📌 বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানিয়েছে, শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাব ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকতে পারে। এল নিনো দুর্বল হলে প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা পরিবর্তিত হয়ে লা নিনা সৃষ্টি হতে পারে, যা বিশ্বের আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তন আনে
বিশ্বের জলবায়ু ব্যবস্থায় এল নিনো ও লা নিনা দুটি বিপরীত পর্যায়ের প্রভাব এখনো অব্যাহত রয়েছে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) সতর্ক করেছে, বর্তমান এল নিনোর সর্বোচ্চ প্রভাব এখনো আসেনি এবং এর প্রভাব ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এল নিনো দুর্বল হলে প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা পরিবর্তিত হয়ে লা নিনা সৃষ্টি হতে পারে, যা বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানিয়েছে, বর্তমান এল নিনোর প্রভাব ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকতে পারে
- 📌 এল নিনো দুর্বল হলে প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা পরিবর্তিত হয়ে লা নিনা সৃষ্টি হতে পারে
- 📌 এল নিনো ও লা নিনা হলো ‘এল নিনো-সাউদার্ন অসিলেশন’ (এনসো) চক্রের বিপরীত পর্যায়
- 📌 এল নিনোকে জলবায়ু ব্যবস্থার উষ্ণ পর্যায় বলা হয়, যেখানে প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্বাঞ্চলে উষ্ণ পানির প্রবাহ বাড়ে
- 📌 লা নিনায় প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে শক্তিশালী বাণিজ্য বায়ু উষ্ণ পানিকে ঠেলে দেয় এবং দক্ষিণ আমেরিকার উপকূলে শীতল পানি উঠে আসে
- 📌 এল নিনো ও লা নিনার পরিবর্তনের কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি নেই; কখনো একই পরিস্থিতি টানা বছর ধরে থাকতে পারে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সমুদ্র ও বায়ুমণ্ডলীয় প্রশাসন (এনওএএ) বলেছে, বর্তমান এল নিনো ২০২৭ সালের বসন্তে এনসো-নিরপেক্ষ পরিস্থিতির দিকে যেতে পারে
📰 বিস্তারিত
বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে পরিচিত এল নিনো ও লা নিনা। এল নিনোকে জলবায়ু ব্যবস্থার উষ্ণ পর্যায় বলা হয়, যেখানে প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্বমুখী বাণিজ্য বায়ু দুর্বল হয়ে পড়ে এবং নিরক্ষীয় অঞ্চলে উষ্ণ পানির প্রবাহ বাড়ে। এর বিপরীত পরিস্থিতি হলো লা নিনা, যেখানে শক্তিশালী বাণিজ্য বায়ু প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে উষ্ণ পানিকে ঠেলে দেয় এবং দক্ষিণ আমেরিকার উপকূলে শীতল পানি ওপরে উঠে আসে। এই পরিবর্তন বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়ায় বড় প্রভাব ফেলে।
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানিয়েছে, বর্তমান এল নিনো ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রভাবিত থাকতে পারে। তবে এল নিনো দুর্বল হলে প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা পরিবর্তিত হয়ে লা নিনা সৃষ্টি হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সমুদ্র ও বায়ুমণ্ডলীয় প্রশাসন (এনওএএ) বলেছে, এল নিনো ও লা নিনা হলো ‘এল নিনো-সাউদার্ন অসিলেশন’ (এনসো) চক্রের অংশ। এই চক্রে প্রতি ৩ থেকে ৭ বছর পরপর পরিবর্তন ঘটে। তবে পরিবর্তনের কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি নেই।
এনওএএর আবহাওয়াবিদ নাথানিয়েল জনসন বলেছেন, বর্তমান এল নিনো ২০২৭ সালের বসন্তে এনসো-নিরপেক্ষ পরিস্থিতির দিকে যেতে পারে। তবে সময়ের সাথে সাথে পূর্বাভাসের অনিশ্চয়তা বাড়তে পারে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এল নিনো দুর্বল হলে লা নিনা সৃষ্টি হতে পারে, তবে এখনো সেটি নিশ্চিত নয়। প্রশান্ত মহাসাগরের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে বিজ্ঞানীদের।
"এল নিনো ও লা নিনা হলো ‘এল নিনো-সাউদার্ন অসিলেশন’ (এনসো) চক্রের বিপরীত পর্যায়। স্প্যানিশ ভাষায় এল নিনো অর্থ ‘ছোট ছেলে’ এবং লা নিনা অর্থ ‘ছোট মেয়ে’।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: প্রশান্ত মহাসাগর, দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা, ভারত, অস্ট্রেলিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাথানিয়েল জনসন (এনওএএ আবহাওয়াবিদ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রতি ৩ থেকে ৭ বছর পরপর এল নিনো-লা নিনা পরিবর্তন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!