📌 কৃষিজমির টপ সয়েলের ব্যবহার কমাতে খাল খননের মাটি দিয়ে ইট তৈরির সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে। ছয়টি জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে
কৃষিজমির উপরিভাগের উর্বর মাটি বা টপ সয়েলের ইটভাটায় ব্যবহার কমাতে বিকল্প মাটির উৎস খুঁজছে সরকার। চলমান খাল খনন কর্মসূচি থেকে পাওয়া মাটি ইট তৈরিতে ব্যবহার করা যায় কি না, শিগগিরই সেটার সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে। প্রাথমিকভাবে ছয়টি জেলায় এ উদ্যোগ পরীক্ষামূলকভাবে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গত ১৮ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণবিষয়ক ফলোআপ সভায় ছয়টি জেলায় এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়।
- 📌 দেশে ইটভাটার সংখ্যা ৮ হাজার, প্রতিবছর ছয় কোটি ঘনমিটার টপ সয়েল ব্যবহার করা হচ্ছে।
- 📌 নির্বাচিত ছয়টি জেলা হলো: চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী ও ফরিদপুর।
- 📌 গত ৩১ আগস্ট ইটভাটা সমিতি ও খাল খননে যুক্ত সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের সভা হয়।
📰 বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ছয়টি জেলাকে বাছাই করেছে। জেলার ইটভাটার সংখ্যা ও খননের জন্য চূড়ান্ত করার খালের দৈর্ঘ্যের হিসাবে এসব জেলা বাছাই করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
খাল খননের মাটি দিয়ে ইট বানানো কতটা টেকসই হবে, সেটা নির্ধারণে আগে মাটির গুণাগুণ পরীক্ষা করা হবে। এরপর ইটভাটার মালিকেরা সন্তুষ্ট হলে এসব মাটি ইটভাটায় দেওয়া হবে ইজারার ভিত্তিতে।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণ ও আইন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সাইদুর রহমান বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমরা ছয়টি জেলা নির্বাচন করেছি। আমরা ইতিবাচক ফল পাব বলে আশা করছি।’
‘খননের পর পাওয়া মাটি ভেজা থাকে। শুকানোর পর এ মাটির গুণাগুণ পরীক্ষা করে দেখা হবে। পরীক্ষার পর সব ঠিকঠাক পাওয়া গেলে এ মাটি দিয়ে ইট বানানোর কার্যক্রম শুরু হবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী ও ফরিদপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মো. সাইদুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ হাজার (ইটভাটার সংখ্যা), ৮০ হাজার হেক্টর (কৃষিজমি হারানোর হার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!