📅 ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৪১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ডেঙ্গু রোগীর জমানো টাকা শেষ, ধার নিয়ে চট্টগ্রামে মেঝেতে চিকিৎসা

ডেঙ্গু রোগীর জমানো টাকা শেষ, ধার নিয়ে চট্টগ্রামে মেঝেতে চিকিৎসা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী বেলায়েত হোসেনের জমানো টাকা শেষ হয়ে আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধার নিয়ে চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন; শয্যা না পেয়ে মেঝেতে শোয়েছেন

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী বেলায়েত হোসেন (৩৮) শয্যা না পেয়ে মেঝেতে শোয়েছেন। রোগের শুরুর সময় নিজের জমানো টাকা ব্যবহার করে চিকিৎসা চালিয়ে গেছেন, তবে এখন আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধার নিতে বাধ্য হয়েছেন। তার স্ত্রী আসমা বেগম ও ১৪ মাসের সন্তানও একই সময়ে হাসপাতালে আছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বেলায়েত হোসেন (৩৮) ডেঙ্গু আক্রান্ত, শয্যা না পেয়ে মেঝেতে শোয়েছেন।
  • 📌 চিকিৎসার শুরুতে নিজের জমানো টাকা ব্যবহার করেছেন; এখন আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধারকর্জ করতে বাধ্য হয়েছেন।
  • 📌 চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ডে ৪০টি শয্যা থাকা সত্ত্বেও, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত ৭৮ জন রোগী ভর্তি ছিলেন, ফলে ৩৮ জন মেঝেতে শোয়েছেন।
  • 📌 ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা প্রতিদিন ১৫ থেকে ৩০ জন, এবং ৭ আগস্ট ফেনী সদর থেকে মোহাম্মদ আবুল হাসেম (৫০) চট্টগ্রামে ভর্তি হয়েছেন।

📰 বিস্তারিত

বেলায়েত হোসেন ফেনী সদর এলাকার বাসিন্দা, ফেনীর একটি দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করেন এবং স্বল্প আয়ে পরিবারের ভরণপোষণ করেন। চার দিন আগে ডেঙ্গু শনাক্ত হওয়ার পর ফেনীর বেসরকারি হাসপাতালে তিন দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর চট্টগ্রামে ভর্তি হন। গত বুধবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হলেও শয্যা না থাকায় মেঝেতে শোয়েছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বেলায়েতের সঙ্গে কথা হয়। তিনি বলেন, ‘চিকিৎসার শুরুতে নিজের জমানো টাকা থেকে খরচ করেছি। পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও অন্যান্য খরচ চালাতে গিয়ে বাধ্য হয়ে আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধারকর্জ করতে হচ্ছে।’ তার স্ত্রী আসমা বেগম যোগ করেন, ‘বাধ্য হয়ে ধারকর্জ করতে হচ্ছে। বুধবার সন্ধ্যা থেকে হাসপাতালে আছি। এখনো শয্যা পাইনি। তাই মেঝেতেই থাকতে হচ্ছে। চিকিৎসকেরা নিয়মিত আসছেন। এখন আগের চেয়ে কিছুটা ভালো আছে।’

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের কনসালট্যান্ট ও ডেঙ্গুর ফোকাল পারসন নূর মোহাম্মদ জানান, ‘আগে জ্বর কমে যাওয়ার পর রোগীর জটিলতা বাড়ত। এখন জ্বর থাকা অবস্থাতেই অনেকের জটিলতা বাড়ছে। জ্বর কমে গেলেই রোগী ঝুঁকিমুক্ত—এমনটি ভাবার সুযোগ নেই। বরং জ্বরের সময় বা জ্বর কমার পর রোগীর অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে কি না, তা গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।’

"চিকিৎসার শুরুতে নিজের জমানো টাকা থেকে খরচ করেছি। পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও অন্যান্য খরচ চালাতে গিয়ে বাধ্য হয়ে আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধারকর্জ করতে হচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বেলায়েত হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০টি শয্যা, ৭৮ জন রোগী, ৩৮ জন মেঝেতে, ১৫ থেকে ৩০ জন দৈনিক ভর্তি, ৭ আগস্ট, ৫০ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖