📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৬:০৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত
আমিনুল হক

আমিনুল হক

Aminul Haque
🏛️ প্রতিমন্ত্রী (যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়)
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
🌍 বাংলাদেশি

✨ সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

আমিনুল হক — প্রতিমন্ত্রী (যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়)

📋 জীবনী

মোহাম্মদ আমিনুল হক (জন্ম: ৫ অক্টোবর ১৯৮০; আমিনুল হক নামে সুপরিচিত) হলেন একজন বাংলাদেশী সাবেক পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড় ও রাজনীতিবিদ, যিনি বর্তমানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আমিনুল তার খেলোয়াড়ি জীবনের অধিকাংশ সময় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এবং বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে একজন গোলরক্ষক হিসেবে খেলেছেন। তিনি "সর্বকালের সেরা বাংলাদেশী গোলরক্ষক" হিসেবেও অভিহিত হয়ে থাকেন। ১৯৯৪ সালে, বাংলাদেশী ফুটবল ক্লাব ঢাকা মোহামেডানের যুব পর্যায়ের হয়ে খেলার মাধ্যমে আমিনুল ফুটবল জগতে প্রবেশ করেছিলেন এবং এই ক্লাবের দলের হয়ে খেলার মাধ্যমে তিনি ফুটবল খেলায় বিকশিত হয়েছিলেন। ফরাশগঞ্জের হয়ে খেলার মাধ্যমে তিনি তার জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের খেলোয়াড়ি জীবন শুরু করেছিলেন। ১৯৯৯–২০০০ মৌসুমে, বাংলাদেশী ক্লাব মুক্তিযোদ্ধা সংসদে যোগদান করেছিলেন, যেখানে তিনি ৫ মৌসুম অতিবাহিত করেছিলেন। অতঃপর ২০০৫–০৬ মৌসুমে তিনি ব্রাদার্স ইউনিয়নে যোগদান করেছিলেন। ব্রাদার্স ইউনিয়নে ২ মৌসুম অতিবাহিত করার পর ঢাকা মোহামেডানের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলেন। পরবর্তীকালে, তিনি শেখ জামালের হয়ে খেলেছিলেন। সর্বশেষ ২০১১–১২ মৌসুমে, তিনি শেখ জামাল হতে বাংলাদেশী ক্লাব ঢাকা মোহামেডানে যোগদান করেছিলেন; ঢাকা মোহামেডানের হয়ে ২ মৌসুম খেলার পর তিনি অবসর গ্রহণ করেছিলেন। ১৯৯৯ সালে তিনি বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিষেক করেছেন; বাংলাদেশের জার্সি গায়ে তিনি সর্বমোট ৫০ ম্যাচে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

প্রারম্ভিক জীবন

মোহাম্মদ আমিনুল হক ১৯৮০ সালের ৫ই অক্টোবর তারিখে বাংলাদেশের ঢাকা জন্মগ্রহণ করেছেন এবং সেখানেই তার শৈশব অতিবাহিত করেছেন।

ক্লাব ফুটবল

আমিনুল ১৯৯৪ সালে ঢাকা মোহামেডানের যুব পর্যায়ের হয়ে ফুটবলে অভিষেক করেছিলেন। ঢাকা মোহামেডানের মূল একাদশে স্থান না পাওয়ার কারণে তিনি ফরাশগঞ্জে যোগদান করেন এবং উক্ত ক্লাবের হয়েই তিনি জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের খেলোয়াড়ি জীবন শুরু করেছিলেন। তিনি অনেক ক্লাবের হয়ে খেললেও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের তার খেলোয়াড়ি জীবনের সোনালি সময় কাটিয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধা সংসদের এশিয়ান ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় পর্বে উত্তীর্ণ হওয়ায় তার অনেক অবদান ছিল। ২০০০ সাল হতে ২০০৩ সাল পর্যন্ত সময়ে তার অবদানের জন্য তাকে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কিংবদন্তি বলা হয়। ২০০৪ সালে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব নিউক্যাসেল ইউনাইটেড তার সাথে যোগাযোগ করেছিল। এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, "হ্যাঁ, এমন একটা প্রস্তাব পেয়েছিলাম। কিন্তু যোগাযোগের সমস্যার কারণে চুক্তিটি আর আগায় নি।" ইএসপিএন স্টারের শেবি সিং বলেন, "সে এর থেকে ভালো লিগে খেলার যোগ্য, হয়তো ভালো প্রশিক্ষণসহ ইংল্যান্ডে।" তারপর দুই মৌসুম ব্রাদার্স ইউনিয়নে কাটানোর পর থাকার পর তিনি ঢাকা মোহামেডানে যোগদান করেন। ২০০৭ সালের পুরো মৌসুম তিনি ইঞ্জুরির কারণে খেলতে পারেননি। ২০১০ সালে ১ মৌসুমের জন্য শেখ জামালের হয়ে খেলার পর তার খেলোয়াড়ি জীবনের দেশ দুই বছর ঢাকা মোহামেডানে কাটিয়ে অবসর গ্রহণ করেছেন।

আন্তর্জাতিক ফুটবল

১৯৯৯ সালের ২২শে এপ্রিল তারিখে, মাত্র ১৮ বছর ৬ মাস ১৮ দিন বয়সে, আমিনুল ভারতে বিরুদ্ধে ১৯৯৯ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের হয়ে অভিষেক করেছেন। তিনি উক্ত ম্যাচের মূল একাদশে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। ম্যাচটি ০–০ গোলে ড্র হয়েছিল। বাংলাদেশের হয়ে অভিষেকের বছরে আমিনুল সর্বমোট ২ ম্যাচে অংশগ্রহণ করেছেন। জাতীয় দলের হয়ে অভিষেকের ১১৬ মিনিট পর, বাংলাদেশের জার্সি গায়ে প্রথম গোলটি হজম করেন। ২০১০ সালের ২০শে ফেব্রুয়ারি তারিখে আমিনুল ২৯ বছর বয়সে বাংলাদেশের তার ৫০তম ম্যাচ ও সর্বশেষ ম্যাচটি খেলে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর গ্রহণ করেছিলেন। শ্রীলঙ্কার কলম্বোর সুগাথাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে উক্ত ম্যাচে বাংলাদেশ ৩–০ গোলের ব্যবধানে জয়লাভ করেছিল, ম্যাচটিতে তিনি পূর্ণ ৯০ মিনিট খেলেছেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে, তার প্রায় ১১ বছরের খেলোয়াড়ি জীবনে তিনি সর্বমোট ৫০ ম্যাচে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এছাড়াও তিনি ২টি সাফ গেমস (১৯৯৯ এবং ২০১০) শিরোপা জয়লাভ করেছিলেন। ২০১১ সালে ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের প্রাথমিক পর্বে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলার জন্য বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন তাকে অবসর পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করেছিল। কিন্তু তিনি তার সিদ্ধান্তেই বহাল থাকেন।

📰 সংশ্লিষ্ট সংবাদ

📤 শেয়ার: 📘 Facebook 💬 WhatsApp
🤖