📌 যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক ঘোষণা করেছেন, সরকার ধানমন্ডির আবাহনী ও মাঠের নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করতে। মাঠ দুটিকে নিরপেক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে খেলাধুলার কেন্দ্র হিসেবে উন্নয়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে
ঢাকার ধানমন্ডির আবাহনী মাঠ ও ধানমন্ডি মাঠের নিয়ন্ত্রণ সরকারের হাতে চলে আসছে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করতে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক ঘোষণা করেছেন, গত ১৭ বছরে ক্রীড়া ক্লাবগুলো রাজনৈতিকীকরণের শিকার হয়েছে। এখন সরকার নিরপেক্ষ ব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে মাঠগুলোকে খেলাধুলার মানোন্নয়নের কেন্দ্র হিসেবে পরিণত করতে চায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৭ বছরের রাজনৈতিক প্রভাবমুক্তির লক্ষ্যে ধানমন্ডির আবাহনী ও মাঠের নিয়ন্ত্রণ নেয় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়
- 📌 ৯.৭৬ একর জমির ইজারা বাতিল হয় আবাহনী লিমিটেডের, মাঠটি সরকারি হাতে চলে আসে
- 📌 ১০.৬৫ একর মোট জমি নিয়ে আবাহনী মাঠের ইজারা বাতিল, ধানমন্ডি মাঠের ব্যবস্থাপনা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে
- 📌 গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত, মাঠ দুটির উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের
- 📌 বহুমুখী ক্রীড়া কমপ্লেক্সের পরিকল্পনা ধানমন্ডি মাঠে আর্চারি, শুটিং, ফুটসাল, প্যাডেল ও হকির জন্য নতুন অবকাঠামো নির্মাণের ঘোষণা
- 📌 ১০০% জনসেবা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি, শিশু, নারী ও সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য নিরাপদ খেলাধুলার পরিবেশ তৈরি
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। সভাপতিত্ব করেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান। সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক।
প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, ধানমন্ডির মাঠ দুটি রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ক্রীড়া কেন্দ্র। এগুলো কোনো নির্দিষ্ট ক্লাব বা গোষ্ঠীর ব্যবহারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। শিশু, তরুণ, নারী ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য নিরাপদ পরিবেশে খেলাধুলার সুযোগ নিশ্চিত করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, মাঠের মূল উদ্দেশ্য খেলাধুলা এবং সাধারণ মানুষের ব্যবহারের সুযোগ অক্ষুণ্ণ রাখা।
আবাহনী মাঠে বর্তমানে ফুটবল ও ক্রিকেট মাঠের পাশাপাশি বাস্কেটবল কোর্ট, জিমনেসিয়াম ও ক্লাব টেন্টসহ বিভিন্ন অবকাঠামো রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, এসব অবকাঠামো সংস্কার করে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। ধানমন্ডি মাঠের বিদ্যমান অবকাঠামোও উন্নত করা হবে। সেখানে আর্চারি, শুটিং, ফুটসাল, প্যাডেল ও পাঁচজনের হকির জন্য ছোট টার্ফ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, আবাহনী মাঠের ৯.৭৬ একর জমি ১৯৯৬ সালে ৯৯ বছরের জন্য ইজারা দেওয়া হয়েছিল। ২০১০ সালে আরও ০.৮৯ একর জমি ইজারা দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে ইজারাভুক্ত জমির পরিমাণ ১০.৬৫ একর। ইজারার অর্থ পরিশোধ না করা এবং শর্ত ভঙ্গের অভিযোগের পর মাঠটির নিয়ন্ত্রণ সরকারের কাছে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
"ধানমন্ডির মাঠ দুটি রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত। এগুলো কোনো একটি ক্লাব বা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর ব্যবহারের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হবে না। শিশু, তরুণ, নারী ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষ যাতে নিরাপদ পরিবেশে খেলাধুলা করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা হবে।" — যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ধানমন্ডি, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, সচিব মো. ওবায়দুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ বছর (রাজনৈতিক প্রভাবমুক্তির লক্ষ্য), ৯.৭৬ একর (আবাহনী মাঠের ইজারা জমি), ১০.৬৫ একর (মোট ইজারাভুক্ত জমি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!