📅 ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে গ্যাপ পদ্ধতিতে বিষমুক্ত করলা চাষ, বাজারে দাম কমে কৃষকদের হতাশা

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে গ্যাপ পদ্ধতিতে বিষমুক্ত করলা চাষ, বাজারে দাম কমে কৃষকদের হতাশা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে গ্যাপ পদ্ধতিতে বিষমুক্ত করলা চাষ করে সাড়া ফেলেছেন দুই কৃষক, কিন্তু বাজারে প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় গ্যাপ পদ্ধতিতে বিষমুক্ত করলা চাষ করে সাড়া ফেলেছেন দুই কৃষক দবির উদ্দিন ফারাজী ও আবদুল বারী। তাঁরা তিন বিঘা জমিতে আলিসা জাতের করলা চাষ করেছেন। গত ১০ দিনে তাঁরা ২ হাজার ২০০ কেজি করলা বিক্রি করেছেন। স্থানীয় বাজারে পাইকারি দর ছিল প্রতি কেজি ৩০–৫৫ টাকা। এতে ৬৫–৭০ হাজার টাকা আয় হয়েছে তাঁদের।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কুমারখালী উপজেলায় গ্যাপ পদ্ধতিতে বিষমুক্ত করলা চাষ করেছেন দবির উদ্দিন ফারাজী ও আবদুল বারী
  • 📌 গত ১০ দিনে ২ হাজার ২০০ কেজি করলা বিক্রি, পাইকারি দর প্রতি কেজি ৩০–৫৫ টাকা
  • 📌 গত বছর এ সময়ে প্রতি কেজি করলা ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল, বর্তমানে দাম কমে ৩০–৫৫ টাকা
  • 📌 বিষমুক্ত সবজির আলাদা বাজার বা হাট নেই, ফলে সমান দামে বিক্রি হওয়ায় লাভবান হতে পারছেন না কৃষকরা

📰 বিস্তারিত

কুমারখালী উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ধলনগর গ্রামের দবির উদ্দিন ফারাজী ও আবদুল বারী গ্যাপ পদ্ধতিতে বিষমুক্ত করলা চাষ করেছেন। তাঁরা তিন বিঘা জমিতে আলিসা জাতের করলা চাষ করেছেন। গত ১০ দিনে তাঁরা ২ হাজার ২০০ কেজি করলা বিক্রি করেছেন। স্থানীয় বাজারে পাইকারি দর ছিল প্রতি কেজি ৩০–৫৫ টাকা। এতে ৬৫–৭০ হাজার টাকা আয় হয়েছে তাঁদের।

গত বছর এ সময়ে প্রতি কেজি করলা ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। তবে বর্তমানে প্রতি কেজি ৩০–৫৫ টাকা। গতবারের মতো দাম থাকলে কয়েক লাখ টাকা লাভ হতো। বিষমুক্ত চাষে বাড়তি খরচ গত বুধবার বিকেলে উপজেলা শহর থেকে প্রায় ৩৭ কিলোমিটার দূরের ধলনগর মাঠে সরেজমিনে দেখা যায়, পুরো জমি নীল রঙের জাল (নেট) দিয়ে ঘেরা। পোকামাকড় দমনে ব্যবহার করা হয়েছে ফেরোমন ফাঁদ এবং জৈব বালাইনাশক। মাটিতে দেওয়া হয়েছে জৈব সার। একজন পরিচর্যা করছেন খেত, অপরজন তুলছেন করলা।

এ সময় কৃষি উদ্যোক্তা দবির উদ্দিন বলেন, গ্যাপ পদ্ধতিতে চাষ করতে খরচ বেশি। জাল, ফাঁদ, জৈব সার—সবই কিনতে হয়। কিন্তু ফলন ভালো এবং সবজিও স্বাস্থ্যকর। তবে ক্রেতারা এখনো বিষমুক্ত সবজির আলাদা দাম দিতে চান না। আরেক উদ্যোক্তা আবদুল বারী বলেন, বাজারে বিষমুক্ত করলা সমান দামে বিক্রি করে খুব একটা লাভ হচ্ছে না। তাঁরা চান, বাজারে বিষমুক্ত সবজির জন্য আলাদা কর্নার হোক। তাহলে মানুষ বুঝে কিনতে পারবেন এবং তাঁরাও ন্যায্য দাম পাবেন।

"গ্যাপ পদ্ধতিতে চাষ করতে খরচ বেশি। জাল, ফাঁদ, জৈব সার—সবই কিনতে হয়। কিন্তু ফলন ভালো এবং সবজিও স্বাস্থ্যকর। তবে ক্রেতারা এখনো বিষমুক্ত সবজির আলাদা দাম দিতে চান না।" — দবির উদ্দিন ফারাজী

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কুমারখালী, কুষ্টিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দবির উদ্দিন ফারাজী, আবদুল বারী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ হাজার ২০০ কেজি করলা বিক্রি, প্রতি কেজি ৩০–৫৫ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖