📌 ২০০০ সালের পর প্রথম গ্রীষ্মকালীন সূচির বাইরে অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট খেলার প্রস্তুতিতে ডারউইনের উইকেট প্রস্তুতকারকরা আবহাওয়ার সঙ্গে লড়াই করছেন। ঘাসের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ ও বৃষ্টির প্রভাব মোকাবিলায় তাদের সামনে রয়েছে অনন্য চ্যালেঞ্জ
২০০০ সালের পর প্রথমবারের মতো গ্রীষ্মকালীন সূচির বাইরে টেস্ট ক্রিকেট খেলতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। আগামী মাসে বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে প্যাট কামিন্সের দল। ডারউইন ও ম্যাকাইয়ের মাঠে এই সিরিজ আয়োজনের দায়িত্বে রয়েছেন দুই কিউরেটর জ্যাক পাভলিক ও পিটার কাজাকফ। উইকেট প্রস্তুতিতে তাঁদের সামনে রয়েছে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথমবারের মতো গ্রীষ্মকালীন সূচির বাইরে টেস্ট সিরিজ আয়োজন করতে যাচ্ছে দেশটি
- 📌 ডারউইনের আবহাওয়া অ্যাডিলেডের তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন হওয়ায় উইকেট প্রস্তুতিতে দেখা দিয়েছে অনন্য চ্যালেঞ্জ
- 📌 মার্রারা ওভালের ঘাস বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ ও বৃষ্টির প্রভাব মোকাবিলায় কিউরেটরদের সামনে রয়েছে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা
- 📌 অস্ট্রেলিয়ায় তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রির নিচে নামলে ঘাসের বৃদ্ধি থমকে যায়, যার জন্য গ্রোথ ম্যাট ব্যবহারের প্রয়োজন দেখা দেয়
📰 বিস্তারিত
অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ড আগামী মাসে বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ আয়োজন করতে যাচ্ছে ডারউইন ও ম্যাকাইয়ের মাঠে। এই দুই শহরের আবহাওয়া অ্যাডিলেডের তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন হওয়ায় উইকেট প্রস্তুতকারকদের সামনে দেখা দিয়েছে অনন্য চ্যালেঞ্জ। মার্রারা ওভালের ঘাস বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ ও বৃষ্টির প্রভাব মোকাবিলায় তাঁদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করতে হচ্ছে বলে জানান কিউরেটর জ্যাক পাভলিক।
পাভলিক বলেন, ‘এখানকার উইকেট সব সময় বাড়তেই থাকে। এর সঙ্গে লড়াই করতে হয় বৃষ্টির সঙ্গে। পরিকল্পনা করতে হয় প্রতিনিয়ত। ঘাসের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়। এখানে আগাছা জন্মায়, কিন্তু বেশি হার্বিসাইড স্প্রে করা যায় না, কারণ তা উইকেটের ঘাসকে প্রভাবিত করে। নীতিগুলো এক হলেও চ্যালেঞ্জ সম্পূর্ণ ভিন্ন।’
২০২৪ সালে দায়িত্ব নেয়ার পর পাভলিকের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল মার্রারা ওভালের মাঝখানে অবস্থিত একটি ড্রপ-ইন উইকেট দুই টুকরোয় স্থানান্তর করা। তিনি বলেন, ‘এটি একটি দারুণ ঝামেলার ব্যাপার। পিচগুলোর নিচের অবকাঠামো বেশ পুরনো। এটি কনক্রিটের একটি স্ল্যাব যার ওপর কিছু বালি দেয়া আছে। প্রতি বছরই বিষয়টি একটু কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।’
গত বছর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টির জন্য তৈরি করা উইকেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘গত বছর মানুষ বুঝতেই পারেননি যে এটি একটি স্লিপট উইকেট ছিল। আর সেটাই হলো আমাদের লক্ষ্য।’ অস্ট্রেলিয়ায় তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রির নিচে নামলে ঘাসের বৃদ্ধি থমকে যায় বলে জানান তিনি। এজন্য মাটি গরম রাখতে গ্রোথ ম্যাট ব্যবহারের প্রয়োজন দেখা দেয়।
‘আমরা এগুলো অ্যাডিলেডে পুরোদমে ব্যবহার করি। আমি ভেবেছিলাম এখানে হয়তো কখনো এগুলোর প্রয়োজনই হবে না, তবে বর্তমানে আমরা এমন একটি ভালো তিন মাসের সময়ের মধ্যে আছি যেখানে এগুলো থেকে বেশ ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: অস্ট্রেলিয়া, ডারউইন ও ম্যাকাই
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জ্যাক পাভলিক, পিটার কাজাকফ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২,০০০ (দর্শক ধারণক্ষমতা), ২০ (ডিগ্রি তাপমাত্রা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!