📅 ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ওষুধের দাম ও উৎপাদন ভারসাম্যে নতুন নীতির দাবি বিশেষজ্ঞদের

ওষুধের দাম ও উৎপাদন ভারসাম্যে নতুন নীতির দাবি বিশেষজ্ঞদের

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রোগীর নাগালে ওষুধ রাখতে দাম নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের টেকসইতাও নিশ্চিত করতে হবে বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ঢাকায় আয়োজিত এক সংলাপে তারা ওষুধনীতি সংস্কারের তাগিদ দেন

রোগীর সাশ্রয়ী মূল্যে ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করতে দাম নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর টেকসইতা রক্ষায় ভারসাম্যপূর্ণ নীতিমালা প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, শুধু দাম কমিয়ে দিলে বাজারে ওষুধের সংকট দেখা দিতে পারে। আবার দাম বেশি হলে রোগীর চিকিৎসা ব্যয় বৃদ্ধি পায়। তাই দুই পক্ষের স্বার্থ বিবেচনায় রেখে নতুন ওষুধনীতি প্রণয়ন জরুরি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৯৯৪ সাল থেকে ১১৭টি ওষুধের দাম নির্ধারণে ব্যবহৃত ফর্মুলা ১৯৮২ সালের বাস্তবতায় তৈরি
  • 📌 ২০১৬ সালে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ১১৭ থেকে বাড়িয়ে ২৮৫টি করা হলেও নতুন ওষুধগুলো পুরোনো মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থার আওতায় আসেনি
  • 📌 বাংলাদেশের মানুষের স্বাস্থ্য ব্যয়ের ৭০ শতাংশ নিজস্ব পকেট থেকে আসে, যার মধ্যে ৬০ শতাংশ ব্যয় হয় ওষুধ ক্রয়ে
  • 📌 ওষুধের দাম নির্ধারণে প্রতিবছর মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় জরুরি বলে মত দিয়েছেন অধ্যাপক সৈয়দ আবদুল হামিদ
  • 📌 ওষুধ প্রশাসনকে আরও পেশাদার ও শক্তিশালী করার পাশাপাশি অনৈতিক বিপণন বন্ধের তাগিদ জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খানের

📰 বিস্তারিত

রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত ‘রোগীর নাগালে ওষুধ, উৎপাদকের টেকসইতা: ভারসাম্যপূর্ণ ওষুধনীতির সন্ধানে’ শীর্ষক নীতি সংলাপে অংশগ্রহণকারীরা ওষুধের দাম ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বিদ্যমান সমস্যার সমাধানে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের ওপর জোর দেন। সংলাপে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব হেলথ ইকোনমিকসের অধ্যাপক সৈয়দ আবদুল হামিদ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি উল্লেখ করেন, উৎপাদন, জ্বালানি, পরিবহন ও গবেষণার ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ওষুধের দাম নির্ধারণের ফর্মুলাও পরিবর্তন করা প্রয়োজন।

অধ্যাপক হামিদ বলেন, "১৯৯৪ সাল থেকে ব্যবহৃত ফর্মুলা ১৯৮২ সালের বাস্তবতায় তৈরি। এখন উৎপাদন ব্যয় বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, কিন্তু ফর্মুলার মার্কআপ পরিবর্তন করা হয়নি। ফলে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো টিকে থাকতে হিমশিম খাচ্ছে। আবার দাম বেশি হলে রোগীর চিকিৎসা ব্যয় অসহনীয় হয়ে ওঠে। তাই দুই পক্ষের স্বার্থ বিবেচনায় ভারসাম্যপূর্ণ নীতিমালা প্রয়োজন।"

তিনি আরও বলেন, "বাংলাদেশের মানুষের স্বাস্থ্য ব্যয়ের ৭০ শতাংশ নিজস্ব পকেট থেকে আসে। এর মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ ব্যয় হয় ওষুধ ক্রয়ে। তাই ওষুধের দাম কমানোর পাশাপাশি অযৌক্তিক ওষুধ ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। সরকারি হাসপাতালে ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে।"

জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান বলেন, ওষুধের দাম ও সংকট নিয়ে শুধু উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে দোষারোপ করলে সমস্যার সমাধান হবে না। তিনি বলেন, "প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকতে কোম্পানিগুলোকে বিভিন্নভাবে কাজ করতে হয়। সরকারের দায়িত্ব হলো ওষুধ সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করা। একই সঙ্গে ওষুধ প্রশাসনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।"

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ বলেন, "সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ওষুধ মানুষের কাছে সহজলভ্য করতে হবে। ২০৩০ সালের পর মেধাস্বত্বের কারণে ওষুধের খরচ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই এখন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি।"

"ওষুধের দাম এমন হওয়া দরকার, যাতে উৎপাদন খরচ উঠে আসে এবং কোম্পানিগুলো যুক্তিসংগত মুনাফা অর্জন করতে পারে।" — অধ্যাপক সৈয়দ আবদুল হামিদ

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তন, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক সৈয়দ আবদুল হামিদ, জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান, মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ শতাংশ, ৬০ শতাংশ, ১১৭টি, ২৮৫টি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖