📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রামে ডিজিটাল দৃশ্যশিল্প প্রদর্শনীতে উঠে এল প্রযুক্তির অদৃশ্য জালে মানুষের বন্দী হওয়ার গল্প

চট্টগ্রামে ডিজিটাল দৃশ্যশিল্প প্রদর্শনীতে উঠে এল প্রযুক্তির অদৃশ্য জালে মানুষের বন্দী হওয়ার গল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রামে চলমান ‘অ্যালগরিদমিক বডিস’ শিরোনামের ডিজিটাল দৃশ্যশিল্প প্রদর্শনীতে উঠে এসেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অ্যালগরিদমের মাধ্যমে মানুষের ব্যক্তিজীবন ও স্বাধীনতার ওপর প্রভাব। আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত চলবে এই ব্যতিক্রমী প্রদর্শনী

চট্টগ্রামের আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ মিলনায়তনে শুরু হওয়া ‘অ্যালগরিদমিক বডিস’ শিরোনামের ডিজিটাল দৃশ্যশিল্প প্রদর্শনীতে উঠে এসেছে প্রযুক্তির অদৃশ্য জালে মানুষের বন্দী হওয়ার গল্প। সিসিটিভি মনিটর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে ব্যক্তিজীবন, নজরদারি ও আসক্তির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে এই ব্যতিক্রমী আয়োজনে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চট্টগ্রামে চলছে ‘অ্যালগরিদমিক বডিস’ শিরোনামের ডিজিটাল দৃশ্যশিল্প প্রদর্শনী
  • 📌 প্রদর্শনীতে প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের ব্যক্তিজীবন ও স্বাধীনতার ওপর প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে
  • 📌 সিসিটিভি মনিটর, ফেসবুক রিল, চ্যাটজিপিটি ও অ্যালগরিদমের প্রভাব দেখানো হয়েছে
  • 📌 আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রদর্শনী চলবে
  • 📌 প্রদর্শনীটি দেখতে দেখতে দর্শকের মনে প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্নের উদ্রেক হয়

📰 বিস্তারিত

চট্টগ্রামের আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ মিলনায়তনে গতকাল শুক্রবার শুরু হওয়া ‘অ্যালগরিদমিক বডিস’ শিরোনামের ডিজিটাল দৃশ্যশিল্প প্রদর্শনীটি সব দিক থেকেই ব্যতিক্রম। এ প্রদর্শনীতে প্রযুক্তিজগতের হালফিল সব পরিবর্তনকে দেখার ও তার সঙ্গে সংলাপের সুযোগ তৈরি হয়েছে। প্রদর্শনীটি দেখতে দেখতে দর্শকের মনে প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে।

অন্ধকার প্রদর্শনীকক্ষে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে দর্শকদের মুখোমুখি হতে হয় সিসিটিভি মনিটরের। সেখানে ঝুলন্ত মনিটরে দর্শক নিজেকে আবিষ্কার করেন। সব গুরুত্বপূর্ণ ভবনেই সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলেও মনিটরে আগন্তুকরা নিজেদের দেখতে পান না। এ যেন জর্জ অরওয়েলের উপন্যাস ‘১৯৮৪’-এর বিখ্যাত সংলাপ ‘বিগ ব্রাদার ইজ ওয়াচিং ইউ’-এর প্রতিফলন। দেয়ালজুড়ে প্রজেক্টরে নানা দৃশ্যের প্রক্ষেপণ, ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি হেডসেট কিংবা ল্যাপটপে খোলা চ্যাটজিপিটি দর্শকের সামনে আরও নতুন প্রশ্নের উদ্রেক করে।

প্রদর্শনীটির কিউরেটর শর্মিলি রহমান ও সহ-কিউরেটর জিহান করিম। অংশগ্রহণকারী আট শিল্পীর মধ্যে রয়েছেন দীপ্তি দত্ত, ফাহিম হাসিন, জয়ন্তী রায়না, নাজনীন আহমেদ, রাজীব দত্ত, সাদিয়া মারিয়াম, সৌম্য সাহা ও ওয়ালিদ সাদ্দাম। ওয়ালিদ সাদ্দামের ‘ইউ আর লাইক মি টু’ শিরোনামের কাজটিতে ইনস্টলেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ভিডিও ইলিউশনের মাধ্যমে পানির সংকট ও প্রযুক্তির সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে।

"ডিজিটাল প্রযুক্তি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কীভাবে মানুষকে তাঁর অদৃশ্য জালে বন্দী করেছে, তা প্রদর্শনী দেখতে দেখতে দর্শকের মনে উঁকি দিয়ে যায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ মিলনায়তন, চট্টগ্রাম
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: শর্মিলি রহমান (কিউরেটর), জিহান করিম (সহ-কিউরেটর)
  • 🔢 অংশগ্রহণকারী শিল্পী: ৮ জন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖