📌 গাজার ১৪ বছর বয়সী মুহান্নাদ আল-হুসনি অনাবাসিক পদ্ধতিতে মাত্র ২৬ দিনে পবিত্র কোরআন হিফজ করেছেন। তিনি প্রতিদিন ২৫ পৃষ্ঠা মুখস্থ করে এই কীর্তি অর্জন করেছেন। গাজার শরণার্থীশিবিরের মসজিদে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে তিনি এই লক্ষ্য অর্জন করেছেন
গাজার একটি শরণার্থীশিবিরের ১৪ বছর বয়সী কিশোর মুহান্নাদ আল-হুসনি অনাবাসিক পদ্ধতিতে মাত্র ২৬ দিনে পবিত্র কোরআনের হিফজ সম্পন্ন করেছেন। এই কীর্তি অর্জনের মাধ্যমে তিনি বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। আলজাজিরা সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মুহান্নাদ রমজান মাসে এই অর্জন করেছেন। প্রতিদিন তিনি অন্তত ২৫ পৃষ্ঠা কোরআন মুখস্থ করতেন, যার ফলে মাত্র ২৬ দিনেই তিনি পবিত্র গ্রন্থের হিফজ সম্পন্ন করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজার জাবালিয়া শরণার্থীশিবিরের ১৪ বছর বয়সী মুহান্নাদ আল-হুসনি মাত্র ২৬ দিনে পবিত্র কোরআন হিফজ করেছেন
- 📌 প্রতিদিন তিনি ২৫ পৃষ্ঠা কোরআন মুখস্থ করতেন, যা তাকে মাত্র ২৬ দিনে হিফজ সম্পন্ন করতে সাহায্য করেছিল
- 📌 তিনি ২০১৫ সালে ‘আন-নুখবা’ নামের গ্রীষ্মকালীন হিফজ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন
- 📌 গাজার দারুল কোরআন ওয়াস সুন্নাহ অ্যাসোসিয়েশন পরিচালিত এই কর্মসূচিতে ১৫০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৫ জনকে বাছাই করা হয়েছিল
- 📌 বর্তমানে গাজার ৭৭৬টি হিফজকেন্দ্রে ২২ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে
📰 বিস্তারিত
মুহান্নাদ আল-হুসনি গাজার উত্তরাঞ্চলের জাবালিয়া শরণার্থীশিবিরের ‘আল-আওদাহ ইলাল্লাহ’ মসজিদে অংশগ্রহণকারী ছিলেন। তিনি প্রতিদিন ফজরের নামাজের পর থেকে আসরের নামাজ পর্যন্ত চলতো এই কর্মসূচিতে। মুহান্নাদ বলেছেন, তিনি খুব সহজেই পবিত্র কোরআন মুখস্থ করেছেন এবং কোনো অসুবিধা হয়নি তার। তিনি বলেন, ‘আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং কোরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন পরিচালনার জন্যই আমি কোরআন মুখস্থ করেছি। কোরআন আমাদের সবার জীবনবিধান। তাই আমাদের উচিত একে আঁকড়ে ধরা, মুখস্থ করা এবং জীবনে বাস্তবায়ন করা।’
গাজার হিফজ কার্যক্রমের তত্ত্বাবধায়ক ও আল-আওদাহ মসজিদের ইমাম শায়খ সুহাইব আল-কাহলুত জানান, মসজিদে নিয়মিত হিফজ করা ১৫০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৫ জনকে বাছাই করা হয়েছিল। তিনি আরও উল্লেখ করেন, গাজার হিফজ কার্যক্রমগুলো অর্থায়ন ও শিক্ষকদের সম্মানীর ক্ষেত্রে সঙ্কটে রয়েছে। দীর্ঘদিনের অবরোধের কারণে স্থানীয় উদ্যোগ ও অনুদানের ওপর নির্ভর করেই এসব কার্যক্রম চলছে।
গাজার উত্তরাঞ্চলে দারুল কোরআন ওয়াস সুন্নাহ অ্যাসোসিয়েশন পরিচালিত ৭৭৬টি হিফজকেন্দ্রে বর্তমানে ২২ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। হিফজ শেষ করার পর, সেগুলো আরো ইয়াদ বা পাকাপোক্ত করতে নবীন হাফেজদের ‘হুফফাজ ফোরাম’-এ যুক্ত হয়। বর্তমানে এই ফোরামে নিয়মিত অংশ নিচ্ছে ১ হাজার ৭০০-এর বেশি শিক্ষার্থী।
"আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং কোরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন পরিচালনার জন্যই আমি কোরআন মুখস্থ করেছি। কোরআন আমাদের সবার জীবনবিধান। তাই আমাদের উচিত একে আঁকড়ে ধরা, মুখস্থ করা এবং জীবনে বাস্তবায়ন করা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজার জাবালিয়া শরণার্থীশিবির, আল-আওদাহ ইলাল্লাহ মসজিদ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুহান্নাদ আল-হুসনি (১৪ বছর), ইমাম শায়খ সুহাইব আল-কাহলুত
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ দিনে হিফজ সম্পন্ন, ২৫ পৃষ্ঠা দৈনিক, ১৫০ শিক্ষার্থী, ১৫ জন বাছাই, ৭৭৬টি হিফজকেন্দ্র, ২২ হাজার শিক্ষার্থী, ১ হাজার ৭০০ হাফেজ ফোরামে অংশগ্রহণকারী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!