📌 মৎস্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন নদী ও উপকূলীয় অঞ্চলে হেলিকপ্টার দিয়ে নজরদারি চালিয়েছে। নাইট ভিশন গগলস ও সার্চলাইট ব্যবহার করে মা ইলিশ শিকার নিষিদ্ধ করার প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে
বাংলাদেশ বিমানবাহিনী মা ইলিশের প্রজননকে নিরাপদ রাখতে আকাশপথে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালিয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে পরিচালিত ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান–২০২৬’-এর অংশ হিসেবে গত ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদী ও উপকূলীয় অঞ্চলে বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার দিয়ে নজরদারি মিশন পরিচালনা করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ধরে বিমানবাহিনী হেলিকপ্টার দিয়ে নজরদারি চালায়
- 📌 ঢাকা থেকে মাদারীপুর, শরীয়তপুর, মুন্সীগঞ্জ, বরিশাল ও ভোলা; চট্টগ্রাম থেকে কুতুবদিয়া; খুলনা থেকে বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলার নদী ও উপকূলে অভিযান পরিচালিত হয়
- 📌 উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সার্চলাইট ও নাইট ভিশন গগলস ব্যবহার করে রাতের অন্ধকারেও মাছ ধরার নৌযান পর্যবেক্ষণ করা হয়
- 📌 মা ইলিশ শিকার নিষিদ্ধ করার প্রচেষ্টায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও মৎস্য অধিদপ্তরের সাথে সমন্বয় রক্ষা করা হয়
- 📌 প্রশিক্ষণ ফ্লাইটের মাধ্যমে উপকূলীয় অঞ্চলে নিচ দিয়ে উড্ডয়নের মাধ্যমে নজরদারি অব্যাহত রাখা হয়
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ বিমানবাহিনী মা ইলিশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) পর্যন্ত আকাশপথে নজরদারি মিশন সম্পন্ন করেছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে পরিচালিত এই অভিযান ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান–২০২৬’ নামে পরিচিত। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) তাদের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এই অভিযানে ঢাকা থেকে মাদারীপুর, শরীয়তপুর, মুন্সীগঞ্জ, বরিশাল ও ভোলা জেলার নদীগুলোয় বিশেষ নজরদারি চালানো হয়। এছাড়াও চট্টগ্রাম থেকে কুতুবদিয়া এবং খুলনা থেকে বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলার নদী ও উপকূলীয় অঞ্চলে অভিযান পরিচালিত হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, হেলিকপ্টার থেকে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সার্চলাইট (নাইট সান) জ্বালিয়ে মাছ ধরার নৌযানকে সতর্ক করা হয়। বিশেষ করে ঢাকা থেকে মাদারীপুর ও শরীয়তপুরের নদীগুলোয় টহল দেওয়ার সময় মাছ ধরার কিছু নৌযান চোখে পড়লে হেলিকপ্টার থেকে তাদের সতর্ক করা হয়। এছাড়াও, বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারগুলোতে নাইট ভিশন গগলস (এনভিজি) ব্যবহার করে রাতের অন্ধকারেও মা ইলিশ শিকারের নিষিদ্ধ কার্যক্রম শনাক্ত করা হয়।
আকাশ থেকে ভূমিতে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় রেখে এই অভিযান পরিচালিত হয়। আইএসপিআর জানায়, নিয়মিত নজরদারি ছাড়াও দেশের বিভিন্ন বিমানঘাঁটি থেকে পরিচালিত প্রশিক্ষণ ফ্লাইটের অংশ হিসেবে উপকূলীয় অঞ্চলে নিচ দিয়ে উড্ডয়নের (লো-লেভেল ফ্লাইট) মাধ্যমে নজরদারি বজায় রাখা হয়েছে।
"ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা ও জাতীয় স্বার্থে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, মুন্সীগঞ্জ, ভোলা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, কুতুবদিয়া
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা ও বৈমানিক, মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ দিন (৮ থেকে ২৯ অক্টোবর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!