📌 ইয়েমেনের আদেন শহরে হুথীদের মিসাইল ও ড্রোন হামলায় বাসিন্দারা আতঙ্কিত। তারা খাদ্য সংরক্ষণ, পালানোর রুট প্রস্তুত করছেন। হুথিরা সরকারি স্থাপনা, বিমানবন্দর ও বন্দর আক্রমণ করছে
ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলের আদেন শহরে হুথি বিদ্রোহীদের মিসাইল ও ড্রোন হামলা অব্যাহত থাকায় বাসিন্দারা আতঙ্কিত। শহরটিতে সরকারি স্থাপনা, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সামরিক ক্যাম্প, বন্দর ও রাষ্ট্রপতির বাসভবনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হচ্ছে। এই হামলাগুলো আদেনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ভেঙ্গে দিয়েছে এবং বাসিন্দাদের মধ্যে পালানোর প্রস্তুতি নেওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আদেনের বাসিন্দা মোহাম্মদ আব্দুল মালিক বলেছেন, “আমি এবং আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা বেসিক প্রোভিশনস যেমন চিনি ও অন্যান্য খাদ্য সংরক্ষণ শুরু করেছি।”
- 📌 হুথিরা আদেনের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সামরিক ক্যাম্প, বন্দর ও রাষ্ট্রপতির বাসভবনসহ বিভিন্ন স্থানে মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
- 📌 আদেনের বাসিন্দারা পালানোর রুট প্রস্তুত করেছে এবং পরিবারের জন্য জরুরি জ্বালানি ও খাদ্য সংরক্ষণ করেছে।
- 📌 হুথিরা ইয়েমেনের পশ্চিমাঞ্চলে সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে, যা আদেনের জন্য নতুন আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
- 📌 আদেনের বিমানবন্দর হামলায় আক্রান্ত হওয়ায় বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে, যা বাসিন্দাদের আরও আতঙ্কিত করেছে।
📰 বিস্তারিত
মোহাম্মদ আব্দুল মালিক বলেছেন, চার বছর ধরে শান্তি থাকার পর ইয়েমেনের যুদ্ধ আবার শুরু হয়েছে। হুথিরা সেপ্টেম্বর থেকে সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণ শুরু করে। তারা হুদাইদা ও তাইজ প্রদেশের বিভিন্ন এলাকা দখল করেছে, যার মধ্যে রয়েছে মোচা শহর এবং বাব আল-মন্দেব স্ট্রেইট। এই আক্রমণে ইয়েমেনের তৃতীয় বৃহত্তম শহর তাইজের উপর হুথিরা চাপিয়ে দিয়েছে। আদেন শহরটি এ পর্যন্ত যুদ্ধের প্রভাব থেকে কিছুটা দূরে ছিল এবং লক্ষ লক্ষ শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে।
হুথিরা আদেনে মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, যা শহরের শান্তি ভেঙ্গে দিয়েছে। আদেনের বাসিন্দারা পালানোর জন্য রুট প্রস্তুত করেছে এবং পরিবারের জন্য জরুরি জ্বালানি ও খাদ্য সংরক্ষণ করেছে। মোহাম্মদ আব্দুল মালিক বলেছেন, “আমরা শহর থেকে পালানোর রুট নির্ধারণ করেছি। আমার গাড়ি পরীক্ষা করে দেখেছি এবং জরুরি জ্বালানি সংরক্ষণ করেছি। আমি পরিবারকে এক মুহুর্তের মধ্যে পালাতে প্রস্তুত।”
তাইজ শহর থেকে পালিয়ে আসা বন্ধুদের কথা শুনে তিনি আদেনের জন্য নতুন আতঙ্কিত। তিনি বলেছেন, “তাইজে দাম দ্বিগুণ হয়ে গেছে, আদেনেও একইভাবে দাম বাড়তে পারে। যদি আদেনের বন্দর আক্রমণ করা হয়, তাহলে দাম আরো বেড়ে যাবে। আমার কাজের সঙ্গীরা আমার সাথে আলোচনা করে, কী কী কিনতে হবে, কী খাদ্য সংরক্ষণ করতে হবে এবং পালানোর পরিকল্পনা কী হবে।”
আদেনের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হুথিরা মিসাইল ও ড্রোন হামলায় আক্রান্ত করেছে। এই হামলাগুলো বিমান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে, ফলে বিমান সংস্থাগুলো বিমান চলাচল বাতিল বা বিলম্বিত করেছে। বিমানবন্দর আক্রমণের কারণে বাসিন্দারা আরও বেশি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এবং কিছু পরিবার শহর থেকে পালাতে চায়।
"আমি এবং আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা বেসিক প্রোভিশনস যেমন চিনি ও অন্যান্য খাদ্য সংরক্ষণ শুরু করেছি।"
"আমরা শহর থেকে পালানোর রুট নির্ধারণ করেছি। আমার গাড়ি পরীক্ষা করে দেখেছি এবং জরুরি জ্বালানি সংরক্ষণ করেছি। আমি পরিবারকে এক মুহুর্তের মধ্যে পালাতে প্রস্তুত।"
"তাইজে দাম দ্বিগুণ হয়ে গেছে, আদেনেও একইভাবে দাম বাড়তে পারে। যদি আদেনের বন্দর আক্রমণ করা হয়, তাহলে দাম আরো বেড়ে যাবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আদেন, ইয়েমেন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ আব্দুল মালিক, আহমেদ আওয়াদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ (হুথির মিসাইল হামলা), ৪ (বছর শান্তি), ২ (দাম দ্বিগুণ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!