📅 ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১৮৯৫ সালে নির্মিত পিলারবিহীন ইলিয়ট সেতু: সিরাজগঞ্জের শতবর্ষীয় কালজয়ী স্মৃতিচিহ্ন

১৮৯৫ সালে নির্মিত পিলারবিহীন ইলিয়ট সেতু: সিরাজগঞ্জের শতবর্ষীয় কালজয়ী স্মৃতিচিহ্ন

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিরাজগঞ্জ জেলা শহরে ১৮৯৫ সালে নির্মিত শতবর্ষীয় পিলারবিহীন ইলিয়ট সেতু (বড়পুল) এখনও অবিচ্ছিন্নভাবে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে। ব্রিটিশ ইঞ্জিনিয়ার স্টুয়ার্ট হার্টল্যান্ডের নকশায় নির্মিত এই সেতুটি ১৮০ ফুট লম্বা ও ৩০ ফুট উচ্চতায় নির্মিত হয়েছিল। স্থানীয়রা এটিকে ‘বড়পুল’ নামে পরিচিত করে আসছে

১৮৯৫ সালে নির্মিত সিরাজগঞ্জের শতবর্ষীয় কালজয়ী স্মৃতিচিহ্ন ইলিয়ট সেতু (বড়পুল) এখনও শহরের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। যমুনা বিধৌত সিরাজগঞ্জ জেলা শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত এই পিলারবিহীন সেতুটি আজও কালের সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। স্থানীয়রা এটিকে ‘বড়পুল’ নামে পরিচিত করে আসছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৮৯৫ সালে নির্মিত সিরাজগঞ্জের শতবর্ষীয় পিলারবিহীন সেতু ‘ইলিয়ট সেতু’ (বড়পুল) এখনও অবিচ্ছিন্নভাবে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে।
  • 📌 ১৮০ ফুট লম্বা ও ১৬ ফুট চওড়া এই সেতুটি নির্মাণে খরচ হয়েছিল ৪৫ হাজার টাকা এবং নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৮৯৫ সালে।
  • 📌 ১৮৯২ সালের ৬ আগস্ট আসামের তৎকালীন গভর্নর চার্লস ইলিয়টের উপস্থিতিতে সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
  • 📌 পিলারবিহীন এই সেতুটি আর্চের মাধ্যমে নির্মিত হয়েছিল এবং নিচ দিয়ে বড় নৌকা ও জাহাজ চলাচল করতে পারত।
  • 📌 সাবেক পৌর মেয়র সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা জানান, প্রতিষ্ঠাকাল থেকে এখন পর্যন্ত সেতুর অবকাঠামোগত কোনো ক্ষতি হয়নি।
  • 📌 আইনজীবী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সুকুমার চন্দ্র দাসআবু মোহাম্মাদ জুলফিকার বলেন, সেতুটি এখনও একই রকমভাবে কালের সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

📰 বিস্তারিত

সিরাজগঞ্জ জেলা শহরের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে যমুনার সংযোগ কাটাখালী খাল। এক সময়ে এই খালের পানি ছিল অনেক বেশি এবং শহরটি এপার ও ওপার নামে দুই ভাগে বিভক্ত ছিল। যাতায়াতের সমস্যা সমাধানের জন্য ১৮৯২ সালে তৎকালীন সাব ডিভিশনাল অফিসার বিটসনবিল খালের ওপর সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। সেতু নির্মাণে সিরাজগঞ্জের বড় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ডিস্ট্রিক্ট বোর্ড থেকে ১৫০০ টাকা অনুদান গ্রহণ করা হয়। ব্রিটিশ ইঞ্জিনিয়ার স্টুয়ার্ট হার্টল্যান্ড এই সেতু নির্মাণ করেন।

সেতুটি নির্মাণে খরচ হয়েছিল ৪৫ হাজার টাকা এবং ১৮৯৫ সালে নির্মাণ কাজ শেষ হয়। সেতুর বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিল পিলার না থাকা। আর্চ দিয়ে সেতুটি তৈরি করা হয়েছিল এবং লোহা ও সিমেন্টের সমন্বয়ে ৩০ ফুট উচ্চতায় নির্মিত হয়েছিল। পুরো সেতুটি স্টিলের কাঠামোর ওপর তৈরি করা হয়েছিল। কারণ সেই সময়ে এই সেতুর নিচ দিয়ে বড় নৌকা ও জাহাজ চলাচল করত। পিলার না থাকায় সেগুলো সহজে চলাচল করতে পারত।

সেতুটি স্থানীয়দের কাছে ‘বড়পুল’ নামে পরিচিত। কালের সাক্ষী এই সেতু দিয়ে ছোট-ছোট গাড়ি বা পায়ে হেঁটে মানুষ চলাচল করে। এটি দেখতেও খুব সুন্দর। সেতুটি বানানো হয়েছিল সিরাজগঞ্জ শহরকে ভালোভাবে দেখার জন্য। চিত্ত বিনোদনের জন্য আজও বিভিন্ন বয়সী মানুষ এই সেতু দেখতে আসে। প্রতি বছরই সেতুর সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য রঙ করা হয়।

"আমরা ছোটবেলা থেকে এই সেতুটি দেখে আসছি। এখনো একই রকমভাবে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে সেতুটি। এই দীর্ঘদিনে অনেক কিছুর পরিবর্তন হলেও সেতুটির আজও কোনো পরিবর্তন হয়নি।"

আইনজীবী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সুকুমার চন্দ্র দাস ও আবু মোহাম্মাদ জুলফিকার

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জ জেলা শহর, কাটাখালী খাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা, সুকুমার চন্দ্র দাস, আবু মোহাম্মাদ জুলফিকার, চার্লস ইলিয়ট, স্টুয়ার্ট হার্টল্যান্ড
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮৯৫ (নির্মাণ বছর), ১৮০ ফুট (লম্বা), ১৬ ফুট (চওড়া), ৩০ ফুট (উচ্চতা), ৪৫ হাজার টাকা (নির্মাণ খরচ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖