📌 চীন মহাকাশে একটি কৃত্রিম উপগ্রহে অন্য মহাকাশযান থেকে জ্বালানি সরবরাহের সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে বলে দাবি করেছে। এই প্রযুক্তি স্যাটেলাইটের কার্যকাল বাড়াতে এবং মহাকাশবর্জ্য কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা চীনের দাবির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে
চীনের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ডিপ স্পেস এক্সপ্লোরেশন এবং চাইনিজ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেসের গবেষকরা মহাকাশে একটি কৃত্রিম উপগ্রহে অন্য মহাকাশযান থেকে জ্বালানি সরবরাহের সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে বলে দাবি করেছে। এই অগ্রগতির মাধ্যমে মহাকাশে স্যাটেলাইটের কার্যকাল বাড়ানো এবং মহাকাশবর্জ্য কমাতে নতুন সম্ভাবনা উন্মোচিত হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা চীনের দাবির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চীনের গবেষকরা ‘বেইডু-২ জি-৭’ উপগ্রহে ‘শিজিয়ান-২৫’ মহাকাশযান থেকে প্রায় ১৪২ কেজি জ্বালানি সরবরাহের সফল পরীক্ষা করেছেন বলে দাবি করেছেন।
- 📌 এই অভিযানের মাধ্যমে উপগ্রহটির কার্যক্ষমতা অন্তত আট বছর বাড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
- 📌 চীনা গবেষকরা দাবি করেছেন, জ্বালানি স্থানান্তরের সময় দুটি মহাকাশযান প্রতি সেকেন্ডে ৭ হাজার ৩৩১ দশমিক ৪৩ মিটার বেগে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছিল।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, গত বছরের জানুয়ারিতে ‘শিজিয়ান-২৫’ পৃথিবীর কক্ষপথে এমন অবস্থানে ছিল না, যা চীনের বর্ণিত অভিযানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- 📌 চীনা গবেষকরা ২০২১ সালেই দুটি কৃত্রিম উপগ্রহের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের সক্ষমতা অর্জন করেছিলেন, তবে জ্বালানি স্থানান্তর করেননি।
- 📌 মহাকাশে জ্বালানি সরবরাহের প্রযুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাপানও কাজ করছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো দেশ চূড়ান্ত সাফল্যের দাবি করেনি।
📰 বিস্তারিত
চীনের দাবি অনুযায়ী, মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহের জ্বালানি সরবরাহের এই অভিযানটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। গত সেপ্টেম্বরে হংকংভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চীনের দিকনির্ণয়কারী উপগ্রহ ‘বেইডু-২ জি-৭’-এ জ্বালানি সরবরাহের জন্য ‘শিজিয়ান-২৫’ নামের একটি মহাকাশযান ব্যবহার করা হয়েছে। গবেষকদের দাবি, এই অভিযানের মাধ্যমে উপগ্রহটির কার্যক্ষমতা আরও অন্তত আট বছর বাড়ানো সম্ভব হয়েছে।
চীনা গবেষকরা জানিয়েছেন, জ্বালানি সরবরাহের সময় দুটি মহাকাশযান প্রতি সেকেন্ডে ৭ হাজার ৩৩১ দশমিক ৪৩ মিটার বেগে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছিল। এই জটিল হিসাবের জন্য সুপারকম্পিউটার ব্যবহার করা হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, গত বছরের জানুয়ারিতে ‘শিজিয়ান-২৫’ পৃথিবীর কক্ষপথে এমন অবস্থানে ছিল না, যা চীনের বর্ণিত অভিযানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
চীনা গবেষকরা ২০২১ সালেই দুটি কৃত্রিম উপগ্রহের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের সক্ষমতা অর্জন করেছিলেন। তবে সে সময় জ্বালানি স্থানান্তর করা হয়নি। এ অভিযানের প্রমাণ হিসেবে ছবি প্রকাশ করারও তারা রাজি হননি।
"মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহে জ্বালানি সরবরাহের প্রযুক্তি স্যাটেলাইটের কার্যকাল বাড়ানোর পাশাপাশি মহাকাশবর্জ্য কমাতে সাহায্য করতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মহাকাশ (বিশেষত ‘বেইডু-২ জি-৭’ ও ‘শিজিয়ান-২৫’ কক্ষপথ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চীনের গবেষকদের দল, যুক্তরাষ্ট্রের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪২ কেজি জ্বালানি, ৭ হাজার ৩৩১ দশমিক ৪৩ মিটার/সেকেন্ড বেগ, ৮ বছর কার্যকাল বাড়ানো
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!