📅 ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১:০৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সিএলসি পরিচালক নিয়োগে হুমকির ঘটনা: শিক্ষককে সরাসরি ফোনে ডরে চাপ দেওয়া

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সিএলসি পরিচালক নিয়োগে হুমকির ঘটনা: শিক্ষককে সরাসরি ফোনে ডরে চাপ দেওয়া

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের নতুন পরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মোস্তফা নাজমুল মানছুরকে যোগদান না করার জন্য হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষক ড. কামরুল হক হামীমের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ রেখেছেন মানছুর। উপাচার্য তদন্তের কথা বলেছেন

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউট (সিএলসি) পরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মোস্তফা নাজমুল মানছুরকে যোগদান না করার জন্য হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষক ড. মোহাম্মদ কামরুল হক হামীমের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ রেখেছেন মানছুর। সোমবার (২ নভেম্বর) অফিস আদেশে মানছুরকে পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলেও, তাকে সরাসরি ফোন করে যোগদান না করার জন্য হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএলসি পরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মোস্তফা নাজমুল মানছুরকে যোগদান না করার জন্য হুমকি দেওয়া হয়েছে
  • 📌 শিক্ষক ড. কামরুল হক হামীমের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ রেখেছেন মানছুর, যিনি সরাসরি ফোন করে বলেছেন: *'যোগদান করলে সমস্যা হবে'*
  • 📌 মানছুর উপাচার্যের কাছে নিয়োগের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছেন
  • 📌 উপাচার্য ড. নুরুল ইসলাম বলেছেন, হুমকির ঘটনাটি 'অত্যন্ত দৃষ্টিকটু' এবং তদন্তের ব্যবস্থা নেওয়া হবে
  • 📌 ড. কামরুল হক হামীম বলেছেন, তুলনামূলক সাহিত্য অত্যন্ত জটিল বিষয়, তাই অন্য বিভাগের শিক্ষককে পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া 'দুর্ঘটনার আশঙ্কা' সৃষ্টি করতে পারে

📰 বিস্তারিত

অধ্যাপক ড. মোস্তফা নাজমুল মানছুর বলেছেন, তিনি এখনো পর্যন্ত অফিসিয়াল নিয়োগপত্র পাননি। তিনি জানান, এ বিষয়ে ইনস্টিটিউটের এক শিক্ষক তাকে যোগাযোগ না করার জন্য থ্রেট দিয়েছেন। মানছুরের মতে, "কোনো শিক্ষকের কোনো বিষয়ে আপত্তি থাকলে তা প্রশাসনকে জানানো উচিত। উনি আমাকে সরাসরি ফোন করে কীভাবে? এই অধিকার তো ওই শিক্ষকের নেই। তিনি এ ঘটনাকে আমি হুমকি হিসেবে দেখছি এবং এটা আমার জন্য বিব্রতকর মনে হচ্ছে।"

অধ্যাপক মানছুরের নিয়োগের প্রতিবাদে শিক্ষক ড. কামরুল হক হামীম শিক্ষার্থীদের নিয়ে রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে গিয়ে প্রশাসনের সাথে দেখা করেছেন। তিনি শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রতিবাদও জানিয়েছেন। উপাচার্য ড. নুরুল ইসলাম বলেছেন, "একটু আগে বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত হয়েছি। একজন শিক্ষক হয়ে আরেকজন শিক্ষককে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত দৃষ্টিকটু। এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

ড. কামরুল হক হামীমের মতে, তিনি ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে নিয়মানুযায়ী এ বিষয়ে মতামত দিতে পারতেন। তিনি বলেন, "অন্য বিভাগের একজন শিক্ষককে এ ইনস্টিটিউটের পরিচালকের দায়িত্ব দিলে একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তুলনামূলক সাহিত্য অত্যন্ত জটিল সাবজেক্ট।"

মন্তব্য করা যায়, ড. কামরুল হক হামীম পূর্বে আওয়ামীপন্থী শিক্ষক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের একটি অংশ এখনো সক্রিয় থেকে প্রশাসনিক কাজে বাধা সৃষ্টি এবং শিক্ষার্থীদের উসকে দিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করা হয়।

"আমি এখনো পর্যন্ত অফিসিয়ালি কোনো চিঠি পাইনি। এর আগেই ওই ইনস্টিটিউটের এক শিক্ষক আমাকে যোগাযোগ না করার জন্য থ্রেট দিয়েছেন। আমাকে বলা হয়, 'যোগদান করলে সমস্যা হবে।'"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউট (সিএলসি)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ড. মোস্তফা নাজমুল মানছুর, ড. মোহাম্মদ কামরুল হক হামীম, উপাচার্য ড. নুরুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ নভেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖