমেই মস্তিষ্কে বিশ্লেষিত হয়।

"তথ্যের অর্থ কী, সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সমস্যার জন্য অর্থ অপ্রাসঙ্গিক। যে নিশ্বাস কথাটাকে বয়ে এনেছিল, সেটা তার ঘরেই থেকে যাবে। তার গলার কম্পন কয়েক ফুট গিয়ে বাতাসেই মিলিয়ে যাবে। আপনার কাছে আসবে শুধু কিছু সংখ্যা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বিশ্বব্যাপী ডিজিটাল মাধ্যম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্লড শ্যানন (গণিতবিদ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ০ ও ১ (বিট)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖