📌 বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) সতর্ক করেছে, এল নিনোর পর লা নিনা আসতে পারে। প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রার পরিবর্তন বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে আবহাওয়ার পরিবর্তন সৃষ্টি করতে পারে। বিজ্ঞানীরা লা নিনার সম্ভাবনা নিয়ে পর্যবেক্ষণ করছেন
বিশ্বের জলবায়ু ব্যবস্থায় নতুন পরিবর্তন আসতে পারে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানিয়েছে, এল নিনোর পর আসতে পারে লা নিনা। এল নিনোকে জলবায়ু ব্যবস্থার উষ্ণ পর্যায় বলা হয়, যেখানে প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্বাঞ্চলে উষ্ণ পানির প্রবাহ বাড়ে। এর বিপরীত পরিস্থিতি হল লা নিনা, যেখানে প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে শক্তিশালী বাণিজ্য বায়ু উষ্ণ পানিকে ঠেলে দেয় এবং দক্ষিণ আমেরিকার উপকূলে শীতল পানি উঠে আসে। এই পরিবর্তন বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত, খরা ও ঝড়ের ধরন বদলে দিতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) সতর্ক করেছে, বর্তমান এল নিনোর প্রভাব ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকতে পারে
- 📌 এল নিনোর পরপরই লা নিনা আসবে, এমন নিশ্চয়তা নেই, তবে সম্ভাবনা রয়েছে
- 📌 প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা পরিবর্তিত হলে ভারতে বৃষ্টিপাত, আফ্রিকায় খরা ও বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে ঝড়ের প্রবণতা বাড়তে পারে
- 📌 এল নিনো ও লা নিনা ‘এল নিনো-সাউদার্ন অসিলেশন’ (এনসো) চক্রের বিপরীত পর্যায়, যা প্রতি ৩ থেকে ৭ বছর পরপর ঘটে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সমুদ্র ও বায়ুমণ্ডলীয় প্রশাসন (এনওএএ) বলেছে, বর্তমান এল নিনো ২০২৭ সালের বসন্তে এনসো-নিরপেক্ষ পরিস্থিতির দিকে যেতে পারে
📰 বিস্তারিত
বিশ্বের জলবায়ু ব্যবস্থায় এল নিনো ও লা নিনা দুটি বিপরীত পরিস্থিতি। এল নিনোতে প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্বাঞ্চলে উষ্ণ পানির প্রবাহ বাড়ে, যা বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও অতিবৃষ্টির কারণ হয়। অন্যদিকে লা নিনায় প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে শক্তিশালী বাণিজ্য বায়ু উষ্ণ পানিকে ঠেলে দেয় এবং দক্ষিণ আমেরিকার উপকূলে শীতল পানি উঠে আসে। এই পরিবর্তন বিশ্বের আবহাওয়ার ধরন বদলে দিতে পারে।
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানিয়েছে, বর্তমান এল নিনো ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রভাব বিস্তার করতে পারে। তবে এল নিনো দুর্বল হওয়ার পর লা নিনা আসতে পারে, তবে এখনো সেটি নিশ্চিত নয়। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সমুদ্র ও বায়ুমণ্ডলীয় প্রশাসন (এনওএএ) বলেছে, বর্তমান এল নিনো ২০২৭ সালের বসন্তে এনসো-নিরপেক্ষ পরিস্থিতির দিকে যেতে পারে। তবে সময়ের সাথে সাথে পূর্বাভাসের অনিশ্চয়তা বাড়বে।
এল নিনো ও লা নিনা ‘এল নিনো-সাউদার্ন অসিলেশন’ (এনসো) চক্রের অংশ। স্প্যানিশ ভাষায় এল নিনো অর্থ ‘ছোট ছেলে’ এবং লা নিনা অর্থ ‘ছোট মেয়ে’। এই দুটি পরিস্থিতির উৎপত্তি প্রশান্ত মহাসাগরে হলেও এর প্রভাব পড়ে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে। প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রার পরিবর্তনের কারণে ভারতে বৃষ্টিপাতের ধরন বদলাতে পারে, আফ্রিকার কোথাও খরা দেখা দিতে পারে, আবার বিশ্বের অন্য অঞ্চলে ঝড়ের প্রবণতা বাড়তে পারে।
"এল নিনোকে জলবায়ু ব্যবস্থার উষ্ণ পর্যায় বলা হয়। এ সময় প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্বমুখী বাণিজ্য বায়ু দুর্বল হয়ে পড়ে, কখনো কখনো এর দিকও পরিবর্তিত হয়। ফলে নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলের দিকে উষ্ণ পানির প্রবাহ বাড়ে। অন্যদিকে এল নিনোর বিপরীত পরিস্থিতি লা নিনা। এ সময় স্বাভাবিকের তুলনায় শক্তিশালী বাণিজ্য বায়ু উষ্ণ পানিকে প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার কাছাকাছি ঠেলে দেয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: প্রশান্ত মহাসাগর, ভারতে, আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিজ্ঞানীরা (ডব্লিউএমও, এনওএএ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রতি ৩ থেকে ৭ বছর পরপর এল নিনো-লা নিনা পরিবর্তন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!