📌 সিরাজগঞ্জে পেয়ারা চাষের ফলন বাম্পার হওয়ায় কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন। জেলার ৯টি উপজেলায় ৪০০ হেক্টর জমিতে চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল, কিন্তু কৃষকরা আরও বেশি জমিতে চাষ করছেন। এবারের পেয়ারা দাম ৪০-৪৫ টাকা কেজি পাইকারি দরে বিক্রি হচ্ছে, যা কৃষকদের আগ্রহ বাড়িয়ে তুলেছে
সিরাজগঞ্জের পেয়ারা চাষের বাগানে বাম্পার ফলন হওয়ায় জেলার কৃষকরা দ্বিগুণ লাভের আশায় আরও বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। এবারের পেয়ারা চাষে জেলার ৯টি উপজেলায় নির্ধারিত ৪০০ হেক্টর জমির চেয়ে বেশি জমিতে চাষ করা হয়েছে। কৃষকদের স্বচ্ছলতা ফিরে এসেছে এবং তারা কম খরচে বেশি লাভের আশায় চাষে জড়িত হচ্ছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিরাজগঞ্জের ৯টি উপজেলায় ৪০০ হেক্টর জমির চেয়ে বেশি জমিতে পেয়ারা চাষ করা হয়েছে
- 📌 বেলকুচি উপজেলার সূবর্ণসড়া গ্রামের কৃষক ইদ্রিস আলী বলেছেন, পেয়ারা ৪০-৪৫ টাকা কেজি পাইকারি দরে বিক্রি হচ্ছে
- 📌 সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার দত্তবাড়ী গ্রামের রেজাউল করিম (৫০) ১০ ডিসিমাল জমিতে থাই জাতের পেয়ারা চাষ করছেন
- 📌 পেয়ারা বাগানে প্রতি গাছে ১০ গ্রাম ওজনের ফল পলি দিয়ে রক্ষা করা হয়
- 📌 কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সূবর্ণা ইয়াসমিন সুমি জানান, উল্লাপাড়া উপজেলায় ২৪ হেক্টর জমিতে পেয়ারা চাষ হয়েছে
📰 বিস্তারিত
সিরাজগঞ্জ জেলায় পেয়ারা চাষের ফলন বাম্পার হওয়ায় কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে রায়গঞ্জ, কাজিপুর, বেলকুচি, উল্লাপাড়া এবং সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় পেয়ারা চাষের বাগান বেশি দেখা যায়। এছাড়াও যমুনার চরাঞ্চলে পেয়ারা চাষের প্রচলন রয়েছে। প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসের মধ্যে পাঁচ বছরের মেয়াদি পেয়ারা চারা রোপণ করা হয়, তবে সারা বছরই হাইব্রিড জাতের পেয়ারা চাষ করা হয়।
উঁচু, দোআঁশ ও বালু জাতীয় জমিতে পেয়ারা চাষের ফলন বেশি হয়। রাজশাহী ও নাটোর থেকে পেয়ারা গাছের চারা সংগ্রহ করে কৃষকরা জমিতে রোপণ করেন। সিরাজগঞ্জে থাই ও কাজী জাতের পেয়ারা চাষ বেশি হয়ে থাকে। কৃষক শাহিন আলম সোবাহান জানান, জমিতে পেয়ারা চাষের জন্য ২ গজ পরপর বাঁশ ও সিমেন্টের খুঁটি দিয়ে স্ট্রাকচার তৈরি করা হয়। এই স্ট্রাকচারে চারা রোপণ করা হয়। প্রায় ছয় মাস পর থেকেই বাগানে ফুল ও পেয়ারা উৎপন্ন শুরু হয়।
সিরাজগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক একেএম মঞ্জুরে মাওলা বলেছেন, এবারের পেয়ারা বাগানে বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন। কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে অনেক কৃষকের স্বচ্ছলতা ফিরে এসেছে।
"আমার পেয়ারার বাগানে প্রতিদিন ৫ থেকে ৭ জন শ্রমিক কাজ করছেন। এ বছর পেয়ারা ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি পাইকারি দরে বিক্রি শুরু হয়েছে। খরচ বাদ দিয়ে প্রায় দ্বিগুণ লাভের আশা করছি।"
"এবছর উল্লাপাড়া উপজেলায় ২৪ হেক্টর জমিতে পেয়ারা চাষ হয়েছে। কৃষকদের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন সময় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জ জেলা (রায়গঞ্জ, কাজিপুর, বেলকুচি, উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা, যমুনার চরাঞ্চল)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রেজাউল করিম (৫০), শাহিন আলম সোবাহান, ইদ্রিস আলী, সূবর্ণা ইয়াসমিন সুমি, একেএম মঞ্জুরে মাওলা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০০ হেক্টর (লক্ষ্যমাত্রা), ২৪ হেক্টর (উল্লাপাড়া উপজেলা), ৪০-৪৫ টাকা (পেয়ারা দাম কেজি পাইকারি), ৫-৭ জন (শ্রমিক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!