📌 সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় অভিজ্ঞ সার্জন ও অধ্যাপক থাকলেও দীর্ঘমেয়াদি ভিশনারি পরিকল্পনার অভাব রয়েছে। তিনি কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের ৪৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে জোর দিয়েছেন রোগী সেবা ও চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতির জন্য সময়োপযোগী পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা
বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় অভিজ্ঞ সার্জন ও উচ্চশিক্ষিত অধ্যাপকদের উপস্থিতি থাকলেও দীর্ঘমেয়াদি ভিশনারি পরিকল্পনার অভাব রয়েছে। এই বিষয়ে সতর্ক করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, হৃদরোগের চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের দক্ষতা পুরোপুরি কাজে লাগাতে সময়োপযোগী ও বাস্তবমুখী পরিকল্পনার প্রয়োজন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউটে কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের ৪৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বক্তব্য দেন
- 📌 বাংলাদেশে ১৯৮১ সালের ১৮ই সেপ্টেম্বর প্রথম সফল ওপেন-হার্ট সার্জারি সম্পন্ন হয়
- 📌 বর্তমানে বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার প্রয়োজন কমলেও দেশীয় চিকিৎসকদের দক্ষতা পুরোপুরি কাজে লাগাতে পরিকল্পনা প্রয়োজন
- 📌 প্রতিটি হাসপাতালে ২৪/৭ ইমার্জেন্সি সার্ভিস চালু রাখা আবশ্যক, যেখানে রোগী পৌঁছানোর ২ ঘণ্টার মধ্যে প্রাথমিক ওয়ার্কআপ ও ৬ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসা সিদ্ধান্ত নিতে হবে
- 📌 বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য বাজেট দ্বিগুণ করেছে এবং অর্থ ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেছেন
📰 বিস্তারিত
সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউটে কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের ৪৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় অভিজ্ঞ সার্জন ও উচ্চশিক্ষিত অধ্যাপকদের উপস্থিতি থাকলেও একটি সুনির্দিষ্ট দীর্ঘমেয়াদি ভিশনারি প্ল্যানিংয়ের ঘাটতি রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, হৃদরোগের প্রকোপ ক্রমাগত বাড়লেও বর্তমানে উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত হওয়ায় রোগীদের আর বিদেশে পাড়ি জমাতে হচ্ছে না।
মন্ত্রী বলেন, দেশীয় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দক্ষতা ও সক্ষমতাকে পুরোপুরি কাজে লাগিয়ে চিকিৎসাসেবার সামগ্রিক আউটপুট বহুগুণ বাড়াতে সময়োপযোগী ও বাস্তবমুখী পরিকল্পনার কোনো বিকল্প নেই। তিনি জোর দেন, রোগীদের জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে প্রতিটি হাসপাতালে ২৪/৭ ইমার্জেন্সি সার্ভিস চালু রাখা আবশ্যক। যেখানে রোগী পৌঁছানোর ২ ঘণ্টার মধ্যে প্রাথমিক ওয়ার্কআপ সম্পন্ন করে ৬ ঘণ্টার মধ্যে চূড়ান্ত চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার চিকিৎসা ও শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে স্বাস্থ্য বাজেটের পরিমাণ দ্বিগুণ করেছে। তিনি বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যবহারের ক্ষেত্রে শতভাগ স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিতের নির্দেশ দিয়েছেন। চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও মাসিক ভাতা বাড়ানোর গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি মনে করেন, সঠিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে দেশের সাধারণ মানুষ প্রতিটি মুহূর্তে যথাযথ চিকিৎসা পাবে।
"রোগীদের জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে প্রতিটি হাসপাতালে ২৪/৭ ইমার্জেন্সি সার্ভিস চালু রাখা আবশ্যক। যেখানে রোগী পৌঁছানোর ২ ঘণ্টার মধ্যে প্রাথমিক ওয়ার্কআপ সম্পন্ন করে ৬ ঘণ্টার মধ্যে চূড়ান্ত চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ বছর (কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের পূর্তি), ১৮ সেপ্টেম্বর (তারিখ), ২৪/৭ (ইমার্জেন্সি সার্ভিস), ২ ঘণ্টা (প্রাথমিক ওয়ার্কআপ), ৬ ঘণ্টা (চূড়ান্ত চিকিৎসা সিদ্ধান্ত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!