📌 মার্কিন সেনাবাহিনীর সচিব ড্যানিয়েল ড্রিসকল পদত্যাগ করেছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের পর তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে, ড্রিসকল ট্রাম্প প্রশাসনের সামরিক কর্মসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
মার্কিন সেনাবাহিনীর সচিব ড্যানিয়েল ড্রিসকল পদত্যাজ করেছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে কয়েক মাস ধরে চলা মতানৈক্যের পর তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার ড্রিসকলের পদত্যাগ নিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে হোয়াইট হাউস তা অস্বীকার করেনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন সেনাবাহিনীর সচিব ড্যানিয়েল ড্রিসকল পদত্যাগ করেছেন
- 📌 প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের পর পদত্যাগের সিদ্ধান্ত
- 📌 হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে, ড্রিসকল ট্রাম্প প্রশাসনের সামরিক কর্মসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন
- 📌 সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ র্যান্ডি জর্জকে বরখাস্ত করার ঘটনায় ড্রিসকল হতাশ হন
📰 বিস্তারিত
মার্কিন সেনাবাহিনীর সচিব ড্যানিয়েল ড্রিসকল পদত্যাগ করেছেন বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে দীর্ঘদিনের মতানৈক্যের পর তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন। স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার ড্রিসকলের পদত্যাগ নিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে হোয়াইট হাউস তা অস্বীকার করেনি।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘সেক্রেটারি ড্রিসকল সেনাবাহিনী বিভাগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘মেক আমেরিকা স্ট্রং এগেইন’ কর্মসূচি এগিয়ে নিতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রেখেছেন। ঐতিহাসিক সামরিক অভিযান চলাকালে অসাধারণ নেতৃত্ব দেওয়া, প্রস্তুতি ও প্রাণঘাতী সক্ষমতার ওপর আবারও গুরুত্ব দেওয়া, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে আলোচনায় সহায়তা করাসহ আরও অনেক ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘সেনাবাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফ এবং যুদ্ধবিষয়ক সচিবের সঙ্গে কাজ করার কারণে ড্রিসকল অবদানে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও শক্তিশালী হয়েছে।’
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউস ড্রিসকলের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছে কি না, তা এখনও পরিষ্কার নয়। মার্কিন সেনাবাহিনী এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। ড্রিসকল মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের আইন স্কুলের সাবেক সহপাঠী। হেগসেথের অধীনে পেন্টাগন থেকে বিদায় নেওয়া সর্বশেষ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হলেন তিনি। এর আগে এপ্রিলে হেগসেথ সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ র্যান্ডি জর্জকে বরখাস্ত করেন। এরপর জুনে ইউরোপ ও আফ্রিকায় মার্কিন সেনাবাহিনীর কমান্ডার জেনারেল ক্রিস্টোফার ডোনাহু হঠাৎ করে পদ ছেড়ে দেন।
রয়টার্সের সূত্র জানিয়েছে, ড্রিসকল ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে ‘সেনাবাহিনীর রূপান্তর ও প্রস্তুতি’ নিয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়েছিলেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছিলেন, হেগসেথ বিশেষভাবে এসব উদ্যোগে বাধা দিচ্ছেন এবং এসব প্রচেষ্টার জন্য দায়ী জেনারেলদের বরখাস্ত করছেন।
‘হেগসেথ ড্রিসকলকে আমলাতন্ত্রের ভেতরে নিজের জন্য হুমকি হিসেবে দেখতেন এবং দীর্ঘদিন ধরেই তাকে সরিয়ে দিতে চেয়েছিলেন।’ — নাম প্রকাশ না করার শর্তে রয়টার্সকে এক মার্কিন কর্মকর্তা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড্যানিয়েল ড্রিসকল, পিট হেগসেথ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: একাধিক জেনারেল ও অ্যাডমিরাল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!