📌 বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত ‘বিস্ময়ের অভিযাত্রী, কাননের কোকিল’ অনুষ্ঠানে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিল্পীরা নাচ, গান ও আবৃত্তির মাধ্যমে সৃজনশীলতা প্রদর্শন করে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহা. হারুন-অর-রশীদ বলেন, সাংস্কৃতিক অধিকার প্রত্যেকের মৌলিক অধিকার
বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক জগতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিল্পীদের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে ‘কাননের কোকিল’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন তারা। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ‘বিস্ময়ের অভিযাত্রী, কাননের কোকিল’ নামক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সোমবার সন্ধ্যায় জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে নাচ, গান ও আবৃত্তির মাধ্যমে নিজেদের সৃজনশীলতা প্রদর্শন করে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিল্পীরা সমগ্র উপস্থাপনা মুগ্ধকর করে তোলে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাংস্কৃতিক অধিকার প্রত্যেকের মৌলিক অধিকার — এই কথা বলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহা. হারুন-অর-রশীদ।
- 📌 অনুষ্ঠানে ১২ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিল্পী অংশ নেন, তাদের মধ্যে ছিলেন আবৃত্তিশিল্পী শাহিন রেজা রাসেল, চুয়াডাঙ্গা জেলা কালচারাল অফিসার সুজন রহমান, শারমিন আক্তার শিকু ও সায়মা শারমিন ইমা।
- 📌 ৫টি নৃত্য ও ৩টি গানের পরিবেশনায় অংশ নেন শিল্পীরা, যার মধ্যে ছিল ‘আমার মনের কোণের বাইরে’, ‘মন আমার দেহ ঘড়ি সন্ধান করি’ ও ‘আমার স্বপ্নগুলো কেন এমন হয়’ গান।
- 📌 অনুষ্ঠানে জাসাসের আহ্বায়ক হেলাল খান ও সরকারি সংগীত কলেজের অধ্যাপক ড. আলেয়া পারভীন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
- 📌 মিলনায়তনে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মো. সাইফুর রহমান (খোকন মাহমুদ)।
📰 বিস্তারিত
‘বিস্ময়ের অভিযাত্রী, কাননের কোকিল’ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের শিক্ষার্থীরা ‘আয় তব সহচরি হাতে হাতে ধরি ধরি’ গানের সঙ্গে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করেন। নৃত্য পরিচালনা করেন মোহাম্মদ হাসান। এরপর আবৃত্তিশিল্পী শাহিন রেজা রাসেল একক আবৃত্তি প্রদর্শন করেন। ল্যাবরেটরি মডেল স্কুলের শিল্পীরা অমিত হাসানের পরিচালনায় ‘এই রাঙামাটির পথে লো’ গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেন।
সুইড বাংলাদেশের শিল্পীরা রেশমী আবেদীন পরিচালনায় ‘মন আমার দেহ ঘড়ি সন্ধান করি’ গানের সঙ্গে নৃত্য প্রদর্শন করেন। একক সংগীত পরিবেশনায় অংশ নেন চুয়াডাঙ্গা জেলা কালচারাল অফিসার সুজন রহমান, যিনি ‘আলগা করো গো খোঁপার বাঁধন’ গানটি পরিবেশন করেন। শারমিন আক্তার শিকু ‘আমার মনের কোণের বাইরে’ এবং সায়মা শারমিন ইমা ‘আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে’ গান পরিবেশন করেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ইনস্পিরেশন ওয়েলফেয়ার সোসাইটির শিল্পীরা রাফিয়া খন্দকার পরিচালনায় ‘বিহুর এ লগন মধুর এ লগন’ গানের সঙ্গে সমবেত নৃত্য প্রদর্শন করেন। শান্ত রহমানের একক সংগীত পরিবেশনায় ‘আমার স্বপ্নগুলো কেন এমন হয়’ গানটি শেষ হয় অনুষ্ঠানের।
"সাংস্কৃতিক অধিকার প্রত্যেক মানুষের মৌলিক অধিকার। এখানে শারীরিক বা মানসিক সীমারেখা থাকা উচিত নয়। বরং সৃজনশীলতা ও প্রতিভা প্রকাশের মাধ্যম হওয়া উচিত তার মূল্যবোধের ভিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র, মিলনায়তন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহা. হারুন-অর-রশীদ (সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব), শাহিন রেজা রাসেল (আবৃত্তিশিল্পী), সুজন রহমান (চুয়াডাঙ্গা জেলা কালচারাল অফিসার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিল্পী, ৫টি নৃত্য, ৩টি একক গান, ২টি সমবেত নৃত্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!