📌 রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকসহ চারজনকে হত্যার ঘটনায় ইয়াবা সেবনের প্রভাব উঠে এসেছে। খুনিরা হত্যার পর ডাকাতির নাটক সাজিয়েছিল বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। ঘটনার তদন্তভার ডিবিতে স্থানান্তরিত হয়েছে এবং পুলিশ কমিশনার বদলি করা হয়েছে
রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনায় ইয়াবা সেবনের প্রভাব উঠে এসেছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, খুনিরা হত্যার আগে ও পরে মোট নয় পিস ইয়াবা সেবন করেছিল। ঘটনার পর ডাকাতির নাটক সাজিয়ে তারা পালিয়ে যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে খুনিরা মোট নয় পিস ইয়াবা সেবন করেছিল
- 📌 গণপতি চক্রবর্তীসহ চারজনকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়
- 📌 হত্যার পর খুনিরা ডাকাতির নাটক সাজিয়ে পালিয়ে যায়
- 📌 ঘটনার তদন্তভার ডিবিতে স্থানান্তরিত হয়েছে এবং পুলিশ কমিশনার বদলি করা হয়েছে
- 📌 ময়নাতদন্তে চারজনের মৃত্যু শ্বাসরোধে হয়েছে বলে প্রমাণিত হয়েছে
📰 বিস্তারিত
রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনায় পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে আসামি সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ মোট নয় পিস ইয়াবা সেবন করেছিল। তারা প্রতিবেশী দেবুদের তিনতলা নির্মাণাধীন বাড়ির ছাদ দিয়ে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে প্রবেশ করে। সেখানে ইয়াবা সেবন করতে করতে ভোর হয়ে গেলে গণপতি চক্রবর্তী তাদের ধমক দেন। মানসম্মানের ভয়ে তারা তার গলায় গামছা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে স্ত্রী প্রীতিলতা ও মেয়ে আগামীকে হত্যা করা হয়। শিশু প্রিয়মকেও হত্যা করা হয় কারণ সে খুনিদের চিনতে পেরেছিল।
হত্যার পর খুনিরা বৈদ্যুতিক মিটারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে সিসি ক্যামেরার সন্দেহ দূর করে। তারা বাড়ির ওয়াশরুমে গোসল করে এবং আরও এক পিস ইয়াবা সেবন করে। ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে তারা ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো করে এবং কিছু স্বর্ণালংকার ও ১৫ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. বাবলু কিশোর বিশ্বাস জানান, চারজনের মৃত্যু শ্বাসরোধে হয়েছে। কারও চোয়াল ভাঙা বা চোখ বের হওয়ার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। ধর্ষণেরও কোনো প্রাথমিক আলামত পাওয়া যায়নি।
ঘটনার তদন্তভার ডিবিতে স্থানান্তরিত করা হয়েছে এবং রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আব্দুল মাবুদকে বদলি করে নতুন কমিশনার হিসেবে বিশেষ শাখার ডিআইজি মাহবুবুর রশিদকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
"দুই মাদকসেবী কীভাবে পরপর চারজনকে হত্যা করে শান্ত মাথায় গোসল করে খাবার খেতে পারে? এটি বিশ্বাসযোগ্য নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মাছুয়াপাড়া, রংপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গণপতি চক্রবর্তী, সিদ্ধার্থ, মুগ্ধ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন নিহত, নয় পিস ইয়াবা, ১৫ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!