📌 সিরাজগঞ্জে তীব্র গরম ও আবহাওয়ার পরিবর্তনে হাম ও ডেঙ্গু সংক্রমণ বেড়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে নির্ধারিত শয্যার তুলনায় রোগী বেশি হওয়ায় মেঝেতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত ১২ জন ও ডেঙ্গুতে ২৭ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন
সিরাজগঞ্জে তীব্র গরম ও পরিবর্তিত আবহাওয়ার কারণে হাম ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে নির্ধারিত শয্যার তুলনায় রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় অনেককে হাসপাতালের ওয়ার্ডের মেঝেতে রেখেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু ওয়ার্ডে রোগীর চাপ বৃদ্ধির কারণে চিকিৎসক ও নার্সদের অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিরাজগঞ্জে হাম ও ডেঙ্গু সংক্রমণ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে
- 📌 সরকারি হাসপাতালগুলোতে নির্ধারিত ২৫০ শয্যার তুলনায় রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় মেঝেতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে
- 📌 গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে ১২ জন ও ডেঙ্গুতে ২৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন
- 📌 বর্তমানে হামে আক্রান্ত রয়েছেন ২৮ জন ও ডেঙ্গুতে ৭২ জন
- 📌 এ পর্যন্ত হামে সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ২ হাজার ৩১ জন ও ডেঙ্গুতে ৭৪৮ জন
📰 বিস্তারিত
সিরাজগঞ্জ জেলায় তীব্র গরম ও পরিবর্তিত আবহাওয়ার কারণে হাম, ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে নির্ধারিত শয্যার তুলনায় রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় অনেককে হাসপাতালের ওয়ার্ডের মেঝেতে রেখেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু ওয়ার্ডে রোগীর চাপ বৃদ্ধির কারণে চিকিৎসক ও নার্সদের অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হচ্ছে। একই সঙ্গে একই শয্যায় একাধিক রোগীকে সামাল দিতে হচ্ছে বলে জানা গেছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক শিশুর মা সালেহা বেগম বলেন, ‘শিশুর কয়েকদিন ধরে জ্বর ও শরীর খারাপ ছিল। স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করিয়েছি। পরে অবস্থা ভালো না হওয়ায় হাসপাতালে নিয়ে আসি। এখানে এসে দেখি অনেক রোগী। বেড খালি না থাকায় মেঝেতেও রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে। আমাদেরও বেশ কষ্ট হচ্ছে, তবে চিকিৎসকরা নিয়মিত রোগী দেখছেন।’
সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হন ১২ জন। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে হাম আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২৮ জন। এ পর্যন্ত চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ হাজার ৩১ জন। অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হন ২৭ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭২ জন। এ পর্যন্ত ডেঙ্গুর চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭৪৮ জন।
‘অতিরিক্ত রোগীর চাপের কারণে চিকিৎসক ও নার্সদের বাড়তি পরিশ্রম করতে হচ্ছে। সীমিত জনবল ও অবকাঠামোর মধ্যেই রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। তবে রোগীদের চিকিৎসায় কোনো ধরনের ঘাটতি রাখা হচ্ছে না।’ — ডা. এ টি এম নুরুজ্জামান, পরিচালক, সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জ জেলা
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: সালেহা বেগম, ডা. এ টি এম নুরুজ্জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০ শয্যা, ১২ জন (হাম), ২৮ জন (হাম), ২৭ জন (ডেঙ্গু), ৭২ জন (ডেঙ্গু), ২ হাজার ৩১ জন (হাম সুস্থ), ৭৪৮ জন (ডেঙ্গু সুস্থ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!