📌 কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রোপিকের বিরুদ্ধে কপিরাইট লঙ্ঘনের অভিযোগে কয়েক বিলিয়ন ডলারের ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে সংগীতশিল্পের দুই দানব প্রতিষ্ঠান সনি ও ওয়ার্নার। যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে দায়ের করা মামলায় প্রতিষ্ঠান দুটি অ্যানথ্রোপিকের প্রধান নির্বাহীসহ প্রতিষ্ঠানটির দুই প্রতিষ্ঠাতাকে আসামি করেছে
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টের জেলা আদালতে কপিরাইট লঙ্ঘনের অভিযোগে অ্যানথ্রোপিকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে সংগীতশিল্পের দুই প্রতিষ্ঠান সনি মিউজিক পাবলিশিং ও ওয়ার্নার চ্যাপেল মিউজিক। মামলায় প্রতিষ্ঠান দুটি অ্যানথ্রোপিকের কাছ থেকে কয়েক বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে দায়ের করা মামলায় অ্যানথ্রোপিককে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় মেধাস্বত্ব চুরির ঘটনার জন্য দায়ী করা হয়েছে
- 📌 মামলায় অ্যানথ্রোপিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দারিও আমোদেই ও সহপ্রতিষ্ঠাতা বেঞ্জামিন ম্যানকেওকে আসামি করা হয়েছে
- 📌 অভিযোগ, অ্যানথ্রোপিক ক্লড নামের এআই মডেল প্রশিক্ষণের জন্য অবৈধভাবে বিপুলসংখ্যক কপিরাইট করা সংগীত সংগ্রহ করেছে
- 📌 প্রতি কপিরাইট লঙ্ঘনের জন্য ১ লাখ ৫০ হাজার ডলার এবং প্রতি লঙ্ঘনের জন্য অতিরিক্ত ২৫ হাজার ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে
- 📌 অভিযোগে উল্লেখিত জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘এইন্ট নো মাউন্টেন হাই এনাফ’, ‘অল আই ওয়ান্ট ফর ক্রিসমাস ইজ ইউ’, ‘আই অব দ্য টাইগার’ ও ‘হিয়ার কামস সান্তা ক্লজ’
📰 বিস্তারিত
গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টের জেলা আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার নথিতে অ্যানথ্রোপিককে ইতিহাসের সবচেয়ে স্পষ্ট ও বৃহৎ মেধাস্বত্ব চুরির ঘটনার জন্য দায়ী করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সনি ও ওয়ার্নার। প্রতিষ্ঠান দুটির অভিযোগ, অ্যানথ্রোপিক ক্লড নামের তাদের জনপ্রিয় এআই মডেল প্রশিক্ষণের জন্য অবৈধভাবে বিপুলসংখ্যক কপিরাইট করা সংগীত সংগ্রহ করেছে।
মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, অ্যানথ্রোপিক টরেন্টোর মাধ্যমে সংগীত নামানো, বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ এবং অন্যান্য উপায়ে কপিরাইট করা সংগীতকর্ম সংগ্রহ করেছে। প্রতিষ্ঠান দুটির দাবি, অবৈধভাবে সংগৃহীত সংগীত ব্যবহার করে অ্যানথ্রোপিক বিপুল অর্থ আয় করেছে। ফলে প্রতি কপিরাইট করা সংগীতকর্মের জন্য ১ লাখ ৫০ হাজার ডলার এবং প্রতি কপিরাইট লঙ্ঘনের জন্য অতিরিক্ত ২৫ হাজার ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, অ্যানথ্রোপিক হাজারো সংগীতকর্ম অবৈধভাবে ব্যবহার করেছে। ফলে চাওয়া ক্ষতিপূরণের পরিমাণ কয়েক বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে জানিয়েছে সনি ও ওয়ার্নার। মামলায় উল্লেখিত জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘এইন্ট নো মাউন্টেন হাই এনাফ’, ‘অল আই ওয়ান্ট ফর ক্রিসমাস ইজ ইউ’, ‘আই অব দ্য টাইগার’ ও ‘হিয়ার কামস সান্তা ক্লজ’।
"অ্যানথ্রোপিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ও স্পষ্ট মেধাস্বত্ব চুরির ঘটনার জন্য দায়ী। তারা অবৈধভাবে বিপুলসংখ্যক কপিরাইট করা সংগীত সংগ্রহ করেছে এবং তা ব্যবহার করে বিপুল অর্থ আয় করেছে।"
উল্লেখ্য, এর আগেও কপিরাইট লঙ্ঘনের অভিযোগে অ্যানথ্রোপিকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে বই প্রকাশকদের সঙ্গে ১৫০ কোটি ডলারের সমঝোতায় পৌঁছেছিল প্রতিষ্ঠানটি। ওই মামলায় অভিযোগ করা হয়েছিল, অ্যানথ্রোপিক কপিরাইট করা বই অবৈধভাবে সংগ্রহ করে এআই মডেল প্রশিক্ষণে ব্যবহার করেছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দারিও আমোদেই (সিইও), বেঞ্জামিন ম্যানকেও (সহপ্রতিষ্ঠাতা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ক্ষতিপূরণ দাবি ১ লাখ ৫০ হাজার ডলার (প্রতি কপিরাইট কর্ম), অতিরিক্ত ২৫ হাজার ডলার (প্রতি লঙ্ঘন), সমঝোতা ১৫০ কোটি ডলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!